বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পাওয়ার x 3
পর্ব-৭+৮+৯+১০
পাওয়ার x 3
পর্ব-৭
লেখকঃমোঃএবাদুর রহমান
আমি এরা কে এরা আমাকে কেন ধরে আনল(আমি)
আস্তে কথা বল আমি তোমাকে সব বলছি।
তোমার হাতে যে ঘরিটা দেখতে পাচ্ছ সেটা আমি তৈরি করেছিলাম এটা সাধারন কোনো ঘরি নয়।
এটা হলো পাওয়ার x ঘরি এটা যে কারো ডি এন এ চুষে নিয়ে সেই রুপ তোমাকে দিতে পারবে।
এটা যে কারো হাতে পড়া যায় না তোমার শরিরে অদ্ভুদ কোনো এক শক্তি আছে তাই এটা তোমার হাতে গিয়েছে।
আর হ্যা এটা তোমার হাত থেকে কেউ খুলতে পারবে না এমনকি তুমিও না।
এটা তোমার হাত থেকে নিতে হলে তোমাকে মারতে হবে তারপর এটা তোমার হাত থেকে নিতে হবে।
কিন্তু আপনি যে কাল রাতে বলেছিলেন কি একটা পরিক্ষা দিতে
ওহ তাহলে এটাই এই ঘরির রহস্য
(আমাকে আর বলতে না দিয়ে)
পর্ব-৮
বলেই আমাকে লেজার রশ্মি দিয়ে মারতে যাবে ঠিক তখনই আমার ঘরি থেকে আওয়াজ এলো।
বসে হিলিং ম্যান পাওয়ার একটিব নাও
আমি সাথে সাথে বললাম ইয়েস সাথে সাথে আমার শরির বড় হতে লাগল লেজার রশ্মি আমার শরিরে পড়ার পরও আমার কিছুই হলো না।
আমার দিকে সব এলিয়েনগুলো এগিয়ে আসছে তখনই আমি সব কটাকে মেরে ফেললাম।
ধন্যবাদ তুমি আজকে আমার জিবন বাঁচালে তোমার কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকব।
তখনই আমি মায়ের চিৎকার শুনতে পেলাম।
গিয়ে দেখি যে আমাদের পরিবারের সবাইকে বেধে রেখেছে।
নিজের অজান্তেই চোখ দিয়ে দুফোটা নোনা জল গড়িয়ে পরল।
পর্ব-৯
নিজের অজান্তেই চোখ দিয়ে দুফোটা নোনা জল গড়িয়ে পরল।
রাব্বি আমাদের বাচা(আম্মু)
আমাদের বাচা ভাইয়া(উর্মি)
আমি আগাতে যাব তখনই দেখতে পেলাম দরজায় লেজার রশ্মি লাগানো আছে
খবরদার আর এক পা আগালে তোর পুরো পরিবারকে মেরে ফেলব(এলিয়েনটা)
তখনই ঘরি থেকে ভয়েস আসল
বস হাইড ম্যান পাওয়ার একটিব নাও
আমিও সাথে সাথে বললাম ইয়েস প্লিজ একটিভ নাও।
সাথে সাথে আমি অদৃশ্য হয়ে গেলাম।
এলিয়েনটাকে দেখলাম যেন শুধু এদিক অধিক তাকাচ্ছে। তার মানে এলিয়েনটা আমাকে দেখতে পাচ্ছে না। আম্মু আব্বু আর উর্মিকেও দেখলাম এদিক অদিক তাকাচ্ছে।
আমি এলিয়েনটার পিছনে গিয়ে সরাসরি মাথায় আগাত করলাম সাথে সাতে এলিয়েনটা যেন কোথায় মিলিয়ে গেল।
তারপর আমি ঘরির দিকে তাকিয়ে বললাম।
হাইড ম্যান পাওয়ার আনএকটিব নাও সাথে সাথে আমি দৃশ্যমান হয়ে গেলাম।
এসব কি নিল(আম্মু+আব্বু)
এসব কি ভাইয়া(উর্মি)
বলছি.....
তারপর ১ম পর্ব থেকে আমার সাথে যেসব ঘটনা ঘটেছিল সব তাদেরকে খুলে বললাম।
ভাইয়া সবই বুঝলাম কিন্তু আমরা এখন কোথায় আছি আর বাসায় কিভাবে যাব আমিতো কিছুই বুঝতে পারছি না(উর্মি)
হুম তাও ঠিক(আমি)
হঠাৎ আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখলাম কিছু একটা আমাদের দিকেই আসছে।
আরো একটু কাছে এগিয়ে আসার পরে বুঝলাম যে এটা একটা স্পেস সিপ।
স্পেসসিপটা মাটিতে ল্যান্ড করল না শুন্যে ভাসমান অবস্থাতেই একটা রোবট নেমে আসল।
অহ তাহলে আপনিই মিস্টার নাজমুল।(রোবটটা)
জি কিন্তু আপনি কে(আমি)
সেটা তোমার না জানলেও চলবে(রোবট)
ঠিক আছে কিন্তু তোমাকে কে পাঠিয়েছে সেটাতো অন্তত বল(আমি)
আমাকে পাঠিয়েছে নিক্স(রোবট)
এই নিক্সটা আবার কে আর তোমাকেই বলা আমার কাছে কেন পাঠিয়েছে(আমি)
এসব কথা পরে হবে আগে চল তোমার পরিবারকে আগে বাড়িতে পৌছে দেই(রোবট)
ঠিক আছে চলেন(আমি)
তারপর রোবটটা স্পেসািপটার নিচে গিয়ে দারাল আর স্পেসসিপটা থেকে বেগুনি আলো বের হলো আর রোবটটা আপনা আপনিই স্পেসশিপের ভিতরে ডুকে গেল।
তারপর স্পেসসিপটা আমাদের মাথার উপরে আসল আর আমাদেরকেও স্পেসসিপটা ভিতরে নিয়ে গেল।
১০ মিনিট পরে..........
