বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অজান্তেই মুখে দিয়ে বের হয়ে গেল সে নামটা যা চারটি বছর মনের মাঝে গেঁথে রাখলেও একটিবারও মুখে আনে নি তিথি....
তিথিঃপ্রহর....
তিথিএ চোখে জল ভাসছে...
সে চেয়েছিল এ নামটি আর কখনোই নিবে না...
তবুও নিজের অজান্তেই কিভাবে বের হয়ে গেল তিথি নিজেও জানে না...
প্রহর....
আজ প্রহরের সাথে তার বিয়ে হয়েছ...
যে মানুষটির থেকে দূরে থাকার জন্য সে দূরে গিয়েছিল আজ সে মানুষটি তার জীবনের সবচেয়ে বড় অংশ হয়ে উঠেছে...
জীবনের সবচেয়ে বড় একটি বাঁধনে আটকা পরেছে তারই সাথে...
যদিও সে হাজারো সপ্ন বেঁধেছিল তাকে নিয়ে...
কিন্তু তা তো অতীত....
যে অতীত তাকে ঘুটে ঘুটে মেরেছে রাতের পর রাত...
এই মানুষটির জন্যই প্রতিরাতে চোখের জল ফেলেছে সে...
বালিশে মুখ চাপা দিয়ে কেঁদেছে যখনই প্রহরের সাথের স্মৃতি গুলো চোখের সামনে ভেসেছে....
সময় কি জিনিস তাই না...
যে তিথি এক সময় এ রাতটি নিয়ে হাজারো সপ্ন বেঁধেছিল সে সারারাত জেগে প্রহরের সাথে ছাদে বসে হাজারো বাক্যের বাঁধন বাধবে আজ তার মুখ দিয়ে কোন শব্দই বের হচ্ছে না...
শুধু চোখের সামনে ভেসে যাচ্ছে পুরনো স্মৃতিগুলো...
যেখান থেকে তার জীবনের কষ্টের সূচনা ঘটেছিল...
৪ বছর আগে....
তিথি তখন বিবিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী...
ভারসিটি শুরু হয়েছেবেশিদিনও হয় নি...
বরচড় দশ বারো দিন হবে...
দুইটি ক্লাসের পরে ব্রেকটাইম...
সবাই বাহিরে গেছে...
কেও আড্ডা দিচ্ছে ভারসিটির বারিন্দায় তো কেও বা কেন্টিনে গিয়েছে...
আবার কেও ক্লাসে বসেই কথা বলছে...
ক্লাসে খুব কম মানুষই রয়েছে তার মাঝে তিথি একজন...
ক্লাসে সবাই কথা বলতে ব্যস্ত হলেও তিথি বই নিয়ে ব্যস্ত...
হঠাৎ বাহিরে কিছুটা আওয়াজ আসলে সবাই বাহিরে চলে যায় কিন্তু তিথি...
সে তো নিজের বইয়ের সাগরে ডুবে আছে...
অনেকটা ভিড় জমে গেছে ক্লাসের বাহিরে তাও সে জানো নিজের বই থেকে নজরটাও সরাচ্ছে না...
বৃষ্টি (তিথির বান্ধবী) আওয়াজটা শুনে বইট থেকে চোখ সরিয়ে উপরে তাকালো তিথি...
বৃষ্টিঃতুই এখানে বই পরছিস...
আর ওদিকে ইশিতা...
তিথিঃ(কিছু বলার আগেই)
ইশু কি হয়েছে ওর...
বৃষ্টিঃবাহিরের আওয়াজ শুনছিস না...
আমি আর ইশু ক্যান্টিন থেকে জুস নিয়ে আসছিলাম তখনই এক সিনিয়র আপুর সাথে ইশুর ধাক্কা লেগে সব জুস তার জুতোয় পরে যায়...
ভুলটা তারই ছিল...
সে না দেখে ফোন টিপছিল আর হাটছিল...
আর সে উল্টো ইশুকে বকাবকি শুরু করল...
তাকে সরিও বলে তিথি...
কিন্তু সে...
তিথিঃসে কি...বল...
বৃষ্টিঃসে বলে তার জুতো পরিষ্কার করে দিতে...
তিথিঃমানে কি এসবের...(অনেকটা রেগে)
চল তো আমি দেখছি....
তিথি যেয়েই দেখে অনেকটা ভিড় জমে আছে...
ভিড় ভেদে সামনে যেতেই দেখে চুপসে দাঁড়িয়ে আছে ইশিতা চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝড়ছে তার আর সে মেয়েটি বকেই যাচ্ছে ইশুকে...
শেষমেশ দিস না পেয়ে জুতো মুছার জন্য হাঁটুটা নিচুকরে হাত আগে বাড়াতেই তিথি এসে হাতটা ধরে ফেলল...
তিথিকে দেখে ইশিতা উঠেই জড়িয়ে কেঁদে দিল...
ইশিতাকে ছাড়িয়ে চোখের মাঝে বয়ে যাওয়া জল মুছে দিয়ে মেয়েটির সামনে এসে দাঁড়ালো তিথি...
তিথিঃআপনার সমস্যাটা কোথায়...
ভুল আপনি করেছেন আর আপনি সরি বলার জায়গায় ওকে দিয়ে এসব করাচ্ছেন...
মেয়েটিঃHey you....
তুমি কি বলতে আচ্ছো আয়েশা এ লো ক্লাস মেয়েকে সরি বলবে...
ও যে আমার এতো দামি ব্রেন্ডের জুতো নষ্ট করেছে এর মূল্য জানে এ মেয়ে...
ওকে বিক্রি করলেও তো এত টাকা পাওয়া যাবে না যতোটা এ জুতোর দাম...
তিথিঃ(তাচ্ছিল্য হাসি একটি দিয়ে)
রিয়ালি...
পাশের একটি ছেলের হাত থেকে কোকের একটি বোতল নিয়েই আয়েশার মুখে ছুড়ে মারল...
তখনই পাশের এক বান্ধবী বলল...
রিপাঃ Ash, Are you ok?
আয়েশাঃHow dare you...(তিথির রাগি ভাব নিয়ে তাকিয়ে)
তিথিঃমনে হচ্ছিলো ঘুমাচ্ছিলে তাই জাগিয়ে দিলাম আর কি...
আয়েশাঃwhat?are you mad?
আমি ঘুমোচ্ছিলাম কখন...
তোমার সাথে কথা বলছি চোখে দেখতে পাও না...
তিথিঃতা তো দেখতেই পাচ্ছি...
আর mad আমি না আপনি...
কারণ কোন সুস্থ সবল ব্যক্তি একটি মানুষকে জুতোর সাথে তুলনা করতে পারে না...
পাগল কেও ছাড়া কেও এমনটা করবে না...
আর যদি নিজের জুতোকে এতটাই ভালবাসতেন তাহলে পায়ে না পড়ে মাথায় ঝুলিয়ে রাখতেন ভালো মানাতো আপনাকে...
আয়েশাঃএই মেয়ে তুমি জানো তুমি কাকে কি বলছো...
আমি ২ মিনিট এ তোমাকে ভারসিটি থেকে বের করতে পারি বুঝলে...
তিথিঃতাই তাহলে করে দেখান...
আমি কাওকে ভয় পাই না...
আর আমার সপ্নের ভারসিটি থেকে বের করে দেওয়া হলেও কোন সমস্যা নেই মন যথেষ্ট প্রবল আছে আমার...
অন্য কোথাও আবার পরবো...
কিন্তু আপনার হয়তো মনটা দূর্বল তাই ফোন না টিপাটিপিবকরে সামনে দেখে হেঁটেন নাহলে আবার কাল আপনার ব্রান্ডের জুতোয় জুস পরবে ওকে...
বলেই তিথি ইশিতার হাত ধরে ওকে নিয়ে গেল আর পিছু পিছু বৃষ্টিও চলে আসলো...
তিথি কিছুক্ষণ লাগিয়ে ইশিতাকে শান্ত করল...
অন্যদিকে...
ইরিঃকিরে আজ সবাই কোথায়...
রিফাতঃআমি কিভাবে জানবো শুনি আমি তো তোদের সাথেই তাই না...
অনিকঃওরা চারজন কোথায় রয়ে গেল এখনও আসছে না...
