বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
— ওই চল আজ তোকে খাওয়াবো!!
বান্ধবীর মুখে এমন কথা শুনিয়া
যারপরনাই খুশি হইয়া উঠিলাম। সঙ্গে
সঙ্গেই দন্ডায়মান হইয়া বলিলাম
— চল!!!!!
—আরে এখন নাকি!! বিকেলে
খাওয়াবো। তুই যা ইচ্ছে খেতে
পারিস। বাজেট বিশ টাকা।
বান্ধবীর বাজেটের কথা শুনিয়া
আমার মনের মইদ্ধে যে বেলুন
ফুলিয়াছিলো তাহা উনানব্বই দিন
ফ্রিজে রাখা শিংনাথ বেগুনের মত
চুপসাইয়া গেলো। তবুও বান্ধবী
খাওয়াবে বলে কথা!!
— চটপটি খাবো!!
— এহ!! বললেই হলো নাকি?? একপ্লেট
চটপটির দাম বিশ টাকা। তুই সব খেয়ে
ফেললে আমি কি খাবো????
—মানে কি?? তোর বাজেট দুই জন এর
জন্যে বিশ টাকা????
বান্ধবীর আকর্ণ হাসি দেখিয়া
বুঝিলাম কথা সত্য। দুই জনের জন্যে
তিনি বিশ টাকা বাজেট করিয়াছেন।
তবুও কবি বলিয়াছেন খাবারের
ব্যাপারে কখনোই না বোধক উত্তর না
করিতে। কোন কবি বলিয়াছেন তাহা
জানি না। তাই আমি রাজি হইয়া
গেলুম।
— বল কি খাবি???
— গোল্ড.....
এর আগে একবার ঘাড়ানি খেয়েছিলুম।
ঘাড়ের উপরে রদ্দার কথা মনে পড়তেই
চুপ হইয়া গেলাম!!
— কি?? কি বললি তুই??? গোল্ড লিফ???
তুই গোল্ড লিফ খাবি???
বুঝিলাম আকাশে বজ্রপাত আজকে
মাটিতে নাজিল হবে। তাড়াতাড়ি
বলিলাম
— না না!! তা খেতে যাবো কেনো??
ছিহ!! এইটা কি খাওয়ার জিনিস
নাকি?? আমিতো ওই পাচ টাকা
দামের একটা গোল্ড কয়েন চকলেট
পাওয়া যায় যে সেটাই খেতে
চেয়েছিলাম!!!
— ওহ তাই বল!! ঠিক আছে। তোকে একটা
চকলেট খাওয়াবো।
— একটা কেনো?? আমার দশ টাকায়
দুইটা চকলেট!!!
— তোর টাকা মানে?? আমার টাকায়
তোকে খাওয়াচ্ছি!! তুই একটা চকলেট
খাবি। আর আমি একটা চিপস খাবো;
পনেরো টাকা দাম।
কি আর করা!! রাজি হয়ে গেলাম।
বাঙ্গালী ফ্রিতে বিশ খেতেও
রাজি; আর আমিতো চকলেট খাচ্ছি।
— শোন; বিকাল চারটায় অবকাশের
সামনে চলে আসবি।
— যথা আজ্ঞে! !!!!
বিকেলে ঠিক ঠাক সময় মতো হাজির
হলাম। মানে চারটা পয়ত্রিশ এ। এসে
দেখি বান্ধবী রেগে টং!!
— তোরকি কান্ড জ্ঞান নেই?? পয়ত্রিশ
মিনিট লেট???
বহু মুখসাফাই গেয়ে এই যাত্রা রক্ষা
পেলাম।
বান্ধবীকে নিয়ে দোকানী মামার
কাছে গেলাম। বান্ধবী তার পার্স
ঘেটে বিশ টাকার একটা নোট বের
করে দোকানদারকে দিলো।
— মামা ওই চিপসটা দেন। আর একটা
গোল্ড কয়েন চকলেট দেন।
দোকানদার এক মুহুর্ত ভাবলো। ভেবে
বললো
— আপা আর তিন টাকা!
— কেনো!!! চিপসের দাম পনেরো আর
চকলেট পাচ; বিশ টাকাই তো
দিয়েছি!!!
— আপা চিপসের দাম বাড়সে!! আঠারো
টাকা!!
বান্ধবী আমার দিকে তাকিয়ে একটা
অসহায় হাসি দিলো। এরপর
দোকানদারকে বললো
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
— তাইলে মামা এক কাজ করেন;
আমাকে একটা চিপস দেন আর ওকে
দুইটা প্রান মিল্ক ক্যান্ডি দেন!!!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now