বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Writer:- KM Saju Ahmed Rokib
ইসলাম শান্তির ধর্ম। এতে রয়েছে মানব জীবনের সকল সমস্যার সমাধান।
মহান আল্লাহ এ পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের জন্য অসংখ্য নেয়ামতের ব্যাবস্থা করে রেখেছেন।
তন্মমধ্যে নারী ও পুরুষের দাম্পত্য জীবন আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত।
আর বিবাহের মাধ্যমে মানুষের দাম্পত্য জীবন পরিপূর্ণতা পায়।
মহান আল্লাহর বাণী :- স্ত্রীদের মধ্য হতে তোমাদের পছন্দ মত বিবাহ কর।
বিবাহের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসূল (সাঃ) এর হাদীস:- হযরত মা'কাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূল(সাঃ) ইরশাদ করেন,তোমরা অত্যধিক ভক্তি ও অধিক সন্তান প্রসবকারীনি রমণীকে বিবাহ কর। কেননা কিয়ামত দিবসে আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্যের দ্বারা অন্যান্য উম্মতের ওপর গর্ব করব।।।
যাই হোক আমাদের সমাজে মুসলিম নারী পুরুষ এর বিবাহ প্রতিনিয়ত হচ্ছে কিন্তু বিয়ে সম্পর্কে ইসলাম কী বলে তার কোন ধারণা নেই।।।। আজকে বিয়ের কুটিনাটি বিষয় নিয়ে আপনাদের সামনে আলোচনা করব এবং যতটুকু জেনে শিখেছি ঠিক ততটুকুর ভেতরে থেকে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ ।।। আর কোথাও কোন প্রকারের ভূল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ভূল ধরিয়ে দিবেন।।।
যাই হোক কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় আসি।।।
বিবাহ শব্দের আরবি হচ্ছে নিকাহ।।। নিকাহ এর আভিধানিক অর্থ ১.বিয়ে দেয়া। ২. বন্ধন। ৩.ভালোমন্দ বিচারের জ্ঞান। ৪.মহর। ৫.মিলানো। ৬.সহবাস। ইত্যাদি।।
বিবাহের সংজ্ঞা কি? এ নিয়ে বিভিন্ন উলামায়ে কেরাম এর বিভিন্ন মত রয়েছে নিম্নে কয়েকজন এর অভিমত প্রদান করলাম :-
→ইমাম আবু হানিফার মতে: নিকাহ (বিবাহ) এমন একটি বন্ধন,যা মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হিসেবে যৌন উপভোগের অধিকার দেয়।।।অর্থাৎ পুরুষের নারী থেকে উপকৃত হওয়া হালাল হয়।
→আল্লামা শাওকানী(র) বলেন :- বিবাহ হল স্বামী স্ত্রীর মাঝে এমন বন্ধন,যার দ্বারা পরস্পর সঙ্গম হালাল হয়।
→শহরে বেকায়াহ গ্রন্থকার বলেন :- যৌনাঙ্গ উপভোগ করার উদ্দেশ্যে নারী পুরুষের মাঝে প্রতিষ্ঠিত বন্ধন বৈধ হওয়াকেই বিবাহ বলা হয়।
বিবাহের হুকুম:
বিবাহের হুকুম নিয়ে বর্তমান জনসাধারণ কনফিউজ থাকে।। বিবাহের হুকুম কি? সেটা কাউকে প্রশ্ন করা হয় তাহলে হয়তো সঠিক উত্তরটা দিতে পারবে না।।।
বিবাহের হুকুনম নিয়ে ইমামদের মতভেদ রয়েছে যেমন:-
→আহলে যাওয়ারের মতে: আর্থিক ও শারীরিকভাবে সামর্থ্যবান ব্যাক্তির ওপর বিবাহ নামায রোযার মতই ফরযে আইন। অতএব যে ব্যাক্তি মহর ও ভরণপোষণের ক্ষমতা সত্ত্বেও বিবাহ করলো না, সে গুনাগার হবে।
→ইমাম শাফেয়ী (র) - এর মতে,স্ত্রীর ভরণপোষণ প্রদানে সক্ষম ব্যাক্তির যদি কামভাব তীব্র আকার ধারণ করে এবং বিবাহ না করলে যেনায় লিপ্ত হওয়ার আশংকা থাকে, তাহলে বিবাহ ফরয। আর স্বাভাবিক অবস্থায় বিবাহ জায়েয। এ অবস্থায় বিবাহের চেয়ে ইবাদতে মগ্ন থাকাই উত্তম।
→ইমাম আবু হানিফা (র) এর মতে : অবস্থা অনুযায়ী বিবাহের হুকুম বিভিন্ন হয়। যেমন-
১.যদি কামভাব তীব্র হয়, বিবাহ না করলে যেনায় লিপ্ত হওয়ার আশংকা থাকে এবং বিবাহের সামর্থ্যও থাকে, তাহলে বিবাহ করা ফরয। আর সামর্থ্য না থাকলে রোযা রাখতে হবে।
২.তীব্র যৌন উত্তেজনার সময়ে বিবাহ করা ওয়াজিব।
৩.স্বাভাবিক অবস্থায় বিবাহ করা সুন্নত।
৪.কামভাবের ক্ষমতা না থাকলে বিবাহ করা হারাম।
৫.দাম্পত্য সম্পর্কীয় দায়িত্ব যথাযথ পালনের যদি ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকে, তবে বিবাহ করা মুবাহ তথা শরীয়ত অনুমোদিত ব্যাবস্থা।।।
আজ আর বেশী লম্বা করলাম না আশাকরি এ পর্যন্ত বুঝাতে পেরেছি।।। চলবে.......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now