বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমাদের পৃথিবী একটি সবুজ ভূমি যেখানে আমাদেরকে পাঠানো হয়েছে আমাদের বিশেষ কিছু কার্য সম্পাদনের জন্য। কিন্তু সর্বশক্তিমান আল্লাহর সেরা জীব হিসেবে আমরা কি করছি।আমরা বস্তুগত সম্পদের পিছনে অন্ধের মতো ছুটছি। বস্তুগত সম্পদ হচ্ছ একটি হীন প্রাপ্তি যার পিছনে আমরা আমাদের সুখ বিলিয়ে দিয়েছি ভুলে গেছি মহান সৃষ্টিকর্তার সকল আদেশ। আবার অনেকে ধর্মকে বানিয়ে ফেলেছি অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার।ধর্মীয় বানিকে নতুন রুপে সাজাচ্ছি,যাতে অন্য ধর্মাবলম্বীরা এর প্রতি আকৃষ্ট হয়।কিন্তু কি হচ্ছে তারা কি আকৃষ্ট হচ্ছে,না তারা বরং ইসলাম নিয়ে নিজের নাস্তিক বাদি মনোভাব পোষণের সুযোগ পাচ্ছ।আমাদের এই চরম অবক্ষয়ের জন্য দায়ী কারা?আমরা।আমরাই দায়ি ইসলামকে কটাক্ষ পথে ঠেলে দেওয়ার জন্য।
ইসলামের চরম অবক্ষয়ের প্রধান কারন কিন্তু আমাদের মুসলিমদের আলেমসমাজ। তারা কি করছে ইসলামি সভা নামে এক টাকা উপার্জনের কর্মক্ষেত্রে পরিনত করেছে। ইসলাম বিলাশ বহুল জীবন যাপন কখনোই সমর্থন করেনা।মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) গোটা পৃথিবীতে রাজত্ব করেছে কিন্তু তার কাছে খেজুরের পাতার বিছানাই প্রিয় ছিলো।বিলাসিতার কোনো কনাও কি তার মধ্যে কখনো ফুটে উঠেছিলো। আমাদের আলেম সমাজ একটি মাসে নাকি কম করে হলেও ৪-৫ টা ইসলামি জলসা করে। একটা থেকে কম হলেও ৫০ হাজার তো দিতেই হয়।তাহলে তাদের মাসিক ইনকাম দাড়ায় ২লাখের মতো টাকা।তাদের যখন কাউকে জিজ্ঞেস করা হয় এতো টাকা তারা কি করে?অনেকে বলে এগুলো দান করে দেয়।কিন্তু যদি তাদের দান করাই উদ্দেশ্য ছিল তবে জলসাটাতেই দান করেনা কেন?যেখানে জলসা নিশ্চয়ই কোনো না কোনো মাদ্রাসা, এতিমখানা ইত্যাদির উন্নতি প্রকল্পে করা হয়।আবার এদের মধ্যে এমন মাওলানাও আছে যারা বলে আমাদের তো সরকারি চাকরি নাই। ডাক্তার,স্কুলের শিক্ষক, এদের বেতন তো অনেক তা আমাদের ও তো জীবন আছে।ভাবুন একটু তারা ইসলামের পথচারী যারা কিনা এতো মহান বিদ্যাকে সকল পেশার সাথে মিশ্রণ করে ফেলেছে। এখন বর্তমানে এমন একপ্রকার সভা করে থাকে অনেক আলেম যেখানে মুসলিমের চেয়ে বিধর্মীদেরই বেশি দেখা যায়।কারন কি জানেন তাদের আলেমের কথাগুলো জোক্সে এর মতো মনে হয় এবং তারা প্রান খুলে হাসতে পারে।যেখানে তারা পারত কুরআনের একটা আয়াত দ্বারা সবাইকে কাঁদাতে। কিন্তু তা না করে বিভিন্নভাবে মানুষের রাজনৈতিক দলের নেতার খাড়াপ দিক ও সমালোচক কথাসাহিত্যিক কবি হিসেবে কাজ করতেছে।নিন্দুকের কাজটিও তাদের দ্বারা ঘটতেছে।তাহলে কিভাবে মুসলিম বিজয় লাভ করতে পারে বলেন।বললে অনেক কিছুই বলা যায় আর কিছু বললাম না কারো যদি খাড়াপ মনে হয় তবে আমি যেকোনো প্রশ্নের জবাব দিতে প্রস্তুত।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now