বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্বপ্নে দেখা মেয়ে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md.subanur haque(guest) (০ পয়েন্ট)

X গল্পটি বলেছেন সোহাগ ভাই।আমার কলিং। প্রতিদিন ঘুম আসার আগে দোয়া-দূরুত,বন্ধুদের কথা শুনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ,বাজে কোন কাজের ধারে কাছে নেই আমি।আর এই আমিই হলাম সোহাগ,কালিয়াকৈর বানিয়া বাড়ি বাসা।বন্ধুদের আজে বাজে কথা শুনে জীবনটা জালাপালা,কেউ আমার দিক থেকে বুঝতে চাই না।আপনিও হয়তো তাদের মতো ভাবছেন।সবাই ভাবে আমি বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলি। কিন্তু আমিতো জানি,আসলে বিষয়টা কী।বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ কমে গেছে।কারন, দেখা হলেই আজে-বাজে কথা,আমার ভাল লাগে না।বিষয়টা নিয়ে আমি সবার সাথে আলোচনা করতাম,কিন্তু এখন শুধু আরাফাত এর সাথে বিষয়টা নিয়ে কথা বলি,কারন সে আমাকে বুঝতে পারে।বিষয়টা অবাস্তব মনে হলেও, আমি বাস্তবে সমস্যাটির সমাধান খুঁজে পেয়েছি। বিষয়টা হলো একটা মেয়ে,আপনারা মনে করছেন,এটা কোন বিষয় হলো?ভয় পাওয়ার মতো,একটি মেয়ে,পড়নে ছিল নীল শাড়ী,কপালে লাল টিপ,চোখে গাঢ় কাজল, কানে বড় বড় দুল, লাল টুকটুকে ঠোঁট। প্রায় দেখি এমন একটি সুন্দরী মেয়ে, আমার স্বপনে আসে।একেক রাতে মেয়েটি একেক সময় আসে।আপনারা খারাপ কিছু মনে করছেন না তো?খারাপ কিছু না।মেয়েটি আমাকে ইসলামিক টিপস্ দিত।একেক রাতে একেক ধরনের উপদেশ।আমিও তার উপদেশ মানতে শুরু করি।একদিন আমি আর আমার বন্ধু,একজন হজুরের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করি।হজুর বলে ছিল মেয়েটি তো তোমাকে ভয় দেখায় না,তোমাকে ভাল ভাল কাজ করতে বলে।কোন দিন যুদি মেয়েটিকে দেখতে পাও, তাহলে মেয়েটিকে বিয়ের পস্তাব দিও।কালিয়াকৈর থেকে বাসয় ফিরবো,রিক্সার জন্যে দাড়িয়ে আছি। কালো বোরকা, মাথায় কালো হিজাব একটি মেয়ে আমার সামনে দাড়িয়ে।এমন সময় একটি কভারবেন এসে মেয়েটিকে ধাক্কা মেরে চলে যায়।আমি মেয়েটিকে কালিয়াকৈর আজাহার হালিমা ক্লিনিকে ভর্তি করি। যখন মেয়েটির হিজাব খুলা হলো,আমি অবাক হয়ে গেলাম।এই সেই মেয়ে,আমি যাকে প্রায়ই দেখতাম।বন্ধুদের সবাইকে ফোন করে ডাকি।সবাইকে বলি এই মেয়ের কথা আমি তোদের বলতাম।মেয়েটি এখন সুস্থ।মেয়েটি নাম সাবিয়া ইসলাম, বাবা মা কেউ বেঁচে নেই। চাচাতো খালা সাবিয়া কে মাদ্রাসাতে পড়া লেখা করিয়াছেন।অনেক আনন্দের বিষয় আমি আজ সাবিয়াকে বিয়ে করছি।আমি এখনো সেই স্বপনের কথা তাকে বলি না,এবং বলবোও না কোন দিন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now