বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব-চার
--চিৎকার শুনে এক মহিলা যার মাথা ভরতি সিদুর হাতে শাখা তিনি আমাকে দেখেই চিৎকার করে বলতে লাগলেন....হায় হায় এ আমার কি সর্বনাশ হলো।।বুড়ো বয়সে কি বিয়ের ভৃত চেপেছে মাথায়। এই বলেই তিনি জ্ঞান হারালেন।
--সবাই মহিলাকে ধরাধরি করে তুলতে গেলো।
--এবার ভদ্র লোকটি বেশ জুড়েই সবাইকে ধমক দিলেন। এক ধমকে সবাই চুপ হয়ে গেলো। পরিবারে লোকটির বেশ ধাপট আছে বলতে হবে।
--তিনি সবাইকে বললেন। এ আমার বন্ধুর নাতনী।আজকে থেকে এখানেই থাকবে।পড়াশুনার জন্য এসেছে।আসার সময় মাথায় রং পড়েছে। আর আমার হাটুর বয়সি মেয়েকে কোন দুঃখে বিয়ে করতে যাবো।লজ্জা করেনা এসব বলতে।
-- এই সব শুনে ওনার স্ত্রী চট করে চোখ খুলে বললেন আপনি সত্যি বলছেন।
--বিমলা তুমি যে জ্ঞান হারানোর নাটক করছো সেটা আমি ভালো করেই জানি।
--উনি আর কিছু না বলে আমাকে নিয়ে সোজা ছাদে আসলেন। সেখানে একটা রোম খুলে ভেতরে যেতে যেতে বললেন।তুমি যেহেতু মুসলমান।আমার স্ত্রী তুমাকে নিচে থাকতে দিবেনা।এখানে থাকতে পারবেনা?
-- আমি গাড় নাড়িয়ে সম্মতি জানালাম।
--কালকেই আমি এসি লাগিয়ে দিবো আর যাযা দরকার।এখন তুমি রেস্ট কর।
এই বলে উনি চলে গেলাম।
--বিশাল একটি অভিজাত বাসা।আমি ফ্রেস হয়ে এসে দেখি ওনাদের কাজের মেয়েটা খাবার নিয়ে দাড়িয়ে আছে।
--শুনেছি তুমি নাকি মুসলিম ঘরের মেয়ে যেখানে সেখানে হাত দিবে।না হহয়আবার গঙ্গা জল দিয়ে ধুতে হবে। আর ঠাকোর ঘরে তো একদম যাবে না।
--হুমমম।(দায় পড়েছে ঠাকুর ঘরে যেতে)
-- আমি এই বাসায় বারো বছর ধরে কাজ করছি।সবাই পলা বলে ডাকে।নাও এবার খেয়ে নাও।
--আমি বিসমিল্লাহ বলে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে গেলাম।সন্ধ্যার পরে একটা মেয়ে এসে আমায় ডাক দিয়ে বললো এই তুমি এখনো ঘুমাচ্ছো।দিদুন দেখলে খুব বকবে।
--চোখ মেলে দেখি একটা মেয়ে।আমি ওঠে বসলাম।তুমি কে?
-- আমি অরপিতা।তুমার নাম কি?
--রিয়া।
--কিসে পড়ো তুমি?
--ইন্টার ফাস্ট ইয়ার।
-- চলো তুমাকে আমাদের বাসাটা দেখাই।এই বলে আমার সাত ধরে নিয়ে গেলো।মেয়েটি খুব মিশুক।
এভাবে সাত দিন কেটে গেলো।
--এই পরিবারটা বেশ।কিন্তু অরপিতার দিদুন আর মা আমায় সহ্য করতে পারেন না।এটা ব্যাপার না।চাচী কতবার ভাতের থালা হাত থেকে কেড়ে নিয়েছেন।তার কোনো হিসাব নেই।
--আমি খাবার খেতে শুধু নিচে যায়।কারণ আমাকে দুজন লোক সহ্য করতে পারতো না।অরপিতা আর দাদু এসে আমার সাথে গল্প করে।
--ঐকদিন সন্ধ্যায় আমি ছাদে বসে ছিলাম।তখন অরপিতা এসে বললো.....আমার মেজ ভাইয়া এসেছে তুমি দেখবে তাকে?
--না অরপিতা।পরে দেখবো।আমার শরীর বেশ খারাপ।
--ওকে দাদুকে পাঠিয়ে দিচ্ছি বলে চলে গেলো।
--আমি রোমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।জ্বর আসা আসা ভাব। আটটার দিকে দাদু এসে বললো রিয়া তুমার নাকি শরীর খারাপ?
--না তেমন কিছু না দাদু।
--আচ্ছা নিচে চলো বলে আমাকে নিচে নিয়ে আসলো।
--ডাইনিং টেবিলে আমি দাদুর পাশে বসি আর আমার পাশে অরপিতা।খাবার খাচ্ছিলাম।এমন সময় কেউ বলে উঠলো....
-- কি ব্যাপার অরপিতা আমাকে ছাড়াই খাচ্ছিস।আমার কন্ঠটা খুব চেনা মনে হলো।তাই উপরের দিকে তাকালাম তা দেখে আমার গলায় ভাত আটকে যাওয়ার মতো অবস্থা।আমি খুব জোড়ে বিষম খেলাম।কেননা এ আর কেউ নয় এটা সেই ছেলে যার জন্য আজ আমার এই অবস্থা......অভ্রু।ও এখানে কেনো?তার মানে এটা ওদেরই ভাসা।আমি আর কিছু ভাবতে পারছি না।চোখ দিয়ে শুধু পানি প ড়ছে। দাদু আমার দিকে পানি এগিয়ে দিলেন।কি আর পানি খাবো।
--ছেলেটি আমার দিকে তাকিয়ে....
next coming......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now