বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তোমাতে আমি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Radhika Rai Bormon(guest) (০ পয়েন্ট)

X এই মুটকি তুই নাকি আমাকে ভালোবাসিস আর আমি তোকে? তোর মত ব্রয়লার মুরগীকে আমি ভালোবাসব, যে কিনা ব্যাঙের মত থপথপ করে হাটে, ভাবলি কি করে, আরে তোকে নিয়ে তো বাসর ঘরের বিছানায় বসলে বিছানা টাও ভেংগে যাবে, নিজের শরীর নিয়ে চলতে পারিস না আবার আসছিস ভালোবাসতে ছ্যাহহ, (রিদ) সাথে তাল মিলিয়ে রিদের বন্ধু রনো বলল। আরে দোস্ত বাদ দে না এতোদিন তো গাছের খেয়েছিস এবার না হয় তলার কুড়োবি, কিযে বলিস না রনো একে? এর দিকে তাকাতেও তো আমার ঘৃনা হয়, আরোতো রাবিশ (রিদ) তাহলে আমাদের কে দিয়ে দে না, আমরাও একটু ট্রাই করি (রনো) রিদ কিরনের দিকে তাকালো একবার আর তারপর বলল, হু মন্দ বলিশনি দেখ পারলে চান্স নে। কলেজ ভর্তি মানুষের সামনে রিদ যাচ্ছেতাই অপমান করে গেলো কিরন কে আর কিরন মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিলো এতোক্ষণ চোখ দিয়ে অনবরত জল ঝড়ছে, সামনে থাকা মানুষ গুলোও কেমন তাচ্ছিল্য ভাবে তাকাচ্ছে। এর মধ্যেই কিরনের ক্লাস মেট ঈশান এসে কিরনের হাত ধরল। এখানে দাড়িয়ে অপমান সহ্য না করে বাসায় যাও, কি প্রয়োজন আছে তাকে ভালোবাসার যে তোমার ভালোবাসার মূল্য দিতে জানেনা? (ঈশান) কিরন অবাক হয়ে তাকালো যে ছেলেটা আজ পর্যন্ত কোনো মেয়ের সাথে কথা বলেনা সে আজ কিরনের মত মুটকির সাথে কথা বলছে? সত্যিই ভাববার বিষয়। এভাবে তাকিয়ে ভাবতে হবে না, চলো তোমাকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে আসি ঈশান বলল। না আমি একাই যেতে পারব (কিরন) হয়েছে আর একা যেতে হবে না। ঈশান কিরন কে বাইকে করে ওর বাসায় পৌছে দিলো। ক্লাসের সব চেয়ে সুন্দর আর হ্যান্ডস্যাম ছেলে রিদ, যে কেউ দেখলে প্রেমে পরবে এটা নিশ্চিত, কিরন ও ঠিক একই ভাবে প্রেমে পড়েছে, আর ঘটনাক্রমে কথাটা রিদের কানে পৌছায়। এর পরই শুরু হলো নানা রকম অপমান করা, কিরন কে যেখানেই দেখে সেখানেই মুটকি বলে ক্ষ্যাপানো বন্ধুদের সামনে যাচ্ছেতাই বলা আর সপ্তাহে সপ্তাহে নতুন নতুন সুন্দরী গার্লফ্রেন্ড এনে দেখানো এটা যেন ডাল ভাত। এগুলো দেখেও কিরন এড়িয়ে চলতো কিন্তু আজকের অপমান টা বাকিদিনের তুলনায় অনেক বেশি। রুমে ঢুকেই দরজা দিয়ে হাউমাউ করে কেদে উঠলো কিরন। কেনো এগুলো শুনতে হচ্ছে সে তো নিজের ইচ্ছেয় মোটা হয়নি আর না তো পৃথিবীতে একাই মোটা, তাহলে এতো অপমান কেনো ? কিরনের মা বারবার দরজা ধাকাচ্ছে কিন্তু কিরন খুলে দিচ্ছে না। রাতে যখন দরজা খুলে বাহিরে এলো তখন দু চোখ ফুলে লাল হয়ে আছে। মা ব্যাতিব্যাস্ত হয়ে কিরনের কাছে এলো, কি হয়েছে কিরন? দরজা খুলছিলি না ক্যানো আর চোখ দুটো এমন লাল হয়ে আছে ক্যানো? তেমন কিছুনা, সরি মা আমি, আসলে আমি ঘামাচ্ছিলাম