ইরিঃওই ডাইনিগুলো না আসলেও হবে...
অনিকঃএমনভাবে বলছিস কেন ওরা কি তোর ফ্রেন্ড না...
ইরিঃফ্রেন্ড...হাসালি...
ওদের মতো স্বার্থপর মেয়েদের আমি ফ্রেন্ড মানবো...
আমার তো তোদের জন্য ওদের দুইজন বিশেষ করে ওই ডায়েন আয়েশা কে সহ্য করতে হয়...
রিফাতঃচুপ থাক তো আয়েশা শুনে ফেলবে...
আয়েশাঃআমাকে নিয়ে কথা হচ্ছে নাকি....(হেঁটে আসতে আসতে)
ইরিঃদেখ শয়তানের নাম নিতেই শয়তান হাজির...(রিফাতের কানে কানে)
রিপাঃকানে কানে কি ফিসফিস হচ্ছে...
রিফাতঃকিছু না...
এশ তুই এতো রাগে কেন...
আয়েশাঃআগে বল প্রহর আর আকাশ কোথায়...
আকাশঃএই যে আমি...(সামনে থেকে হেঁটে আসতে আসতে)
আয়েশাঃপ্রহর কোথায়...
আকাশঃকেন বেবি মিস করছো নাকি...(ইরির পাশে বসতে বসতে)
আয়েশাঃJust tell me damn it...
আকাশঃআচ্ছা আচ্ছা রাগছিস কেন...
জানিস ই তো মেয়েরা কি ছাড়ে নাকি...
তারা গান শুনা ছাড়া ছাড়বে...
আমি কিভাবে যে বেঁচে আসলাম...
ইরিঃআমাদের ভারসিটির ২ টা হিরোকে এক সাথে পেলো ছাড়তে চাইবেই বা কে শুনি...
আকাশঃএই ছেলেটা গান পারে দেখে ওর ডিমান্ড আমার থেকে বেশি...
আয়েশাঃএই ডিমান্ড টিমান্ডের কথা শুনার কোন ইচ্ছা নেই...
প্রহরকে ম্যাসেজ দিয়ে বল যে আমাদের আড্ডা প্লেসে তাড়াতাড়ি আসতে আমার মাথাটা প্রচুর গরম....
আকাশঃকেন কি হইসে তা বলবি...
আয়েশাঃযা বলছি আগে তা কর...
আকাশঃওকে ডান...
অন্যদিকে...
তিথি আর বৃষ্টি এ ঘটনা হওয়ায় ইশিতাকে নিয়ে বাকি ক্লাসগুলো না করেই চলে যাচ্ছিল...
তিথি একসাইডে ছিল ইশু মাঝে ও বৃষ্টি অন্য সাইডে...
তিথি ইশুর দিকে তাকিয়ে কথা বলতে থাকে তাই সামনের দিকে খেয়ালই করে না...
হঠাৎ সামনে তাকাতেই দেখে কেও একজন প্রবল হাওয়ায় মতো দৌড়ে তার সামনে এসে পরছে...
ছেলেটি ব্যালেন্স রাখতে চেষ্টা করা সত্ত্বেও পারে না...
হুট করে পরে যায় তিথির উপর...
তিথি সাথে সাথে চোখ বন্ধ করে ফেলে...
আলতো করে চোখ দুটো খুলতে থাকে...
দেখে ছেলেটি তার উপর থেকে উঠছে...
অনেকটা লজ্জা পায় তিথি...
পাবেই বা না কেন এই প্রথম কোন ছেলের ছোঁয়া পেল সে...
তাও আবার এতটা কাছে...
ভাবতেই জানো কেমন লাগছে...
ছেলেটি উঠার সময় দুইহাত তিথির মাথার দুইপাশে ভর করে উঠতে গেলে একটিবার তিথির দিকে তাকায়...
আবার উঠে যায়...
উঠে দাঁড়ালে তিথি বসে পরে...
দুইহাতের বালি ঝাড়তে থাকে...
ছেলেটিও হাত ঝেড়ে তিথির সামনে হাতটা বাড়িয়ে দেয়...
