বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব_পাচঁ
--ছেলেটি আমার দিকে তাকিয়ে আছে।হয়তো চিনতে পেরেছে। আমি কোনো মতে খেয়ে উপরে চলে এলাম।
_শুভ্র রোমে বসে ঘেমে একাকার হয়ে গেছে।এসী থাকা সত্বেও।এটা কি করে সম্ভব।নিজের ফোন বের করে ভিডিওটি আবার দেখলো।নাহ সেই মেয়েটাই।ও এখানে আসলো কিভাবে।
.
.
.
--রাত ১১টা বাজে আমি রোমে শুয়ে আছি।গায়ে ভীষণ জ্বর এসে গেছে।এমন সময় দরজায় নক করলো।
--আমি চুপ করেই আছি।
--রিয়া দি আমি অরপিতা।দরজা খোল।
--আমি জ্বরের ঘোরেই দরজা খোলে দিয়ে না দেখে খাটে শুয়ে পড়লাম।
-- রিয়া দি দেখ দাদা এসেছে।তুমার সাথে পরিচিত হতে।
_অরপিতা আমার খুব জ্বর এসেছে।আমার খুব সমস্যা হচ্ছে।
--ও আমার গায়ে হাত দিয়ে চমকে ওঠে।বেশ জ্বর এসেছে।দাড়াও আমি মেডিসিন আর থার্মোমিটার নিয়ে আসছি বলেই চলে গেলো।
--আমি তাকিয়ে দেখি শুভ্র দাড়িয়ে আছে।
-- শুভ্র এক ঝটকায় আমাকে টেনে তুলে বললো....এই মেয়ে তুমি এখানে কিভাবে?
--আমার এতো রাগ উঠলো যে আমার গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে উনার গালে ঠাসস করে চড় বসিয়ে দিলাম আর বললাম তর সুখ হারাম করতে এসেছি।এবার বুঝবি কেমন মজা লাগে।
তর এই সুন্দর চেহারার পিছনে যে একটা কুকুরের চেহারা আছে সেটা তর পরিবারকে দেখাতে হবে না। এমন সময় সিড়িতে কারো আসার শব্দ শুনে আবার খাটে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।
-- অরপিতা আসতেই শুভ্র অপমানিত আর রাগান্বিত হয়ে চলে গেলো।
--আমি রাগে কষ্টে কেদে ওঠলাম।আল্লাহ আমায় কোন জায়গায় এনে ফেললে।
--সকালে ঘুম থেকে ওঠে রোম থেকে বের হয়ে দেখি শুভ্র দাড়িয়ে আছে।
--ওনাকে দেখে আমি রোমে আসতেই ওনি ডাক দিলেন।
--আমি দাড়িয়ে গেলাম।
--এমন সময় পলা বাটিতে করে কি যেনো নিয়ে এসে বললো কি দাদা বাবু আপনি এখানে?
--শুভ্র হকচকিয়ে ওঠে বললো এই তো সকালের আবহাওয়া ভালো লাগে তো তাই ছাদে আসলাম।
--পলা বলল এই নাও মিষ্টি খাও।
--কিসের মিষ্টি?
--শুভ্র বললো আমি বিসিএস রিটেন পরীক্ষায় প্রথম হয়েছি।কাল বারোটার পর ফল বের হবে।
--আমার হাতে পলা মিষ্টি দিয়ে চলে গেলো।
--পলা চলে গেলে আমি মিষ্টি গুলো শুভ্রর মুখে ছুড়ে মেরে বললাম অমানুষ কখনো মানুষ হয়না বলেই রোমে চলে আসলাম।দরজা লাগিয়ে বসে ফুসে যাচ্ছি।এতো খারাপ মানুষের এতো ভালো কি করে হয়।
--শুভ্র রাগে রিয়ার রোমের দরজায় দুটো লাথি মেরে নিচে চলে আসে।
-- আমি সকালে নিচে নামতে গেলে বিমলা দিদুনের সাথে ধাক্কা খায়।
--উনি গলা খেখিয়ে বলে ওঠলেন নষ্ট করে দিলিতো সব।আবার গোসল করতে হবে।
--শুভ্র এসে বললো দিদুন এই মেয়ে কোথা থেকে জুটেছে।ছোটলোক কিভাবে বুঝবে যে হাইফ্যামিলির সাথে কিভাবে চলতে হয়?বলে একটা শয়তানি হাসি দিলো।
--ওনার কথা শুনে এতো কষ্ট হলো যে আমি ওখান থেকে চলে আসলাম।
--অরপিতা রিয়া আসেনি খাবার খেতে?
--আমি ডেকে আনছি দাদু এই বলে অরপিতা উপরে চলে যায়।
--বাধ্য হয়ে নিচে নামতে হলো।
--খেতে খেতে নিতাই সেন বলে ওঠলো সামনে তো পূজা সবার যা যা কেনা কাটা দরকার আগে থেকেই কিনে নাও।পরে ভিড় হবে।
--দাদু তাহলে আজই যাবো।
--তুই কি একা যাবি।আমরা সবাই যাবো অরপিতা।
-- সবাই শপিং এ চলে গেছে।আমি আর.... আর পলা সহ দুইটা কাজের লোক বাসায়।
--আমি উপরে আমার রোমে গিয়ে ছিটকি লাগিয়ে দেখি শুভ্র আমার রোমে শুয়ে আছে।
--আমি পিছনে ফিরে দরজা খুলে দেওয়ার আগেই ও আমার হাতটা ধরে ফেলে।
--আমি একবার চিৎকার দিতেই আমার মুখ চেপে ধরল এবং বুকের সাথে জড়িয়ে নিলো।
আমার দম বন্ধ হহয়ে আসছে।আমি শুভ্রর হাতে কামড় বসিয়ে দেই।
এতে শুভ্র আরো রেগে যায় আর এক ঝটকায় উড়না খুলে নেয়।আমি বলেছিলাম না আমার পিছনে না লাগতে।আজ তুমার এমন হাল করবো যাতে মুখটা কাউকে দেখাতে না পারো।
- আমি গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে ওকে ধাক্কা দিয় আর চিৎকার করে ওঠি।
--আজ তুমার চিৎকারেও কোনো কাজ হবেনা কারণ......
next coming....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now