তাই শুনতে পাইনি, আর মাথা ব্যাথা করছে তো তাই হয়ত চোখটা লাল হয়েছে (কিরন) যখন মিথ্যা বলতে পারিস না তখন কেনো ব্যার্থ চেষ্টা করছিস? কিরন মাথা নিচু করলো, এবার বল তো কাদছিলি ক্যানো? কি হয়েছে? কিছু হয়নি মা, ক ক কই কাদিনি তো ধুর কাদব ক্যানো। এদিকে আয় বস আমার কাছে, কিরন মায়ের কোলে মাথা দিয়ে শোফার শুয়ে পড়লো। দ্যাখ মা, আমি তোর মা, তোর নাড়ি নক্ষত্র সব কিছুর খবর জানি আমি, আরে তুই তো আমার অংশ আর আমার অংশের কিছু হয়ে আমি জানব না তা কি হয়? কি হয়েছে আমাকে বল? মায়ের কথায়,মাকে জড়িয়ে কান্না শুরু করল কিরন। মা মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। আচ্ছা মা আমি কি খুব মোটা? ব্রয়লার মুরগীর মত থপথপ করে চলি? (কিরন) কিহ?. এসব কি বলছিস তুই, তুই ক্যানো থপথপ করে চলবি কে বলেছে এগুলো? জানো মা আমি বিছানায় বসলে বিছানা নাকি ভেংগে যাবে আচ্ছা মা আমার বিছানা কি লোহা দিয়ে বানিয়েছো? আমি তো সব সময় আমার বিছানায় লাফালাফি করি আমার বিছানাটা ভাংগে না কেনো? (কিরন) কিরনের মা বুঝতে পারলো কেউ একজন কিরন কে অপমান করেছে, কথা ঘুরানোর জান্য মা বলল। জানিস কিরন এই পুরো দুনিয়ার মধ্যে সব চেয়ে সুন্দরী আমার মেয়ে। (মা) সে ত সব মায়ের কাছেই তার মেয়ে বিশ্ব সেরা সুন্দরী, আমাকে ক্যানো মিথ্যা সান্ত্বনা দাও মা, আমি এখন যথেষ্ট বুঝি প্লিজ আমাকে আর কিছু বলোনা আমি জানি আমি মুটকি। কথাটা বলেই চলে গেলো কিরন। রাতে ব্যালকনিতে বসে আছে, চারিদিকে নিস্তব্ধ নিরবতা, সবাই মায়া ঘুমে ঘুমিয়ে আছে শুধু কিরনের চোখে ঘুম নেই, রাতেই চাদটার দিকে তাকিয়ে আছে। চারিদিকে কত তারা অথচ সব তারা থাকা সত্ত্বেও চাঁদ টা একা ঠিক কিরনের মত। হঠাৎ ফোন টা বেজে উঠলো। ফোন টা হাতে নিয়ে দেখে আননোড নাম্বার, নাম্বার টা দেখতে দেখতেই কল টা কেটে গেলো, অনেকক্ষণ দেখেও নাম্বার টা চিনতে পারলো না, স্কিনে তাকিয়ে দেখে ১ টা বাজে, এতো রাতে কল তাও অপরিচিত নাম্বার থেকে? আশ্চর্য মা ছাড়া তো কেউ নাম্বার জানে না তাহলে অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসলো কিভাবে? ধুর কারো হয়তো দু একটা ডিজিট ভুলের কারনে কিরনের কাছে এসেছে। ফোনটা রেখে কিরন আবারো চাদের দিকে দৃষ্টি রাখলো। আবারো মোবাইল টা বেজে উঠলো তবে কল নয় মেসেজে। কিরন মোবাইল টা অজানা এক কৌতুহলে হাতে নিলো। সেই নাম্বার থেকে মেসেজ টা এসেছে,, এভাবে আর কতক্ষণ ব্যালকনিতে থাকবে বলোতো, সেই সন্ধ্যা থেকে দাড়িয়ে আছি, এভাবে আর কতক্ষণ? যাও ঘুমিয়ে পড় নাহলে আজ রাতটা এভাবেই থাকবে হবে আমাকে, মেসেজ টা দেখে কিরন এদিক সেদিক তাকালো কিন্তু কাউকে দেখতে পেলো না। আবারো মেসেজ আসলো। উফ এভাবে না তাকিয়ে যাও তো, খুজলেও পাবেনা, ভিষণ ঘুম পেয়েছে আমার, তুমি এভাবে থাকলে আমি রাস্তার মাঝখনেই ঘুমাবো কিন্তু, আর যদি কোন গাড়ি আমার