তিথি হাত ঝাড়তে ঝাড়তে ছেলেটির হাতের দিকে একটিবার তাকায় আবার ছেলেটির দিকে তাকায় ছেলেটির হাত না ধরেই উঠে গেল...
ছেলেটিঃসরি আসলে একটু বেশি ইমারজেন্সি ছিল তাই তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে...
তিথিঃইটস ওকে...(মাথা নিচু করে)
সামনে তাকিয়ে দেখল ইশিতা আর বৃষ্টি কিছুটা এগিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে...
বৃষ্টি তো হা হয়েই আছে...
আশেপাশে চোখ বুলিয়ে দেখতে পায় শুধু ইশিতা আর বৃষ্টিই না পুরো ভারসিটির অনেকেরই ড্যাবড্যাবিয়ে তাকিয়ে আছে...
তিথির অনেকটা অসস্থি লাগলো কারণ কেও তারদিকে তাকিয়ে থাকুক তার মোটেও পছন্দ না...
ডানপাশ হতে পা বাড়িয়ে যেতে নিলেই ছেলেটি সামনে এসে পড়ে...
আবার তিথি বামপাশে যায় তখনও ছেলেটিও বাম পাশে পা বাড়ায়...
আবার সামনাসামনি হয়ে যায়...
তিথি মুখ তুলে ছেলেটির দিকে তাকাতেই ছেলেটি একটি হাসি দিয়ে কিছুটা ঝুঁকে হাত এক দিকে বাড়িয়ে ইশারায় বলল যেতে...
তিথি কিছু না বলেই সামনে এগোলো...
ইশিতার ও বৃষ্টির কাছে আসতেই পিছু একটি বার ফিরে দেখে ছেলেটি দৌড়ে ভারসিটির পিছন গার্ডেন সাইডে যাচ্ছে....
অনেকটা অবাক হল কারণ ঐ দিকে কেও তেমন একটা যায় না...
আবার ইশিতার ডাকে ওর দিকে ফিরে তাকায় তিথি...
ইশিতাঃঠিক আছিস তুই...
তিথিঃহম...
ঠিক আছি...
বৃষ্টিঃওয়াও দোস্ত তুই কত লাকি...
তিথিঃমানে...(বিস্মিত হয়ে)
বৃষ্টিঃতুই জানিস ছেলেটি কে...
তিথিঃনাহ কেন...
বৃষ্টিঃ জানবি কিভাবে সারাক্ষণ বইয়ের মধ্যে ডুকে থাকিস...
ইশিতাঃসেই কলেজ থেকে ও এরকমই...
বৃষ্টিঃথাক তোর কলেজ থেকে ব্রেস্টফ্রেন্ড বলে আমাকে বার বার শুনাস তাই না...
আমার জেলাস ফিল হয় আর শুনাস না....(কান্না ভাব নিয়ে)
ইশিতাঃ ন্যাকামি কান্না বন্ধ কর...
বৃষ্টিঃ আচ্ছা...(মুখ ভেংচীকাটা করে)
তিথি তুই শুন ওহ হচ্ছে প্রহর আমাদের ভারসিটির ক্রাশ...
তিথিঃওহ...
বৃষ্টিঃআমাদের ভারসিটির Top Three ছেলেদের মধ্যে ওহ এক নাম্বার...
ইশিতাঃতা তো ভালো গান গাইতে পারে তাই আকাশ ও তো কম না...
বৃষ্টিঃহম তা ঠিক....
আর দেখ দুইজনেই বেস্টফ্রেন্ড...
উফফ দুইজনকে একসাথে দেখলে আহা কি বলব কতটা স্বর্গীয় লাগে আহা...
ইশিতা ও তিথি দুইজনেই হেসে দিল...
ইশিতাঃওদের গ্রুপ এই তো ওই আয়েশা...
বৃষ্টিঃ ওইট তো শাঁকচুন্নি...
নিজেকে যে কি ভাবে...
তিথিঃগ্রুপ?
ইশিতাঃহ্যাঁ,ওরা সবাই ৩য় বর্ষে পড়ে...
আর শুনেছি সবাই স্কুল থেকেই অনেক ভালো ফ্রেন্ড...
এ স্কুল জীবনের ফ্রেন্ডশিপ আজও আছে...
