বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এক প্রভুর একটা প্রিয়দর্শন বালকভৃত্য ছিল।বালকটার বাহ্যিক রুপ যেমন অপূর্ব সুন্দর ছিল তার স্বভাব প্রকৃতিও ছিল তেমনি চিএাকর্ষন।অসাধারন কৃতিত্ব মাধুর্যে অল্প দিনেই সে প্রভুর হৃদয় মন জয় করে ফেলেছিল।প্রভু তাকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন।অতিমাএায় আদর স্নেহ প্রশ্রয়ে বালকটা বেশ বেহায়া হয়ে উঠল।কর্তব্যে শিথিলতা এবং প্রভুকে অবহেলা তার অভ্যাসে পরিণত হয়ে উঠল।প্রীতির বন্ধনবসত তাকে বিদায় দেওয়া কষ্টকর।অগত্যা চাকরের দৌরাত্ম্য নীরবে সহ্য করা ছাড়া উপায় রইল না।একদা প্রভু তার এক বিশিষ্ট বিজ্ঞ বন্ধুর কাছে আফসুস করে বললেন আমার ঐ বালক ভৃত্যতা রুপে গুনে খুবই মনোহর।কিন্ত ছেলেটা মুখরা ও বেয়াদব।এর এই দুটো দোষ যদি না থাকতো তাহলে কতইনা ভালো হতো।হেসে দিয়ে তিনি বললেন বন্ধু ভালোবাসার স্বীকৃতি যখন দিয়েছ তখন তার থেকে খেদমতের আশা ছেড়ে দাও।কারন প্রেমিক আর প্রেমাষপদ যখন মিলিত হয়,তখন প্রভু ভৃত্যের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।জানেন না বানরকে লাই দিলে মাথায় উঠে।
কাউকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করলে তার দ্বারা খেদমত নেওয়ার আশা করা যায় না।ভৃত্যকে যদি বেশি ভালোবাস তবে তার দ্বারা কর্তব্য কাজ সম্পন্ন হবে না।যে কোন ক্ষেএে মানুষ বেশি ভালোবাসা দেখালে সেখানেই সে খেদমত পাবে এবং মাথায় উঠতে চাবে।তাই হিসাব করে আদর স্নেহ ও ভালোবাসতে হয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now