স্পেসসিপটা আমাদের বাড়ির ছাদের উপর ল্যান্ড করল তারপর রোবটটা আমাদেরকে নামিয়ে দিয়ে বলে গেল কাল সকালে তৈরি থেক তোমাকে নিক্সের কাছে নিয়ে যাব।
বলেই স্পেসসিপটা নিয়ে রোবটটাকে চলে গেল।
তারপর আমরা সবাই গিয়ে ফ্রেস হয়ে খাওয়া দাওয়া করে নিলাম।
কিছুক্ষন পরে.......
আমি আমার ঘরের মধ্যে শুয়ে শুয়ে গল্পের বই পরছি তখন সময়ি উর্মি এলো।
ভাইয়া বাবা তোকে ডেকে পাঠিয়েছেন(উর্মি)
ঠিক আছে তুই গিয়ে বল আমি আসছি(আমি)
ঠিক আছে ভাইয়া তুই তারাতারি আসিস কিন্তু(উর্মি)
বলেই উর্মি চলে গেল...
কিছুক্ষন পরে... আমি নিচে নেমে গিয়ে দেখি যে বাবা ড্রইংরুমের সোফায় বসে আছেব আমি যেতেই তিনি বললেন।
তুমি কি জানতে চাও তোমার সাথে এসব কি হচ্ছে(বাবা)
বাবার কথায় আমি অবাক হলেও মুখের ভাবভঙ্গি স্বাভাবিক রেখে বললাম।
জি আব্বু আমি জানতে চাই(আমি)
তারপর আব্বু যায় বললেন তার শুনেতো আমি পুরাই ৪২০ ভোল্টের শক খেলাম।
পর্ব-১০
তারপর আব্বু যা বললেন তার শুনেতো আমি পুরাই ৪২০ ভোল্টের শক খেলাম।
আসলে তোমার সাথে এটা হওয়াই স্বাভাবিক ব্যাপার (আব্বু)
আব্বু আমাকে যদি একটু খুলে বলতেন তাহলে খুব উপকার হতো(আমি)
তাহলে শোনো...
২০ বছর আগের কথা
তখনও তুমি হওনি তোমার এক বড় ভাই ছিল জন্ম হওয়ার সাথে সাথে তোমার ভাই মারা যায় তোমার মাকে আমি জানায়নি
কারন একথা জানলে তোমার মা ভেঙ্গে পরবে হঠাৎ আকাশ থেকে একটা কিছু আসে হঠাৎ দেখি কে যেন ঐ আকাশযান
থেকে একজন লোক নেমে আসছে তার কোলে ছোট্ট একটা বাচ্ছা।
সে আমকে কাদতে দেখে
ভাই আপনি কাদছেন কেন আপনার কি হয়েছে(লোকটা)
ভাই আমার সন্তানরা মারা গেছে এখন আমি আমার স্ত্রির কাছে মুখ দেখাব কি করে(আমি)
এই কথাটা আব্বু বলেছে।
কাদবেননা ভাই আপনি কি এই বাচ্চাটাকে রাখতে পারবেন(লোকটা)
তারপর তোকে দেখেই আমার ভিতরে ভিতরে তোর প্রতি টান অনুভব করি।
তারপর লোকটার কাছ থেকে আমি তোকে নিয়ে নেই।
শুনুন ভাই এই বাচ্চা কিন্তু কোনো সাধারন বাচ্ছা নয় এই বাচ্চার বাবা হচ্ছেন মহান ডেবিল নিক্স অর বাবা এখন ঘোষ এর
কাছে বন্দি।
তোমায় তোমার বাবাকে মুক্ত করতে হবে আর ঘোষকে মেরে ফেলতে হবে।
কিন্তু আব্বু আমি ঘোষকে মরবে কিভাবে ?
কথাটা বলতেই আব্বু হু হু করে কেঁদে দিলেন।
তুই তোর ঐ বাবাকে পেয়ে আমাদেরকে ফেলে ছলে যাবি নাতোরে বাবা(আব্বু)
কথাটা শুনে আমি নির্বাক হয়ে দারিয়ে রইলাম কারন এর উত্তরটা আমার জানা নেই।
চলবে...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now