বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বড়দিদি/দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ( পর্ব -৮)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান অন্তরা (০ পয়েন্ট)

X কিন্তু এত ভাবিবার সময় নাই– কর্ত্তা সম্মুখে বসিয়াছিলেন; সুরেন্দ্রনাথকে প্রশ্ন করিলেন, “কি প্রয়োজন?” আজ তিন দিন ধরিয়া সুরেন্দ্র এই কথাই ভাবিতেছিল, কিন্তু এখন সব ভুলিয়া গেল,- বলিল, “আমি–আমি–” ব্রজরাজ লাহিড়ী পূর্ব্ববঙ্গের জমিদার। মাথায় দুই চারিগাছা চুলও পাকিয়াছে–বাতিকে নহে, ঠিক বয়সেই পাকিয়াছিল। বড়লোক, অনেক দেখিয়াছিলেন; তাই চট্‌ করিয়া সুরেন্দ্রনাথকে অনেকটা বুঝিয়া লইলেন, কহিলেন, “হাঁ বাপু, কি চাও তুমি?” “কোন একটা–” “কি একটা?” “চাকরি–।” ব্রজরাজবাবু মৃদু হাসিয়া বলিলেন, “আমি চাকরি দিতে পারি এ সংবাদ তোমাকে কে দিল?” “পথে একজনের সহিত দেখা হইলে, আমি জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম, সেই আপনার কথা–” “ভাল। তোমার বাড়ী কোথায়?” “পশ্চিমে।” “সেখানে কে আছে?” সুরেন্দ্রনাথ সব কথা বলিল। “তোমার পিতা কি করেন?” অবস্থাবৈগুণ্যে সুরেন্দ্র নূতন ধাঁচ শিখিয়াছিল— একটু জড়াইয়া জড়াইয়া বলিল, “সামান্য চাকরি করেন।” “তাতে চলে না, তাই তুমি উপার্জ্জন করিতে চাও?” “হাঁ।” “এখানে কোথায় থাক?” “কোন নির্দ্দিষ্ট স্থান নাই— যেখানে সেখানে।” ব্রজবাবুর দয়া হইল! সুরেন্দ্রকে কাছে বসাইয়া তিনি বলিলেন, “তুমি এখনও বালক মাত্র। এই বয়সে বাড়ী ছাড়িয়া আসিতে বাধ্য হইয়াছ বলিয়া দুঃখ হইতেছে। আমি নিজে যদিও কোনও চাকরি করিয়া দিতে পারি না, কিন্তু যাহাতে কিছু যোগাড় হয়, তাহার উপায় করিয়া দিতে পারি।” সুরেন্দ্রনাথ “আচ্ছা” বলিয়া চলিয়া যাইতেছে দেখিয়া, ব্রজবাবু তাহাকে ফিরাইয়া বলিলেন, "আর কিছু তোমার জিজ্ঞাসা করিবার নাই?” “না।” “ইহাতেই তোমার কাজ হইয়া গেল? কি উপায় করিতে পারি, কবে করিতে পারি— কিছুই জানিবার প্রয়োজন বিবেচনা করিলে না?” সুরেন্দ্র অপ্রতিভ হইয়া ফিরিয়া দাঁড়াইল। ব্রজবাবু সহাস্যে বলিলেন, “এখন কোথায় যাইবে?” “কোন একটা দোকানে।” “সেইখানেই আহার করিবে?” “প্রতিদিন তাহাই করি।” “তুমি লেখাপড়া কতদূর শিখিয়াছ?” “কিছু শিখিয়