আর ভারসিটির পিছনের গার্ডেনই তাদের আড্ডার প্লেস ওদের ছাড়া কাওকে ওখানে যেতেও মানা করে দিসে...
এ ভারসিটিতে ওদের রাজত্বই চলে....(মুখ কালো করে)
প্রহর,আকাশ,ইরি,অনিক,রিফাত,ওই শাকচুন্নি আর ওর চামচি ওটা...
সেই সাতজনই আর তাদের গ্রুপ...
বৃষ্টিঃশুনেছি আগে নাকি আটজন ছিল...
তিথিঃআচ্ছা এসব বাদ দে...
চল যাওয়া যাক...
অপরদিকে...
প্রহর অনেকটা দৌড়ে আসায় হাঁপিয়ে গেছে...
কিছুটা ঝুঁকে দুইহাত দুই হাঁটুতে রেখে নিশ্বাস নিচ্ছে...
তারপর কিছুটা স্বাভাবিকভাবে দাড়িয়ে আয়েশার দিকে এগিয়ে জিজ্ঞাসা করল...
প্রহরঃকি হয়েছে...
তোমার ম্যাজাজ এতো খারাপ কেন...
আয়েশা সব খুলে বলল...
ইরিঃদোষটা তো তোর ই...
রিপাঃদোষ যার ই হোক ওকে এতকিছু শুনানোর মেয়েটার যোগ্যতা কি...
ইরিঃ তুই চামচামি বন্ধ কর তো অসহ্য...
অনিকঃতুই এখন কি করতে চাচ্ছিস...
ভারসিটি থেকে বের করে দিবি তাই তো...
আয়েশাঃনাহ...
ওর মন নাকি খুব প্র..প কি বলেছিলো রে...
রিপাঃপ্রবল...
আয়েশাঃWhatever...
ওইটাই ওর মন ভাংবো...
রিফাতঃআর তা কিভাবে...
আয়েশাঃপ্রথমে ভালবাসার জালে আটকাবো তারপর মন ভাংবো...
দেখবো নিজেকে কত শক্ত রাখতে পারে...(হাসি দিয়ে)
রিপাঃআর তা করবে টা কে...
আকাশঃOf Course আমি...
আমাদের গ্রুপে অন্য কেও মেয়ে পটাতেও পারে না...
আয়েশাঃতুই পুরো ভারসিটিতে ফেমাস একটা মেয়ে ছেড়ে আরেকটা মেয়ে ধরিস তুই তো একদম ই না...
রিফাতঃতাহলে আমি নাকি...
আয়েশাঃনাহ...
অনিকঃতাহলে কে...
আয়েশাঃপ্রহর...
প্রহরঃকিহ?নাহ আমি পারবো না...
তুমি জানো আমি কারো মনের সাথে খেলা করতে পারবো না...
ইরিঃঠিক বলেছিস....
আর একটা মেয়ের মন ভেংগে কি পাবি তুই শুনি...
আয়েশাঃশান্তি পাবো...
ওহ আজ আমাকে পুরো ভারসিটির সামনে insult করেছে...
এমনি ওকে ছেড়ে দিব নাকি...
প্রহর প্লিজ তুমি কর না...
এইটা বাজি হিসেবে ধর না...
আমার প্রতিশোধটা তুমি নিবে না প্লিজ... (প্রহরের সামনে যেয়ে হাত ধরে)
প্রহরঃ কিন্তু আমি তো তোমায় ভালবাসি....
আয়েশাঃজানি তো...
তোমার ভালবাসার জন্য এতটুকু পারবে না...
সেই ক্লাস নাইন থেকে ভালবাসো তাই না যদি ওই মেয়েটাকে ভালবাসার জালে ফেলে পুরো ভারসিটির সামনে এসে ও তোমায় "I Love You" বলে আর আমি সেদিন মন মতো ওকে অপমান করতে পারি তাহলে আমি সেদিন থেকেই তোমার সাথে রিলেশনে যাবো নাহলে আমায় ভুলে যাও....
.........
(বিঃদ্রঃ বুঝতে পারলাম না কেউ কোনো ভুল ধরিয়ে দিচ্ছে না তাহলে কি আমার ভুল হচ্ছে না!!হিহিহি)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now