বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

লেডি ডন (পর্ব ৩)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Imran khan♥ (০ পয়েন্ট)

X রুহিঃ বোকার মত তাকিয়ে বলল, তুমি কি জয় কে দেখেছো? জয় আসবে না আমাকে আর আদিকে নিতে? রুহির এই একটা কথা জয়ের চোখের পানির বাঁধ ভেংগে দিল রুহিকে জড়িয়ে ধরে বলল তুই আমাকে চিনতে পাড়ছিস না রুহি? জয় চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বলল খোদা তুমি এটা করতে পাড়ো না......তুমি আমার মরন দাও আমি যে আর সহ্য করতে পাড়ছি না। , , , , , জয় রুহিকে নিয়ে বাসায় আসতে চাইল। রুহিঃ না আমি যাব না। এখান থেকে চলে গেলে জয় আমাকে খুঁজে পাবেন না।জয় না আসলে আদিকে কি করে আনব? জয়ঃ নিজেকে কন্ট্রোল করে বলল আমি জয়ের বন্ধু,জয় বলেছে তুমি এখন আমার সাথে থাকতে ও একটু কাজে গেছে এসে তোমাকে নিয়ে যাবে। রুহির চোখে মুখে হাসি ফুটে উঠল চাচা আমি বলেছিলাম না জয় আসবে আমি জানতাম জয় আসবেই।দেখেছো জয় আমাকে নিতে পাঠিয়েছে। মেলার সেই দোকানদারও কেঁদে দিয়ে বলল খোদা আছেরে মা এখন তুই একদম ঠিক হয়ে যাবি। জয়ঃ ভাল তো ওকে হতেই হবে চাচা। নিজের জন্য না হোক আমার জন্য হলেও ওকে ভাল হতে হবে জয় রুহিকে নিয়ে যেতে যেতে লিজাকে বলল আমি এখুনি দেশে বেক করব হোটেলে গিয়ে সব গুছিয়ে নাও আমি আসছি। লিজাঃ ফিড়ে যাব মানে কি? চলে গেলে আমাদের অনেক টাকা loss হয়ে যাবে। জয়ঃ শান্ত চোখে লিজার দিকে একবার তাকল। লিজাঃ ফিরে যাওয়ার কি আছে রুহি তো এখানেই আছে তাহলে মিটিং টা শেষ করে যাও।ওর জন্য এত বড় ডিল মিস করা ঠিক হবে না। জয়ঃ রিয়েলি?আমার এখন মিটিং করা উচিত? লিজাঃঅবশ্যই উচিত। রুহি তো আর পালিয়ে যাচ্ছে না। জয়ঃ গুড.... বলেই রুহির হাত ধরে জয় হাঁটতে লাগল। আসলে,লিজা যাই করুক জয় লিজাকে কখনো একটা ধমক দিয়েও কথা বলে না কারন সে একজন স্বামির দায়িত্ব ভালভাবেই পালন করে।তাই লিজাকে সাথে নিয়ে ফিরতে চেয়েছিল। , , , , জয় রুহিকে শপিং মলে নিয়ে গিয়ে জামা কিনে দিয়ে বলল চেঞ্জ করে আসতে। রুহি জামা চেঞ্জ করতে গেল কিন্তু, অনেক্ষন হয়ে গেছে রুহি ট্রায়াল রুম থেকে বের হচ্ছেনা। এটা দেখে জয়ের মধ্যে টেনশান কাজ করছে। জয়ঃ রুহি কোথায় তুই? রুহিঃ কি আজব আপনি আমায় তুই করে বলছেন কেন[ট্রায়াল রুমের ভিতর থেকে] জয়ঃআচ্ছা ভুল হয়েছে সরি,কিন্তু তুমি এতক্ষন ধরে কি করছো। রুহি ঠাস করে দরজা খুলে বলল, কি একটা জামা দিয়েছেন কিছুতেই পড়তে পাচ্ছি না। জয়ঃ সেটা বল্লেই তো হয়,দাঁড়াও আমি অন্যজামা নিয়ে আসছি। রুহিঃ লাগবে না ভিতরে আসুন পড়িয়ে দিবেন... জয়ঃ আ আ আমি? রুহিঃ আর কাউকে ত দেখতে পাচ্ছি না।