বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্য ওআরজিঃজিপার-পর্ব ৫ (শেষ পর্ব)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X দ্য ওআরজিঃজিপার সাই ফাই কন্সপিরেসি থ্রিলার আরিয়ান শুভ পর্ব ৫ (শেষ পর্ব) “আই নেভার বিন গুড এন্ড নেভার বিন রাইট নেভার ফেল্ট এজ গুড এজ আই’ম ফিলিং টুনাইট আই নিউ ইউ আর দ্য ওয়ান অল এলং...” হেঁড়ে গলায় টান দিল সায়লর। এক হাত রয়েছে মেয়েটার মাথায়, মাথাটা নিজের কাঁধের সাথে হাতটা দিয়ে চেপে রেখেছে সে। অন্য হাতে ধরা একটা পিস্তল, যেটা এই মুহূর্তে রয়েছে মেয়েটার পেট বরাবর। “আই নেভার বিন রঙ...” আবারও টান দিল সায়লর হেঁড়ে গলায়। “আই নেভার বিন রঙ।” এখানে এসেছে সে মিনিট পনেরো আগে। খুবই শান্তশিষ্টভাবে ঢুকেছিলো বিল্ডিঙে। নিচে কেয়ারটেকারের কাছে নিজের পরিচয় দিয়েছে ধ্রুর বন্ধু বলে। পর পর দুবার কলিং বাজাতেই দরজা খুলে দিয়েছিল ফ্লোরা। “আপনি?” সায়লরকে চিনতে না পেরে প্রশ্ন করেছিল মেয়েটা। “আমার নাম সায়লর।“ মুচকি হেসে জবাব দিয়েছিল সে। “আমি ধ্রুর বন্ধু। এটা তো ধ্রুরই বাসা, তাই না?” “হ্যাঁ,” ভ্রু কুঁচকে জবাব দিল ফ্লোরা। “আপনি নিশ্চয়ই অপ্রস্তুতবোধ করছেন। আমি কি পরে আসবো?” “না না...” দ্বিধা ঝেড়ে ফেলে দরজার এক পাশে দাঁড়াল ফ্লোরা। “ভেতরে আসুন।” “ধন্যবাদ।” সায়লরকে ড্রয়িংরুমে নিয়ে বসাল ফ্লোরা। জিগেস করলো, “আপনার নাম কখনো শুনিনি আমি কখনো ধ্রুর কাছে।” “স্বাভাবিক।” মার্জিত হাসি দিল সায়লর। “আমরা দশ বছর আগে বন্ধু ছিলাম। দুটো মারসেনারি ট্রেনিং করেছি আমরা একসাথে, নর্থে।” নর্থের ট্রেনিং দুটো সম্পর্কে জানে ফ্লোরা, তাই এবার আর কোন দ্বিধা রইলো না তার ভেতর। কারণ ফ্লোরা আর ধ্রু ছাড়া বাইরের কেউ বা পরিচিত কেউ ঐ সময়টা সম্পর্কে জানে না। “ধ্রু বলেছে আমাকে ঐ সময়টা সম্পর্কে, কিন্তু কারও নাম বলেনি।” “এটাও স্বাভাবিক। এসব ব্যাপার সামনে আনতে চাই না আমরা কেউ। বুঝতেই পারছেন, আমাদের যে কাজ।” নিজের ব্লেজারের পকেট থেকে একটা ছোট্ট প্যাকেট বের করল সায়লর। “আপনাদের জন্য ছোট্ট একটা গিফট। একেবারে ন্যাচারাল টী।” প্যাকেটটা দেখেই বুঝতে পেরেছে সেটা ফ্লোরা। হাসিতে ভরে উঠলো তার চেহারা। “ধন্যবাদ। এখন তো এসব জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া।” “সবই আপনাদের দোয়া। মোটামুটি যতই দাম হোক, কিভাবে কিভাবে যেন ম্যানেজ হয়ে যায় আমার।” সায়লরকে ভালো মনে হলো ফ্লোরার কাছে। অন্তত ধ্রুর অন্য যেসব বন্ধুদের চেনে সে, তাদের মত এতটা গম্ভীর ধাঁচের নয়। বরং একে সদালাপী বলেই মনে হল তার কাছে। এদিকে ফ্লোরাও মন খুলে কথা বলার মতো মানুষ খুব একটা পায় না। এমন সময় হঠাত করেই সায়লরের ব্লেজারের পকেটে বেজে উঠল তার সেলফোন। সেলফোনটা বের করে স্ক্রিনে একবার চেয়েই চোখ রাখল ফ্লোরার দিকে। উঠে দাঁড়ালো ফ্লোরা। মুখে