বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
কোরআনে আল্লাহর পরিচয়
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল (০ পয়েন্ট)
X
আসসালামু আলাইকুম
বিজ্ঞানীদের আল্লাহ কে না পাওয়ার কারণ হলো তারা কোরআন নিয়ে সঠিক গবেষণা করে না।তাই আল্লাহ পাক কোরআনের শিক্ষার দিকে ধাবমান হওয়ার জন্য ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেনঃ অর্থাৎ,"দয়াময় আল্লাহ, যিনি কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন, (সে কোরআনের শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য)মানুষ সৃষ্টি করেছেন ও তাদের বাক শক্তি দান করেছেন।" (সুরা আর-রহমান,আয়াত ১-৪) এখন যদি আমরা কোরআন নিয়ে গবেষণা করতাম তাহলে আল্লাহর অস্তিত্ব বোঝার জন্য দূরে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না।কোরআন যে মানব রচিত কোন গ্রন্থ নয়,সেটা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট।। এরূপ নির্ভুল একটি গ্রন্থ মহান আল্লাহর পখ থেকেই রচিত ও প্রেরিত।মানুষ এর জ্ঞান সীমিত। এই সীমিত জ্ঞান দিয়ে অসীম সত্তার বিষয়ে চিন্তা করতে গেলে বিভ্রন্ত হবেই।আল্লাহ বলেনঃ অর্থাৎ,"তোমাদেরকে খুব সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে।" (সূরা বনী-ইসরাইল,আয়াত ৮৫)।এখন বিজ্ঞানীরা এই সীমিত জ্ঞানের পুঁজি নিয়ে আজ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।আমরা বলব- আপনারা চেষ্টার পর চেষ্টা করতে থাকুন,অন্তত আল্লাহর ব্যাপারে কিছু করা আপনাদের পখে সম্ভব না।এ কথা নিশ্চিতরুপেই বলা যায়।বিজ্ঞানীরা বলেছেন-নভোমন্ডল ও ভুমন্ডোল যা কিছু আবিষ্কার হয়েছে তা ১০০ভাগের ১ভাগ মাএ।আরও ৯৯ ভাগ বাকী রয়েছে। আল্লাহ পাক বলেন- অর্থাৎ-"যদি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে এক আল্লাহ ব্যতিত অন্য কোন ইলাহ থাকত তাহলে সে সবের ধ্বংস অনিবার্য ছিল।"(সুরা আম্বিয়া, আয়াত-২২)।বিজ্ঞানীদের অভিমত হলো- এ নভোমণ্ডল ও ভুমন্ডল সৃষ্টি হয়েছে দেড় হাজার কোটি পূর্বে কেউ বলে সাড়ে তিনশ কোটি,কেউ বলে,আারশত কোটি বছর।এখানে বিষ্ময়ের ব্যাপার হলো কোন একটি গ্রহ অপরটির সাথে টক্কর লাগেনি।বিজ্ঞানীরা কয়েকটি গ্রহের অনুসন্ধান পেয়েছে এবং ১/২টি ছায়াপথ আবিষ্কার করেছে।কিন্তু এই সৌরজগতের বাইরে আল্লাহ লাখ লাখ সৌরজগত সৃষ্টি করেছেন যা বিজ্ঞানীদের জ্ঞানের বাইরে।আল্লাহ পাক বলেনঃ "তোমাদের উপর আমি মজবুত সপ্ত আকাশ নির্মাণ করেছি এবং একটি উজ্জ্বল প্রদীপ সৃষ্টি করেছি।" (সুরা নাবা,আয়াত ১২)।কোন এক নাস্তিক আমকে প্রশ্ন করেছিল,আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম,পৃথিবী,চন্দ্র-সূর্য কিভাবে হয়েছে?জবাবে তিনি বললেন,এগুলো নিজে নিজেই হয়েছে। আমি বললাম,ঠিক আছে আপনার মতো এ সব জিনিস যদি নিজে নিজেই হতে পারে,তাহলে কি আমার আল্লাহ নিজে নিজে হতে পারেন না?তিনি আুপ হয়ে গেলেন। আমি বললাম,চন্দ্র সূর্য এসব কিছু তো দাবী করলনা যে আমরা নিজে নিজে হয়েছি বা আমারই আল্লাহ।রবের সৃষ্টি ও স্রস্টার দাবী একজনেই করলেন।তিনি হলেন বিশ্ব জগতের মালিক আল্লাহ। আল্লাহ বলেন "শুধু এক দুই দিক নয়,বরং সর্ব দিকের রব হলেন আল্লাহ।" (সুরা আর-রহমান, আয়াত ১৭)।হযরত মূসা (আ)ফিরাউনকে জিজ্ঞাসা করলেন,তুমি তো বর্তমান জনগণের প্রভু। তোমার পূর্ব পুরুষদের প্রভু কে?তাদের কে লালন-পালন করেছে? তখন ফিরাউন নিরুত্তর হয়ে গেল।এখানে ফিরাউন পালন কর্তা বলে দাবী করেছে,কিন্তু সৃষ্টিকর্তা বলে দাবী করেনি।কারণ সৃষ্টিকর্তা একজনই তিনি হলেন মহান আল্লাহ তায়ালা। আকাশ যমীন ধবংস হয়নি তাহলে বুঝতে হবে একাধিক আল্লাহর অস্তিত্ব বলতে নেই।কারণ একাধিক স্রস্টা থাকলে আসমান যমীন কত আগেই ধবংস হত।আল্লাহ আছেন এবং আছেন বলেই তাঁর সৃষ্টি পৃথিবীও আছে।স্রস্টা ছাড়া সৃষ্টির কল্পনা করা বোকামির পরিচয়।কথাটা মনে রাখা ভালো।
(collected)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now