বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্রিয় জিজেবাসী আপনাদের জন্য উপহার.........
গল্পঃ "আমাদের বকুল ভাই"
লেখকঃমফিজুল
উৎসর্গঃ আমাদের অতি প্রিয় বকুল ভাই
দিনটা ছিল খুবই সুন্দর। চারপাশের পরিবেশ ছিল শান্ত। এরকম দিনে জিজেবাসী ঠিক করে পিকনিক এ যাবে।কিন্তু কোথায় যাবে তা ঠিক করা হয় নি।এদিকে বকুল ভাই পিকনিক এর কথা শুনে পাবনা যাবার কথা বলে দেয়। সে অনুযায়ী আমরা সবাই পাবনার উদ্দেশ্যে রওনা দেই।পাবনা পৌঁছানোর পর হোটেল ঠিক করে থাকা শুরু করি। বকুল ভাই ও খুশি।সে পাবনা মেন্টাল হাসপাতাল পরিদর্শন করতে যায়।কয়েকটা পাগলের সাথেও দেখা হয়।তারা একসাথে চা নাস্তা করে।পাগলরা বলে জীবনে প্রেম ভালোবাসা ভালো নারে ভাই এর জন্য আমরা পাগল হইছি কিন্তু বকুল ভাই তা হেসে উড়িয়ে দেয়। এদিকে এক রমনী কে দেখে সে শকট খায়। কিন্তু মেয়ে তাকে পছন্দ করে কিনা সে জানেনা।কি করবে বুঝতে না পেরে পরেরদিন থেকে সে একটি থালা নিয়ে গান গাওয়া শুরু করে,আমায় এত দুঃখ দিলি বন্ধু রে বন্ধু আমি তোর প্রেপ্রেম তে দেওয়ানারে দেওয়ানা মন জানে আর কেউ যানেনা।বকুল ভাইয়ের এই অবস্থা দেখে আমি আর কান্না থামাতে পারিনা।তার গলা ধরে হাউমাউ করে কাদতে থাকি।এদিকে ইসরাত আপু আমাদের খোঁজ নিতে এদিকে এসে সে অবাক হয়। তাড়াতাড়ি করে মোবাইলটা বের করে ভিডিও করে। এই ভিডিও জিজেবাসী র কাছে ফাঁস করে। ফলে তারা মনে করে বকুল ভাই ছ্যাকা খাইছে তার বিয়ে দেওয়া উচিৎ। তাই মেয়ের কোটিপতি বাপকে পটিয়ে পাটিয়ে বিয়ে র ব্যবস্থা করে।কিন্তু বিয়ে র ধুতি কই পাই।বকুল ভাই য়ের ব্যগে তার বাবার একটা পুরনো ধুতি ও ছেড়া গেঞ্জি ছিল।টাকার shot দেখে ওই কাপড় গুলো পড়ে। তারপর সোজা বিয়ের মন্ডব। মেয়ে বকুল ভাই কে দেখে অজ্ঞান।তারপর জ্ঞান ফিরলে সে বলে ডেডি আমি এই ছেলেকে বিয়ে করবনা।আমার মানসম্মান থাকবেনা।তারপর বিয়ে বন্ধ। বকুল ভাই বারবার প্রিয়া প্রিয়া করে ডাক দেয়। তারপর গুন্ডা রা তাকে মারে আর মাথায় বাড়ি দেয় সে অজ্ঞান হয়।এরপর হাসপাতালে।ডাক্তার জানায় সে মাথায় আঘাত করার ফলে তার মগজ কিছুটা খয় হইছে।হইছে। কোন চাপে পড়লে সে পাগল হয়ে যাবে।বকুল ভাই য়ের মা-বাবা তার এ অবস্থা জানত না।তাই বাসায় এনে সোজা বিয়ে দেয়।যে মেয়েকে বকুল ভাই বিয়ে করে সে ছিল মোটা। তার ভরনপোষন করতে পারেনা।তার অত্যাচারে সে পাগল হয়।পাবনা মেন্টাল হাসপাতাল এ তাকে আবার ভর্তি হতে হয়।এভাবে সে বুড়া হয়।কিন্তু পাবনা মেন্টাল হাসপাতাল কে ছাড়েনা। হাসপাতালের অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি যায় কিন্তু বকুল ভাই এই হাসপাতালে থেকে যায়।বকুল ভাইয়ের এই অবস্থা দেখে সরকার তাকে "শ্রেষ্ঠ পাগল" পুরষ্কার দেয়।তারপর বিদেশ থেকে সাংবাদিক তার কাহিনী শুনে বলে, No tension crezy man আর আমরা সবাই তাকে বলি, চিন্তা করিসনারে পাগলা বউ গেলে বউ ফিরে পাওয়া যায়। :।
বিদ্রঃ গল্প টা শুধু মজা করার জন্য।কাউকে ছোট করার উউদ্দেশ্যে নয়
সমাপ্ত।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now