ওপর দিয়ে যায় তবে,,,,,? কিরন মেসেজ টা দেখেই রুমে ঢুকে গেলো, নাজানি কে না কে এসব তাচ্ছিল্য করতেছে, হয়তো রিদ, দেখতে এসেছে আমি কি করছি আর কালকে আবার অপমান করবে ,, সাতপাঁচ ভেবেই কিরন লাইট অফ করে ঘুমিয়ে পড়ল। সকালে ঘুম ভাংলো মোবাইলের কান্নায়, ফোনটা হাতে নিয়েই চক্ষু চড়ক গাছ,, , মোবাইল টা হাতে নিয়ে দেখে ১৮ টা মিসড কল আর চার টা মেসেজ, এগুলো দেখে না যতটা অবাক হয়েছে তার থেকে বেশি অবাক হয়েছে মোবাইল এ সময় দেখে, ১২ টা বাজে, আর এতোক্ষণ ঘুমাচ্ছিলো? মাও ডাকেনি। কিরন মেসেজ সিন না করেই ফোনটা রেখে দিলো। তাড়াতাড়ি স্নান করে নিচে নেমে আসলো। মা আগে থেকেই টেবিলে খাবার নিয়ে বসে আছে। কি হলো মা তুমি খাওনি এখনো? (কিরন) তোকে না খাইয়ে কি কখনো আগে খেয়েছি? (মা) মা তুমি কি কখনই শোধরাবে না এভাবে আর কতদিন? (কিরন) যতদিন তুই আমার কাছে থাকবি ঠিক ততদিন (মা) হুম বুঝলাম এবার বলো তো এতো বেলা হয়ে গেলো আমাকে ডাকোনি কেনো? (কিরন) রাতের অর্ধেক টা সময়ই না ঘুমিয়ে ব্যালকনিতে বসে ছিলি, আর ঘুমিয়েছিস মধ্যে রাতে, তাই ভাবলাম ঘুমটা পুরো হোক, নাহলে তো মাথা ব্যাথা করতো (মা) কিরন নিশব্দে কেদে ফেললো, এভাবে এতো খেয়াল রাখো কেনো, এতোটা ভালোবাসো আর সেই আমিই কি না কষ্ট দিলাম, দুঃখিত মা। মাকে জড়িয়ে ধরে বলল কিরন। মা আদরে কাছে নিয়ে নাকটা কেটে বলল, ধুর পাগলী মেয়ে, কষ্ট কিসের? নয় মাস পেটে যখন ছিলে তখন তোমার লাথিতে পেটে ব্যাথা পেতাম, আবার পরক্ষণেই মনে হতো আমার মাঝে যে আছে সে তো আমারি অংশ, ছোট ছোট তুলোর মত নরম পা দিয়ে গুতো মেরে মজা পাচ্ছে আর আমি কিনা তাতেই হাফিয়ে যাচ্ছি তা কি করে হয়, সেদিন কষ্ট পেয়েও আমার কষ্ট টাকে কষ্ট মনে হয়নি আর আজ সামান্য একটু খেতে দেরি হলো তাতেই এতো কিছু? কষ্ট না খেয়ে থাকলে কেউ পায়না বরং সন্তান অবাধ্য হলেই পায় প্রত্যেক টা বাবা মা। (মা) তুমি দেখে নিও মা আমি তোমার অবাধ্য কখনই হবো না আর তুমি কষ্ট পাও এমন কাজ কখনই করব না (কিরন) সে তো জানি আমি, আমার মেয়ে কতটা লক্ষি, কথাটা বলতে বলতে এক গ্রাস ভাত মুখে তুলে দিলো কিরনের। খাওয়া শেষ করে রুমে আসলো ভাবলো একটু গেম খেলা যাক , হঠাৎ মনে পড়লো মেসেজ গুলো দেখা হয়নি। একটা মেসেজ ছিলো,, সু প্রভাত, পরের টা,, এই ঘুম ভেংগেছে তো? তৃতীয় টা,, মহারানী এখনো ঘুমাচ্ছেন? তারাতাড়ি কলেজ আসুন অপেক্ষা করছি। আর লাষ্ট মেসেজ টা ছিলো, আর কত অপেক্ষা করাবে শুনি? সেই দুই ঘন্টা থেকে অপেক্ষা করছি, এই ওয়েট তুমি আবার সুসাইড করোনি তো? করোনা কিন্তু সুসাইড করলে আমি বিধবা হবো। , মেসেজ গুলো দেখে কিরন ফিক করে হেসে ফেললো, ছেলেরাও তাহলে বিধবা হয়? কি জানি হতেও পারে তবে আমি তো কাউকেই বিয়ে করিনি তাহলে বিধবা হবে কিভাবে?? কিছুক্ষণ ভেবে কিরন পালটা মেসেজ দিলো। আচ্ছা আমিতো বিয়ে করিনি,তাহলে আপনি বিধবা কিভাবে