বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পরদিন সকালে নুসরাত ইস্কুলে গেলো তারপরে যেটা ঘটলা তার জন্য মটেও পস্তুতু ছিলো না নুসরাত। সবাই ওকে ভাবি বলে ডাকছে সবাই জানে সজিব আর নুসরাত এর বিয়ের ব্যাপারে,, নুসরাত ানেক লজ্জা পায় কারন সবাই তাদের বিয়ের ব্যাপারে কথা বলা বলি করছে। সে চুপচাপ থাকে। এভাবে কেটে যায় ২৫ দিন হঠাৎ করে সজিব নুসরাতের বাড়ি মানে নুসরাতের এক ভাবির কাছে খবর পাঠায় সে নুসরাতে এক বার কথা বললে চায়। আজ সন্ধায় ঘটকের বাড়ি আসবে সজিব,খবরটা নুসরাতের কানে গেলো। নুসরাত ভাবলো হবে আমি ওনার সাথে কথা বলে যদি বিয়েটা বন্ধ করতে পারি তাছাড়া সে তো অন্য কাঊকে ভালো বাসে। আমি জাবো,, সন্ধায় নুসরাতে মা ভাবি আর নুসরাত গেলো ঘটকের বাড়ি,,নুসরাত আর সজিব কে একা একটা ঘরে পাঠিয়ে দিলো দরজা খোলা ছিলো তাই নুসরাতের ভয় লাগেনায়। ভিতরে গিয়ে নুসরাত বসলো খাটের কোনায় সজিব ও বসলো ওদের মাঝে ৪ হাত পরিমান ফাকা,, সজিব কে কোনো কথা বলার শুযোগ দিলোনা নুসরাত বললে শুরু করলো।আপনি কেনো এই বিয়ে করছেন আরেক জন্যকে কষ্ট দিয়ে। সজিব মানে,,,,,কি বলছো নুসরাত নিচের দিনে তাকিয়ে কথা বলছে হে আমি ঠিকি বলছি, আপনি তো একজন কে ভালোবাসেন।তা সবাই জানে।সজিব এনাফ,হে আমি loveকরতাম অনেক সেটা মাএ ৬ মাসের ছিলো,,ওর মতো খারাপ একটাও আছে আমার সাথে শুধু কথা হতো ওর জন্য কি না করছি ও কতো টাকা দিছি কাজ করে আর ও ওরফুফাতো ভাইয়ের সাথে গপোনে রিলেশন করতো আমাকে তো মার পয়ন্ত খাওয়ালো,,,আমি কাঊকে কষ্ট দেই নাই,,আমি পায়ছি বাদ দাও এসব কথা তুমি কেমন আছো বলো পড়া লেখা কেমন চলছে পরিক্ষার প্রস্তুতি কেমন,,,৩টা প্রশ্নের ১টা উওর ভালো এতোক্ষন ভালোই কথা বলছিলে এখন চুপ কেনো,,, সজিব বললো নুসরাত কে ওকে আমি তোমাকে বিয়ে করতে চায় তুমি রাজি নুসরাত বললো আসলো আমি পড়তে চায় তাই এখন আর কি ছু বলার সুযোগ দিলো না সজিব বললো ওকে যাও পড়বে ঠিক।বাড়ি গিয়ে পড়ো ৫ দিন পরে তো বউ হবে আমার তুমি।বলে ঘর থেকে বের হয়ে সবাই কে বিদায় জানিয়ে বাড়ি গেলো সজিব নুসরাত মনে মনে বলছে শালা ইস্টুপিট ফাজিল লজ্জা ও করেনা নিজের বিয়ের কথা বলতে আমি কে তো পূরো টা বললেই দিলো না ওই খাটাস টা আগে জানলে আসতাম না,,,বলে ঘর থেকে বেরিয়ে বাড়ি চলে গেলো না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লো,,, সকালে আবার ইস্কুল আছে কেনো জানি আজ সুমনের কথা মনে পড়ছে কেমন আছেও কি জানি কাল একবার সীমার সাথে কথা বলতে হবে আমার দেখি ও কি বলে, ঘুমিয়ে পড়ে নুসরাত পরদিন ইসক্ুলে গিয়ে সীমার সাথে দেখা করে বলে কেমন আছো তোর মামা সীমা। সীমা বলে ভালো থাকে কি করে বলতো ভালো নেই।.............................চলবে..!...........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now