বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্পন্দন-১১

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান say£d (০ পয়েন্ট)

X স্পন্দন-১১ Md SaYeD CHy শুভ এখন ভালো লাগছে কারন তার প্রিয় মানুষটা তারপাশে।সে কিছু বলতে যাবে মাইশা তাকে থামিয়ে দিল। | আর রেস্ট নিতে বলল।শুভকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়ছে তাহলে একটু রিভিউ নি।শ্রেয়ার বোন যখন শুভকে মারতে যাবে তখনি মাইশা তার মাথায় আঘাত করে।যার কারনে শ্রেয়ার বোন অনামিকা পড়ে যায়।মাইশা জানতো শুভর কোনো বিপদ হবে তাই। | কিন্তু এখনও মাইশা শুভর অতীত জানে না।কিন্তু হবু বউ হিসেবে মাইশার তা জানার অধিকার আছে। | মাইশা অনামিকা কে পুলিশের হাতে দিয়ে দিয়েছে।কিন্তু অনামিকাও ছাড়ার পাত্র না।বদলা তো সে নিয়েই থাকবে। | মাইশা কিছু ফল নিয়ে এসেছে আর কিছু ওষুধ।ডাক্তার বলেছে প্রতিদিন যেন একটা ফল থাকে আর ওষুধ গুলো যেন খাওয়ানো হয়। | শুভর মা এখন অনেক টেনশনে থাকেন।একমাত্র ছেলে।বিয়ের আগে এতগুলো বিপদ তাই তিনি ছেলেকে দ্রুত বিয়ে করে দিতে চেয়েছিলেন। | শুভর মা পাচ ওয়াক্ত নামায আর কুরআন পড়েন।ছেলের জন্য প্রতিদিন দোয়া করেন। | অনামিকা বেইল পেয়ে বের হয়েছে।তার পরের কদম কি তা কেউ জানে না।কখন কখন কি করে বসে। | মাইশা শুভর পাশে জোকের মত লেগে থাকে।এদিকে অফিস না যাওয়ার কারনে শুভর চাকরি শেষ হওয়ার পথে। | চাকরি থেকে নোটিশ এসেছে।কালকের ভিতর চাকরিতে না গেলে চাকরি হারাতে হবে। | এ পাটা মাথা নিয়ে শুভ যেতে চাচ্ছে কিন্তু মাইশা রাজি নয় যে তাকে এ অবস্থায় সেখানে যেতে দিতে। | শেষ অবধি তাকে চাকরি হারাতে হল।মাইশা তাকে একটা বুঝিয়ে শান্ত করলো। মাইসা বাবা আর শুভ একটা স্কুল খুলবেন। যাতে তারা নিজেরাই পড়াবে। | শুভ কিছুটা বুঝে মাথাটাকে নরম বালিশে এলিয়ে দিল।মাথাটা এমনে থেকে টনটন করছে।তাই মাইশাকে একটা চা বানিয়ে আনতে বললো। | চায়ের চুশকি নিয়ে মাতোয়ারা হয়ে ঘুমের দেশে হারিয়ে গেলো। | কিছুক্ষন পর.... মাইশার ডাকে শুভর ঘুম ভাঙ্গলো এদিকে শুভ ঘরের ভিতর বলে অনামিকা শুভকে মারার কোনো সুযোগ পাচ্ছে না। | সঠিক সুযোগের আশায় আছে অনামিকা।বদলার মোডে থাকায় তার চোখ কিছু দেখছে না। | মাইশা একয়দিন শুভকে ভালোবাসা দিয়ে আগলে রেখেছে।তার স্বামির যেন কিছু নি হয় সে জন্য নিজের জীবন দিতেও রাজি। | ---মা শুভর প্রিয় কি খাবার? ---চিকেন হল ওর প্রিয় খাবার!! --কেন? ---আজ আমি তাইই বানাবো!!! মাইশা রান্না ঘরে শুভর জন্য রান্না করছে।শুভর মা তার বেডরুমে বসে আছেন। | এই সুযোগ অনামিকার।অনামিকা এ কয়দিন প্লেন করছিল কিভাবে কাজ করবে। | শুভ তার নিরব পরিবেশে শান্তিভাবে শুয়ে আছে। চলবে.


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now