বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
স্পন্দন-১০
#SaYeD_CHy
শুভ বিয়ের আগে এগুলো কেন ঘটছে তা মাইশা বুঝতে পারছে না।কোনো বিপদ তো আসছে না।হবু বউ হিসাবে শুভ থেকে তার অতীত জানার অধিকার আছে।
আজকে শুভ থেকে জেনেই থাকবে।কিন্তু তার অসুস্হ শরীর নিয়ে মাইশার চিন্তা হচ্ছে।
এদিকে শুভ তার স্মৃতির ডাইরিতে নিজের ভাব ব্যক্ত করছে।তার সে অমরণ স্মৃতি গুলো ডাইরিতে ফুতে রাখছে।তার মা তার পাশে বসে মাথাটা টিপে দিচ্ছে।
দুই পরিবারের দুই অনুভূতি কিন্তু একই স্পন্দনে জোড়া।আর এ স্পন্দনের মাঝে সবাই একে অপরের সাথে জুড়ে আছে।
শুভ এ কয়দিন অসুখের জন্য ঘর থেকে বের হয়নি।মাইশাও ঘুম তাই নিজে একা বের হল।
সকাল সকাল জনপরিবেশ আর ধুলো বালি মুক্ত শহর।ছোট ছেলে মেয়েরা মাদরাসা যাচ্ছে।
শুভ দেখতে ভালো লাগছে।হঠাৎ কে যেন তাকে আঘাত করলো তারপর আর কিছু মনে নেই।
চোখ খুলতে সে নিজেকে একটা বদ্ধ ঘরে আবিষ্কার করলো।তার যেন দম বদ্ধ হয়ে আসছে।
একটা মেয়ে আসে তার মুখ খুলল।একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলল শুভ।শুভ কিছু বলতে যাবে তার আগে মেয়েটা বলা শুরু করলো।
---আচ্ছা আমাকে মনে হয় চিনেন না!!
--না!!
একটু ডিটেলে যায়!!!আচ্ছা ১০ বছর আগে কথা আপনি একটা বিয়েতে গিয়েছিলেন!!! মনে আছে!!
---হুমম মনে আছে!!!
--আপনি সেখানে একটা মেয়ের সাথে দেখা করেছিলেন!!
--শ্রেয়া!!!
---একদম রাইট!!!কিন্তু আমি শ্রেয়া না আমি ওর বড় বোন মিরা।শ্রেয়া আমার আপন ছোট বোন ছিল।ছোট থেকে আমি তাকে মা-বাবার সুখ দিয়েছিলাম।যে দিন বিয়েতে গিয়েছিল সেদিন মেয়েটা আমাকে ফোন"আপু আমি একটা ছেলেকে ভালোবেসে ফেলেছি"
কি বলিস আমি আসছি তোদের বিয়ে দিয়েই আসবো!!!
না না আপু!! আমি ওকে ভালোবাসি সেটা ওকে বলিনি!!!আগে বলি তারপর না হয়!!!
আমার তো আর তস রইছে না যে আমার বোনও কাউকে ভালোবাসছে!!
আচ্ছা আচ্ছ!!!
নিজে বিয়ে করিনি যদি ওর কোনো ক্ষতি হয় তার জন্য।আর তুমারর জন্য সে দিন প্রোপোজ করবে বলে কত আয়োজন করেছিল কিন্তু কি হল আমার বোনকে ওরা জানোয়ারের মত হামলা করেছে।
কিন্তু আমি তো তাকে কিছু করিনি!!!
তোর জন্য আমার বোন মরেছে আর আজ তোকেও মরতে হবে!!(গুলিটা দেখিয়ে)
শুভ অজ্ঞান হয়ে গেল।আর নিজেকে আবার আবিষ্কার করলো হসপিটালে।
শুভ কিছু বুঝছে না ও তো ওই বন্ধ ঘরে ছিল এখানে কিভাবে এল।
মাইশা ওর পাশে বসে আছে হাতটা ধরে।এ কয়দিন সে তাকে এত ভালোবেসে ফেলেছে।তার মাথায় ব্যান্ডেজ।
শুভ শুয়ে রইলো।মাইশা ডাক্তারের সাথে কথা বলছে।শুভকে হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে।
চলবে.....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now