বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পাল্টে যাচ্ছে আমাদের গোটা পৃথিবীটা!
দীর্ঘমেয়াদী লকডাউনের কবলে পড়েই হু হু করে কমতে শুরু করেছে বায়ুদূষণের মাত্রা!
চীন, ইতালি বা ব্রিটেনের আকাশে অবিশ্বাস্য গতিতে কমছে নাট্রোজেন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড আর কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রা!
পরিবেশবিদদের হতবাক করে নিউইয়র্কের আকাশে দূষণের মাত্রা কমেছে ৫০% এরও বেশী! স্রেফ উপগ্রহ ছবিতে নয়, ঘরবন্দী ইউরোপের মানুষ খালি চোখেও দেখতে পাচ্ছে ঝকঝকে নির্মল আকাশ! স্মরণকালের মধ্যে যা হয়ত কখনোই দেখেনি তারা!
দল বেঁধে ফিরে আসছে পরিযায়ী পাখির দল। সভ্যতা থেকে দূরে সরে যাওয়া নিরীহ ডলফিনের ঝাঁক আবার ফিরে আসছে মানুষের কাছে! অনেকটা হ্রাস পড়েছে বিশ্ব ঊষ্ণায়নের হারেও।
ক্ষুদ্র এক ভাইরাস গোটা দুনিয়ার ভোল পাল্টে দিচ্ছে । পাল্টে দিচ্ছে আমাদের মানসিকতা, আমাদের জীবনযাত্রা। একদিকে সীমান্ত মুছে গিয়ে গোটা পৃথিবী দাঁড়িয়েছে এক আকাশের নীচে, অজানা অচেনা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে একজোট হয়ে।
এরপর ঘরবন্দী হয়ে যাওয়া মানুষ প্রাথমিক ধাক্কাটুকু সামলে হাত বাড়িয়ে দেবে প্রতিবেশীর দিকে।
চারপাশের পরিবেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা করার আগে অন্তত একবার হলেও হয়ত ভাববে প্রিয়জন, আত্মীয়, বন্ধু কিংবা পাড়া-পড়শীদের কথা।
করোনাভাইরাসের ঢেউ স্রেফ এই এক-দু’মাসের গল্প নয়। নির্ভরযোগ্য ও কার্যকরী ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়ে বাজারে আসতে সময় নেবে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৬ মাসের আসেপাশে। এরমধ্যে হয়ত পৃথিবীর অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ আক্রান্ত হবে দফায় দফায়, যতদিন অবধি ভ্যাকসিন বাজারে না আসবে।
কী অদ্ভুত তাই নাহ? আমরা আমাদের ইমিউন সিস্টেমের কথা জানি। কিন্তু এই পৃথিবীরও যে একটা ইমিউন সিস্টেম আছে, তা ভাবিনি কখনো! যেন তিক্তবিরক্ত পৃথিবী আর সইতে না পেরে সেই নিজের ইমিউন সিস্টেমকে এক্টিভেট করে দিয়েছে!
বিজ্ঞানীদের মতে আগামী একবছরে করোনা-বিপর্যস্ত মানুষ, দফায় দফায় ঘরবন্দী থাকা মানুষ পৃথিবীর দূষণ কমিয়ে ফেলবে প্রায় ৪৫% শতাংশে! পরিবেশ ফিরে যাবে ৫০০ বছর আগে, বিশুদ্ধতার নিরিখে।
মাস’ছয়েকের মধ্যে কমতে থাকবে হিমবাহের গলন বন্ধ হয়ে যাবে বছরখানেকের মধ্যে। কমবে ক্যান্সারসহ কিডনী, শ্বাসযন্ত্র ও অন্যান্য দূষণজনিত রোগ।
নতুন পৃথিবীতে নতুনভাবে নামবে মানুষ, ভাঙাচোরা অর্থনীতি, থমকে যাওয়া শিল্প আর আমূল বদলে যাওয়া জীবনকে নতুন করে বাঁধতে।
ধূলো-ধোঁয়া-অন্ধকার পেরিয়ে সেই নতুন পৃথিবীর সোনালী আলোর রেখা হয়ত দেখা যাচ্ছে এখন থেকেই! পাল্টে যাচ্ছে আমাদের গোটা পৃথিবীটা।
(সংগৃহীত)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now