আর এখানে আমি আপনাকে ছাড়া কাউকে চিনি নাকি? জয়ঃ অন্যদের সামনে ড্রেস করা যায় না রুহি। রুহিঃ কেন যায় না? জয়ঃ এখন কি বলব (মনে মনে) তার পর একটু ভেবে বলল,তুমি আমার সামনে ড্রেস চেঞ্জ করেছো শুনলে জয় খুব রাগ করবে। রুহিঃ তাই...???কিন্তু ড্রেস টা বেশ ভাল ছিল। জয়ঃ আচ্ছা তুমি দাঁড়াও আমি আসছি। জয় একজন মহিলা স্টাফকে নিয়ে এসে বলল ওকে ড্রেসটা পড়িয়ে দিন। রুহিঃ উনার সামনে চেঞ্জ করলে জয় রাগ করবে না? জয়ঃ হায় আল্লাহ... না করবে না। রুহিঃ এটা কেমন কথা হল, একটু আগেই তো বল্লেন কারো সামনে করা যাবে না জয় রাগ করবে।এখন বলছেন রাগ করবে না, আচ্ছা এখন যখন রাগ করবেই না তো আপনিই আসুন বলে জয় কে টেনে নিয়ে গেল। জয়ঃ রুহি রুহি কি করছিস.... রুহিঃ জামা পড়ছি। জয় বাধ্য হয়েই চোখ বন্ধ করে নিল। রুহি জামা পড়ে নিল তার একটাই সমস্যা জামার পিছনের চেইন লাগাতে পাড়ছিল না জয়কে বলল লাগিয়ে দিতে। জয় বেশ ইতস্তত হয়ে চোখ বন্ধ করেই চেইন লাগানোর জন্য হাত বাড়াল। রুহিঃ আহ.... জয়ঃ কি হল রুহি? রুহিঃ ব্যাথা পেলাম! জয়ঃ চোখ খুলে দেখে রুহির পিটে একটা ক্ষত।রাগে জয়ের চোখ লাল হয়ে গেল।দাঁতে দাঁত চেপে বলল এটা কি করে হল? রুহিঃ জানি না তো.... জয়ঃহুম আমিও অনেক কিছু জানি না। জানার বাকি অনেক.... আগে তোকে সেইফ করি তারপর সব জেনে নিব (মনে মনে) জয় রুহির চেইন লাগিয়ে দিল।তারপর রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেল।রুহির পছন্দের সব খাবার অর্ডার দিল রুহিঃ খাব না। জয়ঃ কেন? রুহিঃ খেতে ইচ্ছা করছে না ঘুম পাচ্ছে খুব। জয় বোঝল রুহির ক্লান্ত লাগছে। জয়ঃ আমি খায়িয়ে দেই? রুহি কিছু বলল না। জয় খাবার নিয়ে রুহির মুখে তুলে দিতে চাইল,কিন্তু হটাৎ রুহি চিৎকার করে উঠল। জয়ঃ কি হল....??? রুহিঃ আমাকে কেউ একজন এভাবে.... ঠিক এভাবেই খাইয়ে দিত....কিন্তু কে দিত? তার মুখটা কেন মনে পড়ছে না।মাথায় হাত দিয়ে বলল আহ মাথা যন্ত্রনা করছে। কে দিত কে কে কে.....রুহি অস্থির হয়ে গেল। জয়ঃ তারমানে তোর খুব তাড়াতাড়ি সব মনে পড়বে (মনে মনে) আমি জানিত কে দিত। রুহি শান্ত হয়ে বলল কে দিত? জয় আগে বসো,তারপর জয় রুহির মুখে খাবার দিয়ে বলল একটা রাজকুমার ছিল সে তোমায় খুব ভালবাসত সেই খায়িয়ে দিত। রুহিঃ মিথ্যে কথা,আমাকে কেউ ভালবাসে না সবাই আমাকে কষ্ট দেয়। জয়ঃ আমিও? রুহি কিছু বলল না। রুহিকে এক প্লেট খাবার খাওয়াতে জয়ের হাজার খানি বাক্য ব্যবহার করতে হয়েছে। কারন একবার খাবার মুখে দিয়েই রুহি উঠে যায় আর খাবে না বলে। এটা সেটা বলে বলে খাওয়াতে হচ্ছে তাকে কিন্তু তাতে জয়ের কোন ক্লান্তি নেই।