বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

যেসব ধর্মে পাগড়ির বিধান আছে

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান K.M.Tafsirul Islam Rakib (০ পয়েন্ট)

X যেসব ধর্মে পাগড়ির বিধান আছে মাথায় জড়িয়ে লম্বাটে আকারের যে কাপড় পরিধান করা হয়, তা-ই পাগড়ি। পাগড়িকে ইমামা, উষ্ণীষ, শিরস্ত্রাণ, শিরোবেষ্টন বস্ত্রও বলা হয়। বিভিন্ন দেশ ও জাতিতে ঐতিহ্যগতভাবেই বৈচিত্র্যপূর্ণ পাগড়ি সাধারণত পুরুষরা পরিধান করে থাকেন। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আরব উপদ্বীপ ও উত্তর আফ্রিকায় পাগড়ি পরিধানের ঐতিহ্য অতিপ্রাচীন। দক্ষিণ এশিয়ায় পাগড়িকে দস্তারও বলা হয়। ধর্মীয় বিধান মতে, মুসলমানদের জন্য পাগড়ি পরিধান করা সুন্নাত। রাসুল (সা.) পাগড়ি পরিধান করতেন বলে অসংখ্য হাদিস বর্ণিত আছে। কবে থেকে পাগড়ি প্রথার উদ্ভব কবে থেকে পাগড়ি প্রথার উদ্ভব, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায় না। তবে এটি যে হাজার হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। পারস্য সভ্যতার সূচনাকালে মানুষ চারপাশে কাপড়ের ডোরা লাগানো কোনাকৃতির টুপি পরিধান করত। ইতিহাসবিদদের মতে, এ থেকেই প্রথাগত পাগড়ির বিকাশ ঘটে। কোনো কোনো ইতিহাসবিদ বলেছেন, পারস্যে নয়, বরং মিসরে সর্বপ্রথম পাগড়ি প্রথার প্রচলন ঘটেছিল। এক হাজার ৪০০ বছর আগে থেকেই মুসলমানরা রাসুলের সুন্নাত হিসেবে পাগড়ি পরিধান করে আসছেন। বিশ্বব্যাপী ইসলাম প্রচারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাগড়ি পরিধানের প্রথাও ছড়িয়ে পড়েছে। কথিত আছে, গোটা বিশ্বে ৬৬ রকমের পাগড়ির প্রচলন আছে। ইসলাম ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মে পাগড়ি পরার বিধান রয়েছে। যাঁরা ধর্ম পালন করেন, সাধারণত তাঁরাই পাগড়ি পরিধান করেন। ইসলাম হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) (মক্কায়) প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর মাথায় কালো পাগড়ি ছিল। ’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৩৫৮) হজরত জাফর বিন আমর (রা.) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, ‘যেন আমি রাসুল (সা.)-এর দিকে তাকিয়ে আছি, তিনি মিম্বরে বসে আছেন এবং তাঁর মাথায় কালো পাগড়ি; তিনি পাগড়ির প্রান্ত কাঁধের ওপর ঝুলিয়ে দিয়েছেন। ’ (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) খোলাফায়ে রাশেদিন, পরবর্তী খলিফারা, ইসলামের ইমাম ও মনীষীরা প্রায় সবাই পাগড়ি পরিধান করতেন। খ্রিস্ট কেনিয়ার খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী অ্যাকুইরিনু জাতির নারী-পুরুষরা পাগড়ি পরে থাকে। তারা এটিকে ধর্মের পবিত্র বিধান বলে মনে করে। এ ছাড়া বিশেষ কোনো কোনো এলাকার খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা পাগড়ি পরে থাকে। শিখ শিখরা পাগড়িকে দস্তার বা দুমাল্লা বলে থাকে। ধর্মীয় শিক্ষার আনুগত্য, গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এবং ভালো কাজ করার উদ্দেশ্যে শিখরা পাগড়ি পরে। তা ছাড়া এটি তাদের জটাকার বিশাল চুল পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। শিখ ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে খালসা গোত্রের (বিশেষভাবে ধর্মদীক্ষিত শিখ) সব সদস্যের জন্য পাগড়ি পরিধান বাধ্যতামূলক। গুরু নানক থেকে শিখদের সব গুরুই পাগড়ি পরিধান করতেন। শিখদের দ্বাদশ গুরু, গুরু গোবিন্দ সিং শিখদের জন্য মাথা ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক করেন। চাইলে শিখ নারীরাও পাগড়ি পরতে পারে। শিখদের পাগড়ির রং হলো নীল, কমলা, সাদা ও কালো। আকালি নিহাং শিখেরা তাঁদের দুমাল্লা বা দস্তারে ছোট অস্ত্র রাখেন। এটিকে তাঁরা শাস্তার বলেন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now