বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কে আপন কে পর পাট3

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান samia (০ পয়েন্ট)

X মামুনের বাড়িতে পৌছিয়ে গেলাম, সেখানে মামুনের টাকায় খেলাম কয়দিন। মামুনের বাড়ি গিয়ে ইসরাত প্রতিদিন খবরের কাগজ পড়তে,কারন যদি চাকরির জন্য কোনো বিজ্ঞাপন দেয় কাগজে।আমি চাকরি খুঁজতে লাগলাম, এভাবে ১৩দিন কাটতে চলছে,হঠাং ইসরাত আমাকে ডাকে আমি তখন মামুনের রুমে বসে,টিভি দেখি ওর ডাক শুনে আমিও মামুন দৌড়ে গেলাম ইসরাতের কাছে।ইসরাত আমাকে খবরের কাগজ দেখিয়ে বললো,কালকে আমি যেনো এই কম্পানিতে যোগাযোগ করি চাকরির ব্যাপারে। আমি অনেক খুশি হলাম ।পরদিন সকালে ইসরাতের কথা মতো মামুন কে নিয়ে ওই কম্পানিতে গেলাম, ইন্টারভিউ দিলাম সব কিছু দেখে সবাই আমাকে সিলেক্ট করলো।কিন্তু ওই যে পকেটে ফুট না থাকলে কিছুই হয় না টাকা লাগবে কিছু, কিন্তু আমি টাকা কৈই পাবো,বন্ধুরা এমনিতেই আমাদের জন্য অনেক করছে,কি মনে করে রনি বললো কম্পানির মালিকের সাথে কথা বলতে যদি কথা বলে টাকা টা মাফ করা যাই।অনেক সময় বসে থেকে অনেক জোড়া জড়ি করে,শেষ পর্যন্ত মালিকের সাথে কথা বলার অনুমতি পেলাম,আমি রানিকে নিয়ে উপরে গেলাম মালিকের কাছে ভিতরে ঢুকতে যাবো কিন্তু একি দরজার সামনে দেখি একটা লোক আমাদের চেনা।দারোয়ান বললো এটাই মালিক,আমি রনির দিকে আর রনি আমার দিকে তাকিয়ে আছে ,তারপরে ভিতরে ঢুকি,আসবো, আমাদের দিকে তাকিয়ে সে আরে সজীব রনি তোরা এখানে আই আই বলো আমাকে আর রানিকে জড়িয়ে ধরে, এতক্ষণ যার কথা বললাম সে আমার ক্লোজফ্রেন্ড সাইফুল আল্লাহ্ কি নিমমপরিহাস বিপদে সব বন্ধু কেই কাছে পাবো কখনো ভাবিনি, ।সাইফুল অনেক বড়ো ঘরে বিয়ে করেছে শশুরের বিজনেস দেখে বলতে গেলে মালিক ।ওর সাথে কফি খেতে খেতে সব কিছু খুলে বললাম ও সব শুনে বলে,কোনো ব্যাপার না কাল থেকে আমি এই কম্পানির একাউন্ট্ পদে জয়েন্ট করবো কাল থেকে আর যতদিন কোনো ভাড়া বাড়ি পাচ্ছি ততদিন অফিসে কোয়ার্টারে থাকতে পারবো,এই খবরটা ইসরাতকেই দিলে ও খুশি হবে কিন্তু খালি হাতে কি করে সুখবর দেবো,অফিস থেকে বের হয়ে একটা বিরিয়ানির দোকানে গিয়ে মফিজুল কে ফোন দিয়ে বললাম কিছু টাকা দরকার আমি চাকরি পেয়েছি কিছু কিনতে চাই, বলে মামুনের বাড়ি চলে গেলাম, ইসরাতকে খবরটা দিলে ইসরাত খুশি হয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো,আর কোনো কষ্ট নেই ওর,সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি বললাম এই খুশির খবর শুনে ও কি খাবে, ও বললো আমি যে দিন বেতন পাবো তখন খাবে,এখন কিছু খাবে না। ................................................................????পরদিন সকালে আমি অফিসে যাই,ইসরাতকে বাই বলে, অফিসে গিয়ে কাছে লেগে পড়ি।দুপুরে লায়ন্স টাইমে ফোন আসে মামুনের আমি ফোন ধরি,,,, মামুন বলে তাড়াতাড়ি হসপিটালে চলে যেতে ইসরাত নাকি অসুস্থ হয়ে পড়ছে পরে তিন বন্ধু মিলে ছিটি হসপিটালে নিয়ে গেছে ,বলে ফোন রেখে দেই,আমার তো ভয়ে বুক কাঁপছে,তাহলে কি আবার ইসরাতের কিডনির সমস্যা হলো আগে থেকেই ছিলো,অপারেশন করা হয়নি,আমি আর সাইফুল তাড়াতাড়ি হসপিটালে চলে গেলাম। ..............................................................চলবে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now