সে একের পর এক গল্প বলতে বলতে খাইয়ে যাচ্ছে। খাওয়া শেষ করে,জয় রুহিকে নিয়ে এয়ারপোর্টের দিকে রওনা হল। এদিকে লিজা বেশ বোঝতে পাড়ল জয় রুহিকে নিয়ে ফিড়ে যাবে তাকে রেখেই চলে যাবে। লিজা মনে মনে ভাবল কি করছি আমি? বিড়ালের কাছে মাছ দিয়ে শান্ত হয়ে বসে আছি? লিজা সাথে সাথে রওনা হয়ে গেল। লিজাঃ রুহিকে তো আমি কিছুতেই জয়ের সাথে থাকতে দিব না। , , , , ৫ ঘন্টার জার্নির পর লিজা বাসায় পৌছাল, কিন্তু রুহি বা জয় কেউই বাসায় আসেনি।হঠাৎ লিজার মনে হল,আরে রুহির তো পাসপোর্ট ভিসা কিছুই নেই জয় ওকে নিয়ে আসবে কি করে? ধুর এই ভুলটা করলাম কি করে? যাক এসে যখন পড়েছিই মাকে উস্কে দিতে হবে যাতে যদি কোনভাবে রুহিকে নিয়েও আসে মা যেন ওকে বাসায় ঢুকতে না দেয়।। লিজা কান্না করতে করতে বাসায় ঢুকল জয়ের মাঃ কি হইছে ফিরে এসেছো কেন? জয় কোথায় আর কাঁদছই বা কেন? লিজাঃ আমার সব শেষ হয়ে গেছে মা। জয়ের মাকে জড়িয়ে ধরে ন্যাকা কান্না করে। মাঃ কি হয়েছে? লিজাঃ রুহি নিজের স্বামিকে ছেড়ে আমার স্বামির ঘাড়ে চেপেছে। মাঃমানে কি? কি বলছো তুমি? লিজাঃহ্যা মা ও পাগলের অভিনয় করছে।আমি জানি ওর কিছু হয়নি শুধু জয়ের সাথে থাকবে বলে এমন করছে। তা নাহলে আমরা যেখানে গেলাম সেখানেই কেন রুহি থাকবে।মা রুহি যেভাবে জয়ের সাথে মাখামাখি করছিল তা চোখে দেখা যায় না।আরও অনেক কথা বানিয়ে বানিয়ে বলে রুহিকে জয়ের মায়ের কাছে ডাইনি প্রমান করে দিয়ে লিজা নিজের ঘরে গেল। কিছুক্ষন পড়েই জয় রুহিকে নিয়ে বাসায় ফিরল।রুহির পাসপোর্ট না থাকায় প্রাইভেট জেট এ করে ফিড়েছে তারা। জয় যখন রুহিকে নিয়ে ঘরে ঢুকবে তখন তার মা এসে বলল, মাঃদাঁড়া জয়....এই আপদ আমার বাড়িতে কি করছে? জয়ঃচুপ করে দাঁড়িয়ে বিষয়টা বোঝার চেস্টা করছে। কি ঘটেছে? তারমধ্যেই লিজার আগমন, জয় বোঝে গেল এটা লিজার কেলমা। মাঃ তুই ভাবলি কি করে এই ডাইনিটার জায়গা হবে আমার বাড়িতে? লিজাঃ দুচরিত্র বেয়াদব বেহায়া মেয়ে তর সাহস হয় কি করে আমার স্বামির হাত ধরিস। রুহি অবাক হয়ে জয়ের দিকে বলল ওরা কি আমায় বকা দিচ্ছে? কিন্তু আমিত কিছু করেনি... জয়ের মাঃ নিজের মা বাবা কে খেয়ে শান্তি হয়নি এখন আমার ছেলেটাকে খেতে এসেছিস। অভিনয় করা