বললো, “দাঁড়ান, আমি বরং আপনাকে চা বানিয়ে খাওয়াই। এরকম চা রোজ রোজ পাওয়া যায় না।” কিচেনে চলে গেল ফ্লোরা। কলটা রিসিভ করে কথা বললো সায়লর। দেড় মিনিট পর কথা শেষ করে সেলফোনটা রাখলো সামনের টীটেবিলের উপর। কিচেন থেকে এ সময় প্রশ্ন করলো ফ্লোরা। “আচ্ছা সায়লর, এটা কিভাবে বানাতে হয় জানেন? আমি আসলে কখনো ন্যাচারাল টী বানাইনি।” উঠে দাঁড়াল সায়লর। চলে এলো কিচেনে। “এই টীটা একটু স্পেশাল। দিন আমাকে,” ফ্লোরাকে চুলার কাছ থেকে সরিয়ে দিল সায়লর। “আপনি বরং রেষ্ট নিন। আমি বানিয়ে আনছি।” “নাহ, আমি বরং দেখি। আপনার বন্ধুকে বানিয়ে খাওয়াতে হবে না?” “সমস্যা নেই। আমি এখন এই শহরেই শিফট হয়েছি। যখনই ধ্রুকে এই টী বানিয়ে খাওয়ানোর ইচ্ছে হবে, আমাকে ফোন করবেন। আমি এসে বানিয়ে দিয়ে যাবো।” হেসে উঠলো দুজনেই একইসাথে। পানিটা গরম হয়ে যেতেই টী প্যাকেট থেকে কিছুটা পাতা ঢাললো সায়লর। প্যাকেটটা ধরিয়ে দিল ফ্লোরার হাতে। মনোযোগী ছাত্রীর মতো পুরোটা দেখছে ফ্লোরা। পুরো কাজটা শেষ হতেই টী প্যাকেট একদিকে রেখে বলে উঠলো ফ্লোরা, “স্পেশাল টী, তাহলে পাত্রটাও স্পেশাল হওয়া চাই, তাই না?” “অবশ্যই।” “আমি এখনই নিয়ে আসছি।” বলেই কিচেন থেকে বের হয়ে গেলো ফ্লোরা। বিশ সেকেন্ড পরই আবার তার গলা পাওয়া গেলো। “সায়লর, আপনার ফোনে একটা টেক্সট এসেছে।” “কি টেক্সট?” আপনমনে বললো সায়লর। এই সময়ে জরুরী কারও টেক্সট আসার কথা নয় তার ফোনে। হয়তো ফোন কোম্পানীর কোন মেসেজ হবে। “টেক্সটে লেখা আছে,” ড্রয়িং রুম থেকে চেঁচিয়ে বললো ফ্লোরা। “দ্রুত কাজ সেরে বেরিয়ে এসো বস। ধ্রু ঢুক...” মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠলো সায়লরের। দ্রুত বেরিয়ে এলো কিচেন থেকে। এদিকে হা করে দাঁড়িয়ে আছে ফ্লোরা, হাতে সায়লরের সেলফোন। যাহ শালা! মনে মনে গাল পেরে উঠলো সায়লর। বাঁশ! মজাটা নষ্ট করলো কোন হারামজাদা? “কে আপনি?” প্রশ্ন করলো ফ্লোরা। ভয়ে চেহারা কাগজের মত সাদা হয়ে গেছে তার। “আই ক্যান এক্সপ্লেইন।” এক হাত তুলে বলল সায়লর। “কি এক্সপ্লেইন করবেন আপনি?” খেঁকিয়ে উঠল ফ্লোরা, যদিও গলায় জোড় নেই একেবারেই। “আপনার টেক্সটই সব বলে দিয়েছে। ... আমাকে খুন করতে এসেছেন আপনি, মিষ্টার সায়লর?” মনে মনে টেক্সটদাতাকে আবারও গাল দিল সে। তারপর ব্লেজারের আরেক পকেট থেকে বের করলো নিজের সাইলেন্সার লাগানো পিস্তল। “সরি! এভাবে ব্যাপারটা ঘটবে, সেটা ভাবিনি আমি। ভেবেছিলাম একটু ড্রামাটিক হবে আপনার শেষ সময়টা।” হুমকির ভঙ্গীতে বলল ফ্লোরা। “আগাবেন না... এক পাও আগাবেন না আপনি।” হাসি পেল সায়লরের। তবে এও বুঝতে পারছে হাতে বেশী সময় নেই। দ্রুত ফ্লোরার পেট লক্ষ্য করে ট্রিগার চাপলো। টলে উঠল ফ্লোরা। