বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ২ বাকি অংশ

"সাইমুম সিরিজ" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X বাকি অংশ ‘সব দায়িত্ব পালনের কথা বলছি না অফিসার। ড. আজদাদের রক্ষার কথা বলছি।’ বলল আগন্তুক আবু আহমদ আব্দুল্লাহ। ‘এ ক্ষমতা পুলিশের নেই দেখতে পাচ্ছি।’ পুলিশ অফিসার দারাগ বলল। ‘কেন?’ জিজ্ঞাসা আগন্তুক আবু আহমদ আব্দুল্লাহর। ‘এই ‘কেন’-এর জবাব আমিও সব জানি না।’ বলেই পুলিশ অফিসার তার গাড়ির দিকে এগোলো। আগন্তুক কণ্ঠ একটু চড়িয়ে বলল, ‘এই ‘কেন’ নিয়ে আপনার সাথে আরও কথা বলতে চাই অফিসার।’ ‘আপনার পরিচয় সম্বন্ধেও আমার জানার আছে।’ বলতে বলতে গাড়িতে উঠে বসল পুলিশ অফিসার দারাগ। পুলিশ অফিসার দারাগ চলে যেতেই থানার ডিউটি অফিসার ড. আজদাদের তাড়া দিল, ‘আপনারা আসুন, কাজটা সেরে ফেলি।’ ড. আজদা, ড. মোহাম্মদ বারজেনজো ও আগন্তুক আবু আহমদ আবদুল্লাহ সবারই বক্তব্য রেকর্ড করল ডিউটি অফিসার। ডিউটি অফিসার ড. আজদা ও ড. মোহাম্মদ বারজেনজোর পরিচয় পেয়ে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়েছিল। বলছিল, ‘স্যার, আপনাদের দু’পরিবার আমাদের কুর্দি জাতির প্রাণ।’ ড. আজদা ‍ও ড. মোহাম্মদ বারজেনজো চাপ না দেয়া পর্যন্ত চেয়ারে বসেনি। ড. বারজেনজো বলেছিল, ‘এ পরিবারের কোন সম্মান কি এখন আছে!’ ডিউটি অফিসার বলেছিল, ‘যারা মানুষ তাদের কাছে আছে, তবে কিছু মতলবি মানুষের কাছে নেই। তারা অন্য কিছু চায়, অন্য কিছু করে।’ আগন্তুক আবু আহমদ আব্দুল্লাহ জিজ্ঞেস করেছিল, ‘তোমাদের অফিসার রশিদ দারাগ কি মতলবিদের দলে?’ ডিউটি অফিসার আগন্তুকের দিকে একবার তাকিয়ে একটু ভেবে বলেছিল, ‘তিনি চলমান স্রোতের বাইরে এক পা’ও রাখেন না। তবে তিনি দেশকে ভালোবাসেন। কিন্তু ঝামেলামুক্ত থাকতে চান সব সময়।’ ডিউটি অফিসারকে ধন্যবাদ দিয়েছিল আগন্তুক আবু আহমদ আব্দুল্লাহ। জবানবন্দী রেকর্ডের পর তিনজনই বেরিয়ে এল থানা থেকে। থানা থেকে বের হবার জন্যে পা বাড়িয়ে স্বস্তিতে ভরে গেল ড. আজদার মন। খুনোখুনি ও পুলিশের আচরণের মুখে একসময় তার মনে হয়েছিল, তার মুক্ত জীবনের এখানেই শেষ। তার দুর্ভাগ্যের সাথে ড. বারজেনজো জড়িয়ে পড়ায় আরও মুষড়ে পড়েছিল সে। ড. বারজেনজো ও তার মধ্যে এখনও বড় দূরত্বের দেয়াল দাঁড়িয়ে আছে, এরপরও বারজেনজো তার জন্যে স্বস্তির একটা আশ্রয়। সেও তার সাথে সাথে খুনোখুনির মত বিপদে জড়িয়ে পড়ায় বুক ভেঙে গিয়েছিল তার। এ সময়ই আল্লাহর মূর্তিমান সাহায্যের মত এলেন আগন্তুকটি। সিচুয়েশন নিজের আয়ত্তে নেয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা, ঠাণ্ডা-শান্ত কথাগুলো তার, কিন্তু তার মধ্যে যেন লুকিয়ে আছে অমোঘ শক্তি। বু্দ্ধি, কৌশল, দূরদর্শিতা কোন ক্ষেত্রে তার ত্রুটি নেই, এরও প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। তার মানবিকতা ও দরদের দিকটাও প্রশংসনীয়। পুলিশ অফিসার নীরব হয়েছে তার ব্যবহারের কারণেই। হঠাৎ তার মনে হলো, আগন্তুকের গাড়িতে সর্বাধুনিক ধরনের ঐ ব্যান্ডেজ ছিল কেন? এ প্রশ্নের উত্তর জানা তার কাছে পুলিশ অফিসারের চেয়েও অধিক জরুরি মনে হয়েছে। কিন্তু এর উত্তর সে পায়নি। আলো-অন্ধকারে কপাল পর্যন্ত নামানো ফেল্ট হ্যাটের কারণে আগন্তুক লোকটিকে তখন ভালো করে দেখা যায়নি। তখন তাকে চালাক ধরনের রাশভারী ও দুর্বোধ্য মুখাবয়বের লোক মনে হয়েছিল। কিন্তু থানা-কক্ষের উজ্জ্বল আলোতে ফেল্ট হ্যাট খোলা আগন্তুককে একদমই ভিন্ন মনে হয়েছে। একহারা ঋজু গড়নের অনিন্দ্যসুন্দর এক যুবক সে। তার চেয়ে সুন্দর তার মুখের স্বচ্ছতা ও পবিত্রতা। এই মানুষ কিছুক্ষণ আগে অমন কঠোর ভূমিকা পালন করেছে, গুলি করেছে পুলিশ অফিসারকে, ভাবতেই কষ্ট লাগে। থানা থেকে বেরিয়ে তারা তিনজনই এসে তাদের গাড়ির কাছে দাঁড়াল। দাঁড়াতেই ভাবনার ইতি ঘটে গেল ড. আজদা আয়েশার। ড. আজদা আয়েশা পাশেই কিন্তু একটু দূরত্বে দাঁড়ানো আগন্তুক আবু আহমদ আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে বলল, ‘স্যার, যদিও কোন ধন্যবাদ দিয়েই ঋণ শোধ হবে না, দায় শোধ হবে না, তবু ধন্যবাদ ছাড়া তো আর কিছু নেই দেবার। তাই আপনাকে ধন্যবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি আল্লাহর সাহায্যের মত এসেছেন।’ ড. আজদার কথা শেষ হতেই ড. বারজেনজো বলে উঠল আগন্তুক আবু আহমদ আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে, ‘আরও বেশি ধন্যবাদ আমার পক্ষ থেকে। আপনি আমাকে চার খুনের দায় থেকে মানে সাক্ষাৎ মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচিয়েছেন অদ্ভুত বু্দ্ধিমত্তা ও নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এ ঋণের কোন পরিশোধ নেই মি. আবু আব্দুল্লাহ।’ আগন্তুক আবু আব্দুল্লাহ হাসল। বলল, ‘ড. আজদা যা বলেছেন, আমি যদি আল্লাহর সাহায্য হই, তাহলে তো আমার কোন কৃতিত্ব থাকে না। সবটা কৃতিত্বই আল্লাহর। আপনার আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা উচিত। যাক, এসব কথা আর নয়। এখন তো গৃহে ফেরার পালা, রাত অনেক হয়েছে। ড. আজদাকে কি ড. বারজেনজো পৌঁছে দেবেন?’ ড. বারজেনজো কিছু বলার আগেই ড. আজদা বলে উঠল, আগন্তুক আবু আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে, ‘স্যার, আমার অনুমান সঠিক হলে আপনি বিদেশী। আপনি কোথায় যাচ্ছিলেন, কোথায় যাবেন এত রাতে সেটা আমাদের জানা দরকার।’ ড. আজদার কথা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই ড. বারজেনজো বলল, ‘ড. আজদা ঠিক বলেছেন। এটাই না আমাদের প্রথম জানা দরকার।’ ‘আপনাদের অনুমান সত্য। আমি আংকারা হয়ে ইস্তাম্বুল থেকে এসেছি। ইস্তাম্বুলে এসেছিলাম কয়েক মাস আগে। আজ দুপুরে আপনাদের হ্রদ-শহর ‘ভ্যান’-এ এসে পৌঁছেছি। অসুবিধা নেই, আমি হোটেল বা রেস্টহাউজে জায়গা খুঁজে নেব।’ বলল আগন্তুক আবু আব্দুল্লাহ। ড. আজদার চোখে বিস্ময় ফুটে উঠেছিল। একদৃষ্টিতে সে তাকিয়েছিল আবু আব্দুল্লাহর দিকে। বলল, ‘আপনি দুপুরে ‘ভ্যান’-এ পৌঁছে, সন্ধ্যাতেই আরিয়াসে এসে পৌঁছেছেন। তার মানে, আপনার গন্তব্য আরিয়াস।’ ‘কেন, আমি আরিয়াস হয়ে অন্য কোথাও যেতে পারি না?’ বলল আবু আব্দুল্লাহ। ‘তা পারেন। আরিয়াস থেকে ইরান, আর্মেনিয়াও যেতে পারেন। কিন্তু সন্ধ্যার পর ইরান ও আর্মেনীয় সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়। আপনি ইরান বা আর্মেনিয়ায় যেতে চাইলে রাতটা ‘ভ্যান’-এ থেকে সকালে যাত্রা করতেন।’ ড. আজদা বলল। গম্ভীর হলো আগন্তুক আবু আব্দুল্লাহর মুখ। বলল, ‘আপনার কথা ঠিক। আমি আরিয়াসে এসেছি।’ ‘তাহলে আপনি হোটেল খুঁজছেন কেন? আপনি নিশ্চয় ট্যুরিস্ট হিসেবে আরিয়াসে আসেননি। কোন ট্যুরিস্ট এভাবে আসে না। কোথায় এসেছেন আপনি আরিয়াসে?’ দৃঢ় কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল ড. আজদা। ‘আমার অনুরোধ, কথা আজ এ পর্যন্তই থাক। এখন কোন আলোচনার সময় নয়। পরে অবশ্যই দেখা হবে। এখন ড. আজদা কিভাবে যাবেন, সেটা বলুন। তার একা যাওয়া ঠিক হবে না। শুনেছেন তো পুলিশ অফিসারের কথা, সাপের লেজে পা দেয়া হয়েছে। ওরা নিশ্চয় সংগে সংগেই জেনে গেছে সব ব্যাপার। ওরা প্রতিশোধের জন্যে নিশ্চয় পাগল হয়ে উঠেছে। ড. বারজেনজো ড. আজদাকে বাড়িতে পৌঁছে দিন।’ বলল আগন্তুক আবু আহমদ আব্দুল্লাহ। উদ্বেগে পাংশু হয়ে উঠেছে ড. আজদা ও ড. বারজেনজো দু’জনেরই মুখ। প্রতিশোধের জন্যে ওদের পাগল হওয়ার যে কথা আগন্তুক বলেছেন, সেটা তারাও জানে। শুকনো কণ্ঠে ড. বারজেনজো বলল, ‘আমি ড. আজদাকে পৌঁছে দিতে পারি। কিন্তু একটা সমস্যা আছে আমাদের। আমাদের মানে আমাদের দু’পরিবারের মধ্যে। আমি যেমন ওর সাথে ওদের বাড়ি যেতে পারি না, তেমনি এত রাতে তার বাড়ি ফেরাও তার পরিবার গ্রহণ করবে না।’ বিস্ময় ফুটে উঠল আগন্তুক আবু আব্দুল্লাহর চোখে-মুখে। বলল, ‘কেন, আপনাদের সম্পর্ক কি আপনাদের পরিবার মেনে নিচ্ছে না? প্রবলেমটা কি?’ ড. আজদা ও ড. বারজেনজো দু’জনেরই চোখ-মুখ লজ্জায় লাল হয়ে উঠল। বিব্রত একটা ভাব ফুটে উঠল তাদের চোখে-মুখে। দু’জনেই মুখ নিচু করেছিল। মাথা তুলে জবাব দিল ড. বারজেনজো। বলল, ‘প্রবলেম হলো দু’পরিবারের রাজনৈতিক বৈরিতা। ড. আজদার গ্র্যান্ডফাদার মোস্তফা বারজানি বিখ্যাত বামপন্থী নেতা এবং কুর্দি বাম রাজনৈতিক আন্দোলন কুর্দি ডেমোক্র্যাট পার্টির ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা। আর আমার গ্র্যান্ডফাদার শেখ মাহমুদ বারজেনজো ছিলেন আধুনিক কুর্দিস্থানের প্রথম রাজা এবং কুর্দি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা। আর আমার নানা সাইয়েদ নুরসি ‍শুধু কুর্দিস্থান নয়, গোটা তুরস্ক ও ইরানের ধর্মীয় নেতা ছিলেন। আমাদের কনজারভেটিভ পরিবারের সাথে ড. আজদার পরিবারের একটা স্থায়ী রাজনৈতিক বৈরিতা আছে, তাছাড়া আমাদের ধার্মিক পরিবারের সাথে ড. আজদাদের ধর্মনিরপেক্ষ পরিবারের রয়েছে যোজন যোজন মানসিক পার্থক্য। এই সমস্যার কারণে আমাদের সম্পর্কের কথা আমরা পরিবারকে বলার অবস্থাতেও নেই।’ থামল ড. বারজেনজো। ‘আর আপনারা প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও বিয়ে করতে পারছেন না পরিবারকে বাদ দিয়ে।’ বলল আবু আহমদ আব্দুল্লাহ। ‘ঠিক তাই। আমরা পরিবারকে মাইনাস করার কথা কল্পনাও করতে পারি না।’ বলল ড. আজদা। ভারি কণ্ঠ তার। ‘বুঝেছি। এই কারণেই ড. বারজেনজো ড. আজদার বাড়ি যেতে পারছেন না। আবার এত রাতে ড. আজদাও একা বাড়িতে যেতে পারেন না, কথা উঠবে। তাহলে উপায় কি এখন?’ ‘মি. আবু আব্দুল্লাহ, উপায় আপনিই করতে পারেন। আপনার থাকার জায়গা প্রয়োজন। আপনি ড. আজদার সাথে চলুন। আপনার থাকার জায়গাও হলো আর ড. আজদার সমস্যারও সমাধান হলো।’ বলল ড. বারজেনজো। ড. আজদার মুখ প্রসন্ন হযে উঠল। যেন অন্ধকারে আলোর সন্ধান পেল। বলল, ‘উনি ঠিক বলেছেন স্যার। আপনি আমাকে সাহায্য করুন। আমার বাড়িতে আপনার কোনই অসুবিধা হবে না, ‍যদিও এটা আমাদের গ্রামের বাড়ি। আমার ফুপা-ফুপি এসেছেন গতকাল, আজ মামা এসেছেন। তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। আপনি ভালো সঙ্গও পাবেন স্যার।’ ‘আমিও আপনাদের অনেক দূর এগিয়ে দিতে পারব। চলুন, যাওয়া যাক।’ ড. বারজেনজো বলল। আবু আহমদ আব্দুল্লাহর ছদ্মনামের আড়ালে আহমদ মুসা মনে মনে খুশিই হলো। সে তো ড. আজদার সন্ধানে ড. আজদার বাড়িতেই যাচ্ছিল। দুপুরে ‘ভ্যান’ লেক-শহরে পৌঁছার পরই আহমদ মুসা আরা আরিয়াস অঞ্চলের নাগরিক তালিকা সার্চ করে ড. আজদা আয়েশার ঠিকানা যোগাড় করেছে। সেই ঠিকানাতেই যাচ্ছিল সে। ‘মেঘ না চাইতেই পানি’র মত সেই বাড়িতেই যাওয়ার সুযোগ হলো তাদের মেহমান হয়ে। বলল আহমদ মুসা, ‘ঠিক আছে, আমার আপত্তি করার কোন ‍যুক্তি নেই।’ ‘ধন্যবাদ মি. আবু আব্দুল্লাহ।’ বলল ড. বারজেনজো। ‘অনেক ধন্যবাদ স্যার। চলুন, যাওয়া যাক স্যার।’ বলল ড. আজদা। সবাই তাদের গাড়ির দিকে এগোলো। ‘ড. বারজেনজো, আপনার সাথে আবার কিভাবে দেখা হবে? আমার কিছু প্রয়োজন আছে।’ বলল আহমদ মুসা। ড. বারজেনজো হাসল। বলল, ‘আমার মনেও কিছু প্রশ্ন, কিছু কৌতুহল আছে। আপনার সাথে দেখা হওয়া আমারও প্রয়োজন।’ ড. বারজেনজোর কথা শেষ হতেই ড. আজদা বলে উঠল, ‘আমার তো অনেক কৌতুহল, অনেক প্রশ্ন আছে। আলহামদুলিল্লাহ্‌, কৌতুহল মেটানোর সুযোগ পেয়ে গেলাম।’ ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলে আহমদ মুসা ড. বারজেনজোকে লক্ষ্য করে বলল, ‘তাহলে কিভাবে কোথায় দেখা হচ্ছে মি. বারজেনজো?’ ‘ভেবে চিন্তে কাল সকালে ড. আজদার টেলিফোনে জানাব।’ বলল ড. বারজেনজো। ‘ধন্যবাদ।’ আহমদ মুসা বলল। সালাম বিনিময়ের পর সবাই গিয়ে গাড়িতে উঠল। আহমদ মুসা উঠল ড. আজদার গাড়িতে। আহমদ মুসা তার ভাড়া করা গাড়ি থানা পর্যন্ত পৌঁছে ছেড়ে দিয়েছিল। চলতে শুরু করল দু’টি গাড়ি। আগে আজদার গাড়ি, পেছনে ড. বারজেনজোর গাড়ি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৭ বাকি অংশ (শেষ)
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৬ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৫ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৪ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ৩ বাকি অংশ
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে চ্যাপ্টার- ১ বাকি অংশ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now