শিখেছিস খুব,তাই না? বের হ এক্ষুনি,বাজারি মেয়ে জানি কোথাকার। নিজে বের না হলে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিব। জয় একটু হাসল এতক্ষন সে একটাও কথা বলে নি শুধু শুনেছে। তারপর একটু এগিয়ে এসে নিজের মায়ের সামনা সামনি দাঁড়িয়ে শান্ত গলায় বলল মা কি দেখতে পাচ্ছ? মাঃ মানে কি? জয়ঃ বল্লাম তোমার সামনে কে দাঁড়িয়ে আছে? মাঃ কেন তুই জয়.... জয়ঃ হুম ভালই দেখতে পাও দেখছি। আচ্ছা মা লিজার কথা বাদ দিলাম সে আমায় চিনে না, বা আমার আসল রুপ কখনো দেখে নি তাই সে বোঝবে কি করে, কিন্তু তুমিত জানো কার সামনে দাঁড়িয়ে কি বলছো? আমার সামনে দাঁড়িয়ে রুহির চরিত্র নিয়ে কথা বলার আগে বুক কাঁপল না? মাঃ জয় তুই আমার সাথে এভাবে.... জয়ঃ হুম যা ভাবছো তাই mafia joy is back.তোমাদের আজ লাস্ট warning দিলাম,আমার উপড় খবরদারি করার দুঃসাহস দেখিও না। এবার লিজার দিকে তাকিয়ে বলল, এই যে মেয়েটাকে দেখছো আমি আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি শুধু তার জন্যই।এই মেয়েটা এমন একজন যে কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই আমার জন্য মরতে পাড়ে একবার না বার বার ও আমাকে রক্ষা করেছে, সেটা আমার মা ভুলে গেলেও আমি ভুলি নি। তাই ওকে গালি দেওয়া তো দূর ওর দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস দেখিও না।ওর দিকে কেউ তাকালে তার চোখ ২ টি তুলে নিতে জয়ের হাত কাঁপবে না। এমনকি জয় নিজেও যদি ওর সাথে অন্যায় করে আমি জয়কেও ক্ষমা করব না শাস্তি দিব। মাথায় ঢুকেছে আমার কথা? লিজার মাথায় জয়ের কথা ঢুকলেও রুহির মাথায় জয়ের ঘুড়ানো পেচাঁনো কথাগুলো ঢুকে নি। কিন্তু সে জয়কে শাস্তি দিবে এই কথাটা ঢুকেছে। রুহিঃআপনাকে ভাল ভেবেছিলাম কিন্তু ....আপনি আমার জয় কে শাস্তি দিবেন? খুব খারাপ আপনি... থাকব না আমি আপনার কাছে, এখুনি চলে যাব এখান থেকে। জয়ঃ দেখেছো জয়কে চিনতে পাড়ছে না কিন্তু জয়কে শাস্তি দিব সেটা মানতে পাড়ছে না।আর কিছু বলতে হবে?শোন লিজা আমি তোমাকে অসম্মান করতে চাই না কিন্তু আমার জীবনে সবার আগে রুহি তারপর অন্য সব কিছু কারন রুহিকে আমি মনে নয় মাথায় রাখি। আশা করছি ২ জনেই বোঝে গেছো আজকের জয় আর গতকালের জয়ের মধ্যে কত পার্থক্য তাই be careful. , , , , জয়ঃ রুহি ভিতরে এসো। রুহিঃ উনারা ত চাচ্ছেন না আমি এখানে থাকি আর আপনার সাথে ত আমি কিছুতেই থাকব না আপনি বরং জয় কে একটা ফোন করে দিন ও এসে আমাকে নিয়ে যাক। জয়ঃ ধমক দিয়ে বলল রুহি..... রুহি জয়ের ধমক শুনে ভয়ে কেঁদে দিল। জয়ঃ রুহির সামনে গিয়ে কান ধরে বলল সরি সরি আর কখনো এমন হবে না।