বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
মধ্যবিত্তের যাদু
"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান say£d (০ পয়েন্ট)
X
সকাল থেকে টিটু তার সার্টিফিকেট নিয়ে ঘুরছে।এ পর্যন্ত চারটি চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে এসেছে।
ঘরে মা নস খেয়ে বসে আছে ছেলের জন্য।সকাল সাতটা বাজে চায়ের দোকানে চা খায়।
আর সে চা টা খেয়ে দৌড়াচ্ছে।
মা ও কি পারে ছেলে না খেলে নিজে খেয়ে বসে থাকবে।মাছের এক টুকরো কাল রাত রয়ে গেছিল।সেটা ছেলের খুশির জন্য রেখে দিয়েছেন।
বোন হাতে জগ নিয়ে দাড়িয়ে আছে ভাই আসলে পানি দিবে।এ দেশের বড় ব্যাপার মামা-খালা না থাকলে চাকরি পাবে না।
ভালো রেজাল্ট হওয়া সত্বেও দুইমাস গাম ঝরা পরিশ্রম করেও একটা চাকরি পেল না।
কাল অপেক্ষা করছে বোনের কলেজের বেতন।ভাইকে অনেক বলেছে ৩০তারিখ ভাই লাস্ট তারিখ বেতন ভরার।
টিটু ভেবে পারছে না কি করবে?
ব্যাথায় ভরা শরীর নিয়ে টিটু যাচ্ছে।চোখে ঝাপসা দেখছে।কে যেন রাস্তায় কাতরাচ্ছে।
নিজের ব্যাথায় ভরা শরীর নিয়ে কাছে গেল।
--আরে এর তো গুলি লেগেছে!!(টিটু)
ব্যাথায় কাথরাচ্ছে লোকটা।টিটু সাটিফিকেটের ব্যাগটা কাধে নিয়ে হাতে তুলে নিলো সিএনজি পর্যন্ত গিয়ে উঠল।
হসপিটাল পর্যন্ত গিয়ে নিজের পকেট থেকে ২৫০টাকা দিয়ে লোকটাকে হসপিটালে ভর্তি করলো।
লোকটার পকেট থেকে পাওয়া নাম্বার থেকে পরিবারকে ফোন করলো।কিন্তু নিজের সার্টিফিকেটের ব্যাগটা সেখানে রেখে আসলো।
এখনও জানে না যে তার ব্যাগ তার কাছে নেই।
ঘরে ঢুকে শার্টে রক্তের দাগ দেখে টিটু মা ভয় পেয়ে গেলেন।কিন্তু টিটু পুরো কাহিনি তার মাকে বলল।
এতক্ষণ পর তার মনে পড়লো যে সার্টিফিকেটের ব্যাগটা সে ফেলে এসেছে।এখন এতো শক্তি নেই যে সে আবার হসপিটাল গিয়ো সার্টিফিকেট নিবে।
রাতটা টেনশনো এম তেমন কেটে গেল।সকাল হওয়ার আগে টিটু সে হসপিটাল গেল।
কিন্তু সার্টিফিকেট ফেল না।
কালকের লোকটাও নেই।তার পরিবার তাকে রাতেই নিয়ে গেছে।আর লোকটা পরিবার টিটুর ব্যাপারেও জানতে চেয়েছিল।
হতাশা হয়ে টিটু ঘরে চলে গেল।হঠাৎ একটা ফোন এল।
--হ্যালো!!
--আপনার নাম টিটু?
--জ্বি!!
--জ্বি আপনি...... ঠিকানায় আসতে পারবেন
আর কিছু জিজ্ঞেস করবে তার আগে ফোন কেটে দিল।
ঠিকানায় গিয়ে দেখে একটা মেহেলের মত ঘর।
সে ভিতরে ঢুকতে যাবে দায়ওয়ান তাকে আটকে দিল।
বেশ বলাবলির পর দারওয়ান ঘরে জিজ্ঞেস করে টিটুকে ঢুকতে দিল।টিটু তো অবাক সে মামুষটা যেটা কাল রাতে হসপিটালে নিয়ে গেছিল।
কিছু বলার আগে লোকটা টিটুকে খাবার টেবিলে বসিয়ে দিল।পুরো টেবিল খাবারে ভরা!!
--কি!!খাও!!(লোকটা)
--জ্বি আপনাকে শুকরিয়া আমার আম্মু বোন না খেয়ে বসে আছে তাদের ছাড়া আমি কেমনে খাই!!আর আমি আমার সার্টিফিকেট চাইতে এসেছি!!(টিটু)
--তুমার সার্টিফিকেট বেশ ভালো!! আমি তোমার মত একটা একটা ভালো ম্যানেজার চেয়েছিলাম তাই তোমাকে ডাকা!! বেতন নিয়ে ডিশকাশন অফিসে করবো।তার আগে তুমার ২৫০টাকা যা তুমি কাল সিএনজি ভাড়া দিয়েছো।তুমার বোনের বেতন দিয়ে দিয়েছি।(লোকটা)
টিটু লোকটাকে জড়িয়ক ধরলো।।
--স্যার আপনার নাম!!(টিটু)
--নিরব রাহমান(নিরব)
শেষে জানা গেল নিরবের বডি গার্ডই নিরবকে গুলি মেরে চলে যায়।
মধ্যবিত্তের যাদু
SaY£D CHy
---সমাপ্ত---
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now