বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তাড়াতাড়ি হসপিটালে চলে গেলাম, গিয়ে দেখি ইসরাত কেবিনে। আমি যা জানতে পারলাম তা হলো ইসরাতের কিডনি একে বারে খারাপ হয়ে গেছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অপারেশন করতে হবে। আমি ইসরাত এর কাছে গিয়ে, ইসরাতকে জোড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলাম ।
আমি ওকে বললাম ইসরাত তোমার কিছু হতে দেবো না, আমি তুমি আমার স্বপ্ন। আমি তোমাকে সুস্থ করে তুলবো।ওর মাথায় একটা চুমু দিয়ে ওকে বললাম দরকার হলে আমার কিডনি দিয়ে তোমাকে ভালো করে তুলবো।
ইসরাত বলেছে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে আল্লাহ্ উপর ভরসা করতে, হয়তো কেউকে সে ঠিকি পাঠাবে।
আমাদের সাহায্য করতে, তারপর আমি ইসরাতকেই রেখে বাইরে বেড়িয়ে আসলাম, বন্ধুরা সবাই বলছে টাকার নাকি ব্যাবস্থা হয়ে যাবে,
কিন্তু আমি তো যানি ওরা এই কয়দিন অনেক করছে আমাদের জন্য তাই ওরা টাকা কৈইপাবে,
আমি বন্ধুদের হসপিটালে রেখে টাকার খোঁজে বেরিয়ে পড়ি রাস্তায় বাবার কাছে কোন মুখ নিয়ে যাবো।
তারপরে ও গেলাম বাবা তো ভিতরে ঢুকতে দিলো না।
বাইরে থেকে বের করে দিলো কোনো কথাই শুনলো না।
আমি গেলাম ইসরাতের মা বাবার কাছে তারাও মুখ ফিরিয়ে নিলো।
অনেক রাত পর্যন্ত বাইরে থেকে তারপর আমি হসপিটালে,
চলে আসি দেখি বন্ধুরা এখনো জেগে আছে।ওরা সবাই মিলে ৩০০০টাকা গুছিয়ে ফেলেছে কিন্তু এতে কিছু হবেনা। এক লাখ টাকা মতো লাগবে,
আমি ওদের সাথে রাত কাটিয়ে সকালে দেখি সাইফুল নাস্তা নিয়ে এসেছে। ওরা খেলো কিন্তু আমার খাওয়ার ইচ্ছে নাই তাও জোড় করে ওরা খাওয়াই দিলো।
তারপরে আমি বেরিয়ে পড়ি কোথায় যাবো, কি করবো তারপরে।
অফিসে যাই, গিয়ে বসে থাকি হঠাং ফোন বেজে উঠে দেখি রনির ফোন আমি তাড়াতাড়ি রিসিভ করি।
আমি..হে রনি বল।
রনি. কৈই তুই সজীব।
আমি তো অফিসে। (আমিবললাম) ।
রনি. এখনি হসপিটালে চলে আই। বলে ফোন রেখে দিল।
আমি তাড়াতাড়ি হসপিটালে চলে গেলাম দেখি,ওরা মিষ্টি খাচ্ছে।আমি কিরে কি হয়েছে তোরা মিষ্টি কেনো খাচ্ছিস।ওরা বলে ইসরাতের নাকি অপারেশন হয়ে গেছে।
আমি তো অবাক হয়ে গেলাম ওরা কি বলছে,
অপারেশন হয়ে গেছে মানে কে করলো কে দিলো টাকা।
তারপরে হঠাং করে কেউ একজন আমার ঘাড়ে হাত দিলো আমি ঘুড়ে দেখি আরো এতো সাইম ।আমার এক বছরের সিনিয়র এক সাথেই পথ চলা ।
সাইম আমার আরেক বন্ধু ওই নাকি ইসরাতের অপারেশনের জন্য টাকা দিছে।
আমি সাইম কে জুড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলাম আর বললাম তুই না থাকলে জানিনা কি হতো,তুই আমার এতবড় উপকার করলি ইসরাতকে বাচালি আমি তোর,
কাছে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।
সাইম বলেছে ওর যখন টাকা ছিলো না তখন ওর কাছের মানুষদের হাড়িয়ে পেলেছে,বিনা চিকিংসার কারনে মারা গেছে ওর কাছের মানুষ গুলো কিন্তু এখন ওর টাকা আছে।
কিন্তু মানুষ গুলো আর নেই,তাই ইসরাতের জীবন বাচালো।
সত্যি আজ বন্ধুদের সাহায্যে আর সাইম এর অসীম অবদানে ইসরাত সুস্থ হয়ে গেছে।
আমি আর ইসরাত ও সাইম এর বাড়ি গিয়ে থাকি।সাইম
বলেছে ওর ফ্লিলাটে থাকতে,।
এখন আমার সাইম এর বাড়ি ভাড়া থাকি।
এভাবে কেটে গেলো ১ বছর...................
ইসরাতের কোল জুড়ে আমাদের সুন্দর একটা মেয়ে আসে।ওর নাম ঐশি।
ঐশি যখন হলো তখনো বন্ধুদের কাছে পাইছি।
তারপরে একদিন হঠাং আমার বাবা ফোন দিয়ে জানালো যে আমাদের বাড়ি চলে যেতে বলে।
কিন্তু ইসরাত বলে আমাদের বিপদের সময় আমাদের কোনো খবর নেই নি আমার মেয়ে হলেও কেউ খোঁজ নেই নি।
আজ আমরা যাদের জন্য বেচে আছি,নতুন জীবন পেলাম যারা আমাদের বিপদের সময় সময় আমাদের পাশে ছিলো। আজ তাদের কে পর করে দেবো,আজ সুখের সময় কেনো তাদের কাছে ফিরে যাবো।না আমারা ওদের নিয়েই থাকবো, ইসরাত ঠিক বলেছে।
আজ প্রমাণ হলো কে আপন কে পর।
এতোদিন যারা আপন ছিলো আজ তাদের পর করে দিলাম।
আর যারা পর হয়ে ছিলো তাদের আপন করে কাছে টেনে নিলাম ,আজ পর আপন আর আপন পর।
এখন আমরা ও সবাই ভালো আছি। আমি অফিসেরকাজ নিয়ে একটু ব্যস্ত, আর ইসরাত ও ঘর আর মেয়ে কে নিয়ে ব্যস্ত বন্ধুরা ও সবাই ভালো আছে,যে যার মতো নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে ছে। সবাই আড্ডা দেই কাজ শেষ। সবাই কে নিয়ে আমরা ভালো আছি।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি।দেখা হবে অন্য কোনো গল্পেঅন্য কোনো কাহিনী নিয়ে,
সে পযন্ত সবাই ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন।
(আল্লাহ্ হাফেজ ).................বাই
..................সমাপ্ত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now