তুমি কত লক্ষি মেয়ে না? কেঁদো না প্লিজ রুহিকে এটা সেটা বলতে বলতে জয় রুহিকে উপড়ে নিয়ে গেল। লিজাঃ মা দেখেছেন বাড়িতে ঢুকেই আপনার ছেলেকে আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিল। যে ছেলে কখনো আপনার বা আমার কথার উপড়ে কথা বলে নি সে আজ আমাদের শ্বাসিয়ে গেল.... মাঃ না আমি এটা হতে দিব না ওকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিদায় করব।সোজা আংগুলে ঘী না উঠলে আংগুল টা একটু বাঁকা করতে হবে আর কি..... , , , , চলবে...!!! (ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন) জয়ঃ রুহি ভিতরে এসো। রুহিঃ উনারা চাচ্ছেন না আমি এখানে থাকি আর আপনার সাথে ত আমি কিছুতেই থাকব না আপনি বরং জয় কে একটা ফোন করে দিন ও এসে আমাকে নিয়ে যাক। জয়ঃ ধমক দিয়ে বলল রুহি..... রুহি জয়ের ধমক শুনে ভয়ে কেঁদে দিল। জয়ঃ রুহির সামনে গিয়ে কান ধরে বলল সরি সরি আর কখনো এমন হবে না।তুমি কত লক্ষি মেয়ে না? কেঁদো না প্লিজ রুহিকে এটা সেটা বলতে বলতে জয় রুহিকে উপড়ে রুমে নিয়ে গেল। রুহিঃ আপনি খুব খারাপ.....জয় কে শাস্তি দিবেন বলছেন,আবার আমাকেও বকা দিলেন আমি জয় কে সব বলে দিব দেখবেন ও আপনাকেও বকে দিবে। জয়ঃ সরি বল্লাম তো এবারের মত মাফ করে দাও। রুহিঃ আচ্ছা দিব যদি আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দেন। জয়ঃ কি প্রশ্ন? রুহিঃ নিচে ওরা কারা ছিল আর আমাকে বকা দিচ্ছিল কেন? জয়ঃ মহিলাটা আমার মা আর পাশের মেয়েটা আমার বউ।আর ওরা তোমাকে বকা দেয় নি,ওরা যা যা বলেছে তুমি কি তা তা করছো? তাহলে তোমাকে বকা দিবে কেন? রুহিঃ তা ঠিক... আসলে আমিবকিছুই বোঝি নি মনে হচ্ছিল যেন আমাকেই বকা দিচ্ছে কিন্তু আমার নাম তো রুহি না আর আমি এসব কিছুই করি নি যা তারা বলছিল। আচ্ছা ওই মেয়েটা আপনার বউ হলে রুহি কে?আর আপনিই বা আমায় রুহি বলে ডাকেন কেন? আপনাকেই বা সবাই জয় বলে ডাকছিল কেন? জয় চুপ করে আছে কারন এই উত্তর গুলি তার জানা নাই। জয়ঃ খাবার সময় বলছিলে ঘুম পাচ্ছে রাস্তায় তো ঘুমাতে পাড়ো নি।এখন ঘুমাও। আমার একটু কাজ আছে।বাইরে যাব। রুহিঃ আচ্ছা.... জয়ঃ তোমাকে রুহি বলে ডাকলে তোমার কোন সমস্যা আছে? রুহিঃ না, যা মন চায় ডাকতে পাড়েন আমিত আর বেশি দিন এখানে থাকব না। জয় ফিরলেই জয় কে নিয়ে আদির কাছে চলে যাব জয়ঃ হুম এখন ঘুমাও।