হবেন? মেসেজ টা দিয়ে কিরন বাহিরে গেলো রাস্তায় নামতেই ঈশানের সাথে দেখা। একি তুমি এখানে? (কিরন) এদিক সেদিক ঘুরছিলাম,, বিকেলে ঘুরতে ভালো লাগে তো আর কালকে তোমার গ্রাম টা দেখেই মুগ্ধ হয়েছি বিশেষ করে লাইনের ওই দিকটা, অনেক সুন্দর খোলামেলা একটা জায়গা, কথাটা বলেই থেমে গেলো ঈশান। কি হলো? কোন সমস্যা? (কিরন) না আসলে একটা কথা বলতাম (ঈশান) হুম বলো (কিরন) তোমার গ্রামটা ঘুরে দেখাবে? (ঈশান) হু কিন্তু আমি তো অন্য এক জায়গায় যাচ্ছিলাম, সরি কিছু মনে করো না সপ্তাহের এই একটা দিন আমি আমার পছন্দের জায়গায় যাই, তবে আমার মত মেয়ের সাথে ঘুরতে তোমার সমস্যা না থাকলে তুমি আমার সাথে যেতে পারো (কিরন) আরে না না সমস্যা কিসের ,বরং তোমার সমস্যা না থাকলে আমি তোমার সাথে যাবো (ঈশান) আচ্ছা ঠিক আছে চলো, মুচকি হেসে বলল কিরন। দিনোবাজার পেরিয়ে তেমোনি যাওয়ার রাস্তায় কিছুদুর গিয়েই থেকে গেলো কিরন। এই যায়গায় দেখার মত তেমন কিছু নেই তবে রাস্তায় দু পাশে থাকা বড় বড় গাছ সবুজ মাঠ আর বড় বড় দিঘি, দিঘির হৃদে লাগানো গাছ আর মাঝে থাকা ভাটা গুলো কিরনের খুব ভালো লাগে। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে যে যার বাসায় ফিরে গেলো। বাসায় ফিরে দেখতে পেলো রিদ বসে আছে ভেতরে। কথা না বলে এড়িয়ে যাওয়া টা অভদ্রতা,সেদিনের ঘটনার পর আর রিদেএ সামনে থাকাটাও অসস্তিকর, কোনো রকম দু একটা কথা বলে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য কিরন এগিয়ে গিয়ে বললো। আপনি এখানে? (কিরন) আসলে কিরন কালকের জন্য আমি লজ্জিতো, প্লিজ ক্ষমা করে দাও (রিদ) না (কিরন) কেউ অপরাধ করে অনুতপ্ত হলে তাকে ক্ষমা করতে হয় মা,, রান্না ঘর থেকে চা আনতে আনতে মা বলল । ক্ষমা করব কোথা থেকে মা, আমি তো ওনার ওপর রেগে নেই, আমি মোটা তাই উনি মুটকি বলেছে এখানে তো ভুল কিছু বলেনি তাহলে রাগবই বা কেনো আর ক্ষমা করব বা কেনো (কিরন) বাবা কিরন তোমার ওপর রেগে নেই, তুমি চা খাও আমি আসছি, কথাটা বলে আবার রান্না ঘর চলে গেলো। কিরন রুমে যাওয়ার জন্য ঘুরে দাড়ালো ঠিক তখনই রিদ হাত টা ধরলো। হাত টা ছাড়ুন রিদ, এটা ভদ্র লোকের বাড়ি, অভদ্রতা করার যায়গা নয় আপনার (কিরন) সরি কিরন, আসলে আমি আরেকটা কথা বলতে এসেছি (রিদ) জি বলুন,, আই লাভ ইউ কিরন, কাল থেকে অনেক ভেবেছি আসলেই চেহারা টা কোনো ফ্যাক্ট না, মানুষের মনই আসল (রিদ) কিরন কিছু না বলে চলে গেলো। রাতে কিরনের ফোনে আবারো মেসেজ আসলো, সিন করতেই অবাক কিরন। যদিদং হৃদয়ং মম, তদস্তু হৃদয়ং তব। অর্থাৎ ঃ আমার রিদয় তোমার হোক আর তোমার রিদয় আমার হোক,, কিরন মেসেজ টা পড়েছো তো তাইনা? নাও হয়ে গেলো গান্ধর্ব মতে আমাদের বিবাহ, এখন তো বিধবা হতেই পারি তাইনা? , চলবে,,, #তোমাতে_আমি #Radhika_Rai_Bormon


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now