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। দ্রুত এগুলো সায়লর। ফ্লোরার হাত থেকে সেলফোনটা নিয়ে পকেটে পুরলো। তারপর ফ্লোরার মাথাটা ধরল এক হাতে। অন্য হাতে ধরা পিস্তলটা রাখলো ফ্লোরার পেটে তাক করে। “কেন?” ছোট্ট করে প্রশ্ন করল ফ্লোরা। ফ্লোরার মাথাটা নিজের কাঁধে রাখল সায়লর। খুবই ক্ষীণস্বরে জবাব দিলো, “কারণ, এটা আমার কাজ। টাস্ক... জব... নাথিং পার্সোনাল।” “ক্কি... কিন্তু এভাবেই কেন? আমার জানামতে ক... খুনীরা এভাবে ক... কাজ করে না।” “আমি একটু ড্রামা পছন্দ করি... শর্ট অফ।” চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে এল সায়লরের। নিজের চোখের সামনে ভেসে উঠেছে লেক্সার চেহারা। “সরি... আই লাইড। ইট ওয়জ পার্সোনাল। ... প্রথম গুলিটা ছিলো আমার সন্তানের জন্য... জুনিয়র সায়লরের জন্য।” “ধ্রু... ধ্রু...” আর কিছু বলতে পারলো না ফ্লোরা। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে তার। “হ্যাঁ... আপনার ধ্রু... আপনার স্বামীই কাজটা করেছিলো।” ককাতে লাগল ফ্লোরা কষ্টে। কষা বেয়ে সাদা তরল বের হয়ে এল তার। কি হলো বলতে পারবে না সায়লর। হেড়ে গলায় গেয়ে উঠলো, “আই নেভার বিন গুড এন্ড নেভার বিন রাইট নেভার ফেল্ট এজ গুড এজ আই’ম ফিলিং টুনাইট আই নিউ ইউ আর দ্য ওয়ান অল এলং... আই নেভার বিন রঙ...” এখনো ককাচ্ছে ফ্লোরা। তার কষ্টটা আর সহ্য হচ্ছে না সায়লরের। “সরি... আমি খুবই সরি।” পিস্তলটা তুললো এবার সে। ফ্লোরার মাথার পাশে মাজল ঠেকালো সে। “ওটা ছিলো আমার সন্তানের জন্য। আর... আর এটা লেক্সার জন্য।” ট্রিগারে চাপ দিলো সায়লর। এবার নিথর হয়ে গেলো ফ্লোরার শরীরটা। ধীরে ধীরে তাকে মেঝেতে শুইয়ে দিলো সায়লর। পিস্তলটা রেখে দিলো জায়গামতো। এবার বেডরুমে ঢুকলো সে। বিছানার উপর থেকে চাদরটা তুলে নিয়ে ফিরে এলো আবার। চাদরটা ফ্লোরার উপর বিছিয়ে দেবে, এমন সময় সামান্য শব্দ হলো দরজায়। দ্রুত পকেট থেকে পিস্তলটা আবার বের করলো সে। এক হাতে পিস্তল, অন্য হাতে সাদা চাদরটা নিয়ে এগুলো দরজার দিকে। দরজাটা খুলে যেতেই আচমকা চাদরটা ছুড়ে মারলো সে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা লোকটার দিকে। তারপরেই পিস্তলের বাট দিয়ে মারলো এক বাড়ি। ******* “আই নেভার বিন রঙ...” হেঁড়ে গলায় গেয়ে চলেছে সায়লর। অনেক কষ্টে উঠে বসল ধ্রু। চোখ দিয়ে পানি পড়া অনেকটাই কমে গেছে ওর। “ওহ, বীরপুরুষ উঠে বসেছে,” হাসতে হাসতে ওর সামনে এগিয়ে এলো সায়লর। ঠিক সেই মুহূর্তে নড়ে উঠল ধ্রু। হাঁটুর কাছ থেকে দুটো ছোড়াই তুলে নিলো। একের পর এক কোপ দিতে শুরু করলো সায়লরের গায়ে। হতচকিত হয়ে গেলো সায়লর। পর পর চারবার কোপ খাবার পর কিভাবে যেন সরে এলো ধ্রুর রেঞ্জ থেকে। অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে ধ্রুর দিকে। “শীট! তুমি চিট করলে ম্যান!” খেঁকিয়ে উঠলো সায়লর। সায়লরের কথার দিকে মনোযোগ নেই ধ্রুর। আবার এগিয়ে এলো সে। একের পর এক কোপ লাগাতে লাগলো। ঝাড়া দশ সেকেন্ড পর থামলো সে। ততক্ষণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে সায়লরের দেহ। আরও দশ সেকেন্ড পর নিজের ঘড়ির দিকে চাইলো ও। আরও ত্রিশ সেকেন্ড সময় আছে ব্যাকআপ এখানে এসে পৌঁছতে, যদি সায়লরের কথা সত্য হয়। এবং... এই ত্রিশ সেকেন্ডের ভেতর এই বিল্ডিং থেকে বের হতে পারবে না সে। এর মানে... ত্রিশ সেকেন্ড পরই মারা যাবে সে। বড় করে একটা নিঃশ্বাস ছাড়লো ধ্রু। এক হাত ঢুকিয়ে দিল পকেটে। বের করলো নিজের সেলফোন। এই বিল্ডিঙের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারা যাবে এখন এই সেলফোন দিয়ে। সেলফ ডেস্ট্রাকশন অপশনে এসে থামল ধ্রু। এখনো সময় আছে বিশ সেকেন্ডের মতো। আরও অপেক্ষা করলো সে। দশ সেকেন্ড... পাঁচ সেকেন্ড চার সেকেন্ড... ******* “কি করছে বোকাটা?” ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে চেয়ে আছে বেন। বুঝতে পারছে না ধ্রুর হাবভাব। “সেলফ ডেস্ট্রাকশন অপশনে গিয়ে থেমেছে। এর মানে...” চিন্তিত মনে হলো তরুণীকে। “কিন্তু... খেঁকিয়ে উঠলো বেন। “এটা কিভাবে... বাইপাশ করেছে সিষ্টেম ও?” “হুম।“ সহমত পোষণ করলো তরুণী। “বেচারা সায়লর,” একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো বেন। “ব্যাকআপের সবগুলো মারা যাবে... ওদের জন্য কোন দুঃখ হচ্ছে না আমার। কিন্তু... সায়লরের ক্ষতি পূরণ হবার নয়।” স্ক্রিনে দেখতে পাচ্ছে বেন, ধ্রুকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে সৈন্যরা। তাদের মাঝে দাড়িয়ে হাসছে ধ্রু। হঠাত করেই হাসি থেমে গেল ওর নিজের সেলফোনে চাপ দিল সে। সাথে সাথেই কালো হয়ে গেলো স্ক্রিন। ল্যাপটপের ডালা নামিয়ে রাখল বেন। মনে মনে সায়লরের আত্নার শান্তি প্রার্থনা করল। এছাড়া আর কিছুই করার নেই। ******* শব্দটা কাঁপিয়ে দিলো শহরটাকে। সেন্ট্রাল সিটির উপকন্ঠ নয় শুধু, সারা পৃথিবীতে এত বড় বিস্ফোরণ গত কয়েক শতাব্দীতে হয়েছে কি না সন্দেহ। জানে লীন, এরকম ঘটনা আরও ঘটবে পৃথিবীর বুকে। এবং তা আর কিছুদিনের ভেতরেই। কেঁপে উঠবে পুরো পৃথিবী। ঘরছাড়া হবে মানুষ, এতিম হবে অনেক অনেক শিশু, প্রিয়জন হারানোর কান্নায় ভারী হয়ে উঠবে বাতাস। প্রিয়জন হারানোর ব্যাথা কতটা, তা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করবে মানুষ। গত বছর এই মাসেই যে ব্যথা উপলব্ধি করেছে লীন নিজে। হাসিটা চওড়া হলো লীনের ঠোঁটে। সামনের টেবিলে ল্যাপটপের পাশে থাকা কফির মগটা তুলে নিলো। "দ্য গেইম ইজ অন," কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে আউড়ালো। "দ্য অর্গানাইজেশন পড়েছে এবার ঠিকঠাকমতো, যার জের দিতে হবে পুরো দুনিয়াকেই।" *সমাপ্ত* (দ্য ওআরজি সিরিজের প্রথম গল্প জিপার এর এখানেই সমাপ্তি। গল্পটি সম্পর্কে মতামত জানাতে পারেন কমেন্ট বক্সে।)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now