বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
_ডেঞ্জারাস♥বউ_
পর্ব-০১
#লেখক-ইমরান খান
>>♥♥♥>>
বাসর ঘরে বসে আছি।রাত প্রায় ১টা ছুই ছুই।চোখ বন্ধ হয়ে আসছে।হঠাৎ দরজার খোলার শব্দে কারো উপস্থিতি অনুভব করলাম।
-রাইসা আমাকে দেখে একটু নড়ে বসলো।আমি সামনে যেতেই হুট করে এসে আমাকে সালাম করা শুরু করলো।
রাফসান-আরে আরে কি করছো। উঠো
রাইসাকে কোলে করে বিছানায় নিয়ে গেলাম।রাইসার হাতে চুমু দিতেই রাইসা একটু কেপে উঠলো।
রাফসান- যেদিন প্রথম তোমায় ছাদে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখেছি সেদিনই তোমার প্রেমে পড়ে গেছি।তুমি সেদিন খোলা চুলে দুহাত মেলে বৃষ্টিতে ভিজছিলে।তোমাকে দেখে আমার চোক আটকে জায়। এক দেখাতেই ভালোবেসে ফেলি তোমায়।
রাইসা কোনো কথা বলছে না।চুপ করে রাফসানের সব কথা সুনছে।
রাফসান-কি হলো কিছু বলবে না।
রাইসা-......
রাফসান-কি আমাকে কি পছন্দ হয়নি তোমার। রাইসা এবার মুক খুললো
রাইসা- জি না।
রাফসান-তাহলে।অহ বুজতে পেরেছি লজ্জা পাচ্ছো তাই না
রাইসা মাথা নিচু করে ফেললো।
রাফসান আর কথা বারালো না রাইসার ঠোঁটের সাথে ঠোঁট মিলিয়ে দিলো ডুবে গেলো দুজন দুজনের মধ্যে।
>> এবার চলুন ফ্লাসবেকে জাওয়া জাক,,,♥
।
।
রাইসা তার চাচার বাড়ি ঘুরতে এসেছিলো।রাফসানদের ছাদে দাড়ালে তাদের পাশের বাসার ছাদ স্পষ্ট দেখা জায়।
একদিন রাইসা বৃষ্টিতে কাকভেজা হয়ে ভিজছিলো। আর তখনই রাফসান রাইসাকে দেখে তার প্রেমে পড়ে জায়।
এর পর থেকে রাফসান রাইসার পিছু নিতো।লুকিয়ে লুকিয়ে রাইসাকে দেখার চেস্টা করতো।অবশেষে রাফসান তার বাবাকে দিয়ে বিয়ের খবর পাঠায় আর তাদের বিয়েটা হয়ে জায়।
সকালবেলা....
রাফসান ঘুম থেকেই উঠে দেখে রাইসা গোসল করে চুল আচরাছে।হালকা গোলাপি রঙ্গের শাড়িতে রাইসাকে জা লাগছে না বলার বাহিরে।
রাফসান রাইসাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো।
রাইসা-আরে কি করছেন ছাড়ুন।
রাফসান-না ছারবো না।বিয়ে করসি কি বউকে ছারার জন্য।
রাইসা-সবাই আমাদের জন্য নিচে অপেক্ষা করছে আপনি তারাতারি রেডি হয়ে আসেন।
রাফসান-আচ্ছা জাবো তো।আগে একটা দাও
রাইসা-কি
রাফসান-কাল রাতেরটা
রাইসা লজ্জায় মাথা নিচু করে নিলো।
আমার বউটা মনে হয় একটু বেশিই লজ্জাবতি।
রাইসার বেপারে জতোটুকু বুজলাম ও অনেক সরল সোজা। কথা খুব কম বলে। আর লজ্জাটা একটু বেশিই পায়।
রাইসা-ছাড়ুন
রাফসান-ছারবো না।
রাইসা- প্লিজ ছারুন।
রাইসার কোনো কথাই সুনলাম না।বিয়ে করসি কি বউকে ছারার জন্য আপনারাই বলেন।
যেই রাইসার ঠোঁটে কিস করতে যাবো।
হঠাৎ দরজায় ভাবি নোক করলো কিবেপার এখনো কি ঘুম ভাংগেনি। রাইসা খুব লজ্জা পেয়ে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দিলো।
ভাবি-বাহ আমাদের নতুন বউকে তো খুব সুন্দর লাগছে।কিরে রাফসান তুই এখনো রেডি হসনি জা গিয়ে রেডি হয়ে নে।আর তোর বউকে আমরা কিছুক্ষনের জন্য নিয়ে জাচ্ছি।
রাফসান-দূর ভাবি আসার আর সময় পেলে না এখনি রোমান্স টা সুরু করসিলাম
ভাবি-কি বললি দারা
রাইসা তো লজ্জায় একাকার..
ঐদিকে রাইসাদের এলাকায়,,,,
জুনাইদ-দস্ত আপুরে ছাড়া পুরা এলাকাটা উলোট পালোট হয়ে গেসে
নিলয়-হ রে দস্ত।অন্য এলাকার গেং নাকি আমাদের এলাকার আসছিলো।চাদা উঠাইতে।এখন যদি।আপু থাকতো তাহলে একেকটা কে বুজাইতো কার এলাকার উপর নজর দিসে ওরা।
সাওন-আচ্ছা আপু কি আমাগো আর কখনোই চিনতে পারবো না দস্ত
জুনাইদ-জানি না রে।
আচ্ছা চল তো আপুর বেপারে আরেকটু খোজ খবর নেই।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now