বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

Challenge

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আল মামুন (০ পয়েন্ট)

X একটা ছেলেকে ইন্টারভিউ বোর্ডে জিজ্ঞেস করা হলো: আচ্ছা বলো দেখি তোমার একটা পজিটিভ দিকের কথা যেটা দিয়ে তুমি আমাদের ইম্প্রেস করতে পারো!!! ছেলেটা একটু ভেবে নিয়ে উত্তর দিলো, স্যার আমার সিভির দিকে তাকালে দেখবেন আমার রেজাল্ট খুব একটা ভালো না। এরপরেও ৯৫ জন কে টপকে রিটেন এক্সামে ১ম হয়ে আপনাদের সামনে বসে ভাইভা দিচ্ছি স্যার। এইটাই আমার সব থেকে পজিটিভ দিক। বোর্ড থেকে উত্তর এলো: এটা কি করে পজিটিভ দিক হয়? ব্যাখ্যা করো তো!!! ছেলেটার উত্তর, স্যার আমার সাথে বুয়েটের একটা ছেলে এক্সাম দিতে এসেছে। কথা বলে জেনেছি সে বুয়েটের থার্ড বয়। আমার সাথে ঢাবির একটা ছেলেও এক্সাম দিতে এসেছে । আমি স্যার ঢাবিতে পড়তে পারি নাই। বুয়েটে যাওয়ার তো কপালই হয় নাই। মানুষের অনেক কথাই শুনেছি আমি। এতোকিছু শোনার পরেও নিজেকে তৈরি করে আজকে এই জায়গায় আসছি স্যার। রিটেনে টিকে যাওয়ায় আপনারা আমাকে ডেকেছেন; নইলে ডাকতেন না। স্যার, আমি মনে করি এইটাই আমার সব থেকে পজিটিভ দিক। আমি ফাইট করতে জানি। হারতে জানি না। আমি জানি এইখানে আমার চাকরী না হলেও আরেকটা জায়গায় আমি ঠিক চাকরী জুটিয়ে নিতে পারবো । বোর্ড তার এটিচিউডে ইম্প্রেস হয়েছিল। জবটা পেলো সেই ছেলেটাই । "This is called Attitude". সারা‌দিন কোন মোটিভেশনাল ভিডিও দেখে এই মনোভাব আসে না। সারাদিন বসে ইউটিউবিং করে এই মনোভাব গড়ে তোলা যায় না। এই মনোভাব আর সাহস আসে অদম্য পরিশ্রম থেকে। সকাল বেলা ক‌্যাম্পা‌সে যাওয়ার সময় আমি দুই ধরণের ছেলে দেখি: একদল আছে বসে বসে বইয়ের পাতা উল্টায় । আরেকদল আছে সারারাত স্পেশাল ওয়ানের সাথে কথা বলে দিনের বেলা দুপুর ১ টা অব্দি ঘুমাতে থাকে । দুইজনের রেজাল্ট কখনোই একরকম হবে না। সিউর থাকো। সবাই চ্যালেঞ্জ নিতে পারে না। যতো গভীর গর্তে পড়বে চ্যালেঞ্জ ঠিক ততোটাই কঠিন হবে। বেকারত্বের টেস্ট কি জিনিস সেটা এক্সাম দিয়ে ফেইল না করা পর্যন্ত টের পাবে না। যেদিন টের পাবে সেদিন বুঝে ফেলবে পায়ের নিচে আর মাটিটা নেই। ওইদিন ক্লাস ফাইভের বৃত্তিও কাজে আসবে না । কোন মোটিভেশনাল গল্পও কান দিয়ে ঢুকবে না । একটা বয়সের পর বাপের কাছে ফ্লেক্সিলোডের জন্য ৫০ টাকা চাওয়াটাও যে কতোখানি শরমের সেইটা সিচুয়েশনে না পড়লে বুঝবে না। জীবন থেকে যদি পালাতেই থাকো, তাহলে জীবনও তোমাকে তাড়িয়েই বেড়াবে। আর যদি সব‌কিছু Face করতে শিখো, চোখ বুজে চ্যালেঞ্জ নিতে শিখো তাহলে দেখবে একটা না একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়েই গি‌য়ে‌ছো । ভুল করাটা সমস্যা নয়। ভুল না শোধরানোটাই সব থেকে বড় সমস্যা । তাই, ধৈর্য্য হারাবে না। এখন ভেবে দেখো তু‌মি চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত কিনা----- Collected post from fb.


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now