বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্রশ্নঃ সত্য ও মানবতার কাজ করতে ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো বাঁধা আছে কি?
উত্তরঃ ইসলাম এমন একটি ধর্ম, যে ধর্মে প্রত্যেকের হক আদায় করা হয়েছে।আইয়ামে জাহেলিয়াতে নির্যাতিত নিপীড়িত মা-বোনদের উদ্ধার করে প্রাণাধিক প্রিয়নবী তাদেরকে দিয়েছেন যথাযথ সম্মান।বাহ্যিক দৃষ্টির ভিত্তিতে নয়,মা-বোনদের সম্মান দান করেছেন মানুষ হিসেবে মুমিন হিসেবে।
ইসলামের সৌন্দর্য দেখেই দলে দলে মা-বোনরা ইসলাম কবুল করেছেন।সর্বপ্রথম মুমিন হিসেবে যিনি সৌভাগ্য অর্জন করেন তিনি হলেন উম্মুল মুমিনীন মা খাদিজাতুর কোবরা রাদ্বিআল্লাহু তায়ালা আনহা।
প্রিয়নবী মা-বোনদের মর্যাদা দান করার পাশাপাশি দান করলেন স্রষ্টার বন্ধন।সেই বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সত্যের জন্য সর্বপ্রথম যিনি জীবন উৎসর্গ করলেন তিনি হলেন আমাদের মা সুমাইয়া রাদ্বিআল্লাহু তায়ালা আনহা।
সত্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠায় মা-বোনদের অপরিহার্য দায়িত্বও তুলে ধরেছেন প্রিয়নবী যার ফলে আমাদের মাতা সাহাবীরা যুদ্ধের ময়দানে যেতেন এবং যোদ্ধাদের সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগীতা করতেন।এই ঈমানী এবং মানবিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রিয়নবীর দোয়ার বরকতে সর্বপ্রথম যিনি সমুদ্র অভিযানে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করেন তিনি হলেন মা উম্মে হারাম রাদ্বিআল্লাহু তায়ালা আনহা যা বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফসহ অসংখ্য হাদিসের কিতাবের সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।
যুগে যুগে ঈমান-দ্বীন-মিল্লাত-মানবতার দায়িত্ব ভাই বোন সকলে মিলেমিশে পালন করেছেন।কাজের বিভিন্ন কৌশল ও তারতম্য থাকতে পারে কিন্তু দায়িত্ব পালনের অধিকার সমান এবং এর সওয়াবও সমান যা পবিত্র কোরআনের ''সূরা আন নামল'' এর ৯৭ নং আয়াত শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।যেখানে আল্লাহ পাক বলেন,'' ভাই হোক,বোন হোক যে ঈমানের সাথে সৎকাজ করবে সে মুমিন অতঃপর তাকে আমি পবিত্র হায়াত দান করবো এবং তারা যা আমল করে তার উত্তম প্রতিদান দিবো''।
এই আয়াত শরীফ হতে বুঝা গেলো সত্য ও মানবতার সংকটে যিনি যত বেশী উৎসর্গতার সাথে এগিয়ে আসবেন সে ততবেশী উত্তম প্রতিদান এবং পবিত্র মাকবুল হায়াত পাবেন।
''সূরা আত তাওবা''র ৭১নং আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ বলেন,''মুমিন ভাই-বোন একে অপরের বন্ধু,তারা সবাই সত্যের দিকে মানুষকে আহ্বান করবে এবং মিথ্যা হতে মানুষকে উদ্ধার করবে''।
লিঙ্গের ভিত্তিতে যারা মা-বোনদেরকে ঈমান ও মানবতার কাজ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে তারা মূলত কোরআন শরীফের আয়াত অস্বীকারকারী।
যুগে যুগে কিছু কাঠমোল্লারাই মা-বোনদের উপর কোরআন হাদিস বিরোধী তাদের মনগড়া ফতোয়া তথা পর্দার নামে অতিপর্দার বিধান আরোপ করে সত্য-জ্ঞান-বিজ্ঞান-মানবিক দায়িত্ব থেকে বিরত রেখে তাদেরকে দাসী বানিয়ে জাতীকে পঙ্গু বানালো।
নারী কিংবা পুরুষ নয়,মানুষ হিসেবে সবার প্রাথমিক পরিচয় এবং মুমিন হিসেবে সবার চূড়ান্ত পরিচয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now