বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
মৃতকে জীবিত করার প্রচেষ্টা
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল (০ পয়েন্ট)
X
বিজ্ঞানীরা আজ পৃথিবী জয় করে মহাকাশ পর্যন্ত জয়ের প্রচেষ্টায় অবিরাম চিন্তামগ্ন।কিন্তু যে জিনিস সব জয়ের গলায় নস্যাতের মালা ঝুলিয়ে দেয়,তার নাম মরণ।মৃত্যু মানুষের সকল আশা- আকাঙ্ক্ষা ধূলিসাৎ ও চূর্ণ করে দেয়।তাই আজ অবিরাম গবেষণা চলছে,মৃত্যু নামের এ প্রাণহারী ঘাতককে কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়।একে জয় করা গেলে তো দুনিয়া আনন্দময়,দুনিয়া তখন সর্গে পরিণত হয়ে গেল।এ মৃত্যুকে জয় করার জন্য বিজ্ঞানীরা মৃতদেহে পরমাণু ঢুকিয়ে একটু নড়াচড়া ও সামান্য প্রাণের স্পন্দন সঞ্চার করতে সমর্থ হয়েছেন।মহাবিজ্ঞানী নাস্তিকরা এ সংবাদ শুনে আনন্দে আত্মহারা।মৌলভীরা বলে মৃত্যুর পর নাকি হিসাব নিকাশ বেহেশত দোযখ বলে কি নাকি আছে।এখন তারা হাঁফ ছেড়ে বাচলেন।মৌলভীদের কথায় আর এসব ফাঁদে পড়তে হবেনা।চিরজীবন দুনিয়ায় আনন্দ ও ভোগ বিলাসে মত্ত হওয়া যাবে।হে নাস্তিকরা!আপনারা খুশি হলেও আমরা এ সংবাদ শুনে বিষ্ময়বোধ করিনা।কারণ মৃতদেহে পরমাণু ঢুকিয়ে সামান্য প্রাণের স্পন্দন সৃষ্টি করা আশ্চর্যের ব্যাপার তাদের নিকট হতে পারে যারা ইতিহাস জানেনা, কোরআন পড়েনা।বস্তুতঃকোরআন প্রমাণ করেছে যে,হযরত ঈসা (আ)-কে আল্লাহ তায়ালা এমন ক্ষমতা দিয়েছেন যে,তিনি মাটি দিয়ে পাখি তৈরী করে ফুঁক দিলে তা জীবিত হয়ে উড়ে যেত এবং কবরের পাশে দাঁড়িয়ে "হে কবরবাসী আল্লাহর হুকুমে উঠ" বললে অনেকদিন আগের মৃত ব্যক্তি জীবিত হয়ে কথা বলত। আল্লাহ সে সব বিষয়ে জানিয়ে দিয়েছেন আপন ভাষায়--অর্থাৎ,"আমি তোমাদের জন্য মাটি দ্বারা পাখি আকৃতি তৈরী করে দেই,তারপর তাতে ফুৎকার প্রদান করি,তখন তা আল্লাহর হুকুমে উড়ন্ত পাখিতে পরিণত হয়ে যায়।আর আমি সুস্থ করে তুলি জম্মন্ধকে এবং শ্বেত-কুষ্ঠ রোগীকে।আর আমি আল্লাহর হুকুমে মৃতকে জীবিত করে দেই।"(সুরা আলে ইমরান,আয়াত ৪৯)।এ হলো কোরআনে হযরত ঈসা (আ)-এর মুজেযার বর্ণনা।পৃথিবীর সকল বিজ্ঞানীদের প্রতি আমাদের চ্যালেঞ্জ, সকল বিজ্ঞানী মিলে একটি সদ্য কবরস্থ ব্যক্তির কবরের পাশে গিয়ে ডাকুন তো দেখি সে অন্তত এক সেকেন্ডের জন্য জীবিত হয় কিনা।মৃতদেহে পরমাণু ঢুকিয়ে তাতে প্রাণের স্পন্দন সৃষ্টি করা হলে সে মৃত ব্যক্তি কখনো জীবিত মানুষের মতো চলাফেরা করতে পারবেনা।এমন নড়াচড়া তো হিন্দুসম্প্রদায় যখন মৃতদেহ আগুনে দাহ করে তখোন হয়ে থাকে।মনে হয় যেন লাফিয়ে উঠে আগুন থেকে পালাতে চায় কিন্তু পারে কি পালিয়ে যেতে?আপনাদের মৃতকে জীবিত করার প্রয়াসও এ জাতীয়।মানুষ গবেষণা করলে অনেক কিছু করতে পারে।কেননা গবেষণার উৎস হলেন -আল্লাহ। হে দু'শত বছরের বিজ্ঞানীগণ!আপনারা চিন্তা করে দেখুন গবেষণার মূল সূত্র কোথায় নিহি।। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা সেটাকে ধবংস করে দিয়েছেন। হে বিজ্ঞানের দাবীদারগণ!আল্লাহর কুদরতপ হাত দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।কেননা,এহেন ধৃষ্টতার পরিণামে অপমানী,, লাঞ্চনা আর ধ্বংস ব্যতীত কিছুই হাতে আসেনা।আপনারা বলতে পারেন,আমরাই তো দুনিয়ার বুকে জাঁকজমকপূর্ণ অবস্থায় রয়েছি।আমাদের কোন কিছুর অভাব নেই।এটা মূলতঃ আল্লাহর পক্ষ থেকে ঢিল দেয়া হয়েছে,যখন তিনি ধরবেন তখন আর কোন উপায় খুঁজে পাওয়া যাবেনা।আল্লাহ তায়াল বলেন, অর্থাৎ,"অতঃপর তারা যখন তাদেরকে দেয়া উপদেশ ভুলে গেল,তখন আমি তাদের সামনে সবকিছুর দ্বার উন্মুক্ত করে দিলাম।এমন কি যখন তারা তাদেরকে প্রদও বিষয়াদির ব্যাপারে খুব গর্বিত হয়ে পড়ল,তখন আমি হঠাৎ করে তাদেরকে পাকড়াও করলাম।তখন তারা নিরাশ(ও দিশেহারা)হয়ে গেল(সূরা আনআম,আয়াত -৪৪)। অতএ,, আপনাদেরকে যা দেয়া হয়েছে, তা হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষণিকের অবকাশ।সময় হলে সব ঠিকই বুঝতে পারবেন।( Collected)
★সমাপ্ত★
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now