বলে জয় বাইরে চলে গেল। জয় আদির খোঁজ নেওয়ার জন্য তখন থেকেই ব্যাস্ত হয়ে পড়ছিল,কিন্তু সাথে রুহি থাকায় সেটা পাড়ে নি তাই রুহিকে ঘরে রেখেই আদির খোঁজ নিতে বের হল। জয়ঃবেহান মনি কোথায় ওকে ফোন দে। বেহানঃ জয় তুই এতদিন পর ফোন দিলি? জয়ঃ বেহান কথা বলার অবস্থায় আমি নেই মনিকে ফোন দে। বেহান বোঝল জয় সিরিয়াস কোন বিষয়ের জন্যই ফোন দিছে।বেহান মনি কে ফোন দিল। জয়ঃ মনি আদি কোথায়? মনিঃ আদি কোথায় মানে? আমার তো ওদের সাথে যোগাযোগ হয় না অনেক দিন থেকে।কেন কিছু কি হয়েছে? জয়ঃ মাহির বা সাওনের নাম্বার দাও আর আদির ঠিকানাটাও টেক্সট করে পাঠাও এখুনি। মনি নাম্বার দিল সাওনের। জয়ঃ হ্যালো সাওন.... সাওনঃ কে বলছেন.... জয়ঃ আদি কোথায়??? সাওনঃ জয় তাই না? জয়ঃ সেটা পড়ে জানলেও হবে আগে বলো আদি কোথায়? সাওনঃ আমি জানতাম আজ হোক কাল হোক তুমি ফোন দিবা বলেই সাওন কেঁদে দিল। জয়ঃ কি হয়েছে আদির (অস্থির হয়ে) সাওনের উত্তর শুনে জয়ের পায়ের নিচের মাঠি সরে গেছে মনে হচ্ছে যেন সে ভুল শুনেছে। , , , , , , , , , , , , , সাওন কাঁদতে কাঁদতে বলল আদি আর নেই জয়.... জয়ঃ কককক কি বলছো? বিশ্বাস করি না.... তুমি মিথ্যা বলছো এটা কিছুতেই হতে পাড়ে না। সাওনঃ শান্ত হও জয়, আমরা কেউই বিশ্বাস করতে পাড়ি নি,কিন্তু এটাই সত্যি। জয়ঃ কি করে শান্ত হব বলতে পাড়ো? আদি কি করে পাড়ল রুহিটাকে একা করে চলে যেতে(কাঁদতে কাঁদতে) সাওনঃ সব ঠিক ছিল, গত মাসে রুহি আর আদি পাহাড়ে বেড়াতে গেছিল সেখানেই রুহিকে আহত অবস্থায় আর আদির লাশ পাওয়া যায়। কিভাবে কি হল শুধু রুহিই বলতে পাড়ত।কারন সেখানে শুধু রুহিই ছিল, আর কেউ ছিল না। কিন্তু কি হয়েছিল সেটা বলার জন্য আজ রুহিও নেই। আদির বাবা মা আদির মৃত্যুর জন্য রুহিকেই দায়ী করেছিল কারন আদির কোন শত্রু ছিল না। আহত অবস্থায় রুহি হসপিটালে ছিল কিন্তু জ্ঞান ফিরার পর সেও কোথাও চলে গেছে।অনেক খুঁজেও পুলিশ রুহির কোন সন্ধান পায় নি আমরাও অনেক খুজেঁছি কিন্তু পাইনি। রুহিকি আদো সুস্থ আছে কি না তাও জানি না। জয়ঃ মাথায় হাত দিয়ে মাঠিতে বসে পড়ল। এত কিছু হয়ে গেল অথচ আমি কিছুই জানলাম না সাওনঃ আমি জানি না রুহির সাথে তোমার কি এমন হয়েছিল যে রুহি হাত জোর করে আমাকে আর মাহির কে নিষেধ করেছিল যেন তোমার সাথে যোগাযোগ না রাখি।তাই এই ২ বছরএ তোমার সাথে কোন কথা হয় নি। সাওনের কথা গুলি শুনে জয়ের হাত থেকে ফোন টা পড়ে গেল। একটা থাপ্পড়ের জন্য এত বড় শাস্তি তুই আমায় দিতে পাড়লি রুহি....???নিজের এত বড় বিপদেও তুই তোর জয়কে বল্লি না..... জয়ের সব কিছুই এলোমেলো লাগছে সারাদিনে যা যা ঘটে গেছে তার কিছুতেই বিশ্বাস করতে পাড়ছে না। জয়ঃ কোন মুখে দাঁড়াব রুহির সামনে? ও যে জয়ের আশায়,পথের দিকে তাকিয়ে বসে আছে।জয় তার আদিকে বাঁচায়ে নিয়ে আসবে কিন্তু জয় যে আর কখনো আদিকে ফিড়াতে পারবে না। কেন করলে এমন...... আদি তুমি আমাকে এ কোন অবস্থায় ফেলে চলে গেলে?আমি যে তোমাকেও খুব ভালবাসতাম।কেন চলে গেলে আমাদের ছেড়ে...??? , , , , জয় সেই লেকের পাশে বসে অনেক্ষন কান্না করার পর ভাবতে লাগল না জয় এর এভাবে ভেংগে পড়লে চলবে না।আদির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে,রুহিকে সুস্থ করতে জয় কে শক্ত হতে হবে। রুহিকে সুস্থ করতে পাড়লেই আদির খুনিদের বিচার করা সম্ভব যে করেই হোক রুহিকে আমি সুস্থ করব আদির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিব। আর তা না নেওয়া পর্যন্ত আমার শান্তি নাই। , , , , হঠাৎ জয়ের মনে হল তাড়াহুড়োতে রুহিকে আমি কোথায় রেখে এসেছি? যেখানে লিজা আছে সেখানে রুহি নিরাপদ তো? তারউপড় মাও রুহিকে সহ্য করতে পাড়ে না।রুহির সাথে খারাপ কিছু ঘটে নি তো? জয় তাড়াতাড়ি করে গাড়ি সার্ট দিয়ে বাড়িতে ফিরল। কিন্তু রুহির ঘরে ঢুকে জয়ের মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। , , , রুহির শরীর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছে। কোন নড়াচড়া করছে না। জয় দৌড়ে গিয়ে রুহিকে তুলে ধরে ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে বলতে লাগল কি হয়েছে রুহি চোখ খোল প্লিজ। রুহির অবস্থা খারাপ দেখে জয় রুহিকে নিয়ে হাসলাতালে গেল। ডাক্তার ভিতরে চেকআপ করছে জয় বাইরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবছে সব দোষ আমার,আমি কেন রুহিকে একা বাসায় রেখে গিয়েছিলাম।কেনই বা ২ বছরে রুহির রাগ ভাংগাতে ছুটে গেলাম না..??? খোদা তুমি আমায় এ কোন পরীক্ষায় ফেললে...???তুমি রুহিকে সুস্থ করে দাও প্লিজ , , , চলবে...!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ লেডি ডন (পর্ব ৯+১০)
→ লেডি ডন (পর্ব ৭+৮)
→ লেডি গুন্ডা...
→ লেডি ডন (পর্ব ২)
→ লেডি ডন (পর্ব ৪+৬)
→ লেডি বস ২য় পর্ব
→ লেডি বস ১ম পর্ব
→ লেডি এবং সিংহ ৩য় পর্ব
→ লেডি এবং সিংহ ২য় পর্ব
→ লেডি এবং সিংহ ২য় পর্ব
→ লেডি এবং সিংহ ১ম পর্ব
→ স্নাইপিং উইথ দ্যা ক্রাসড লেডি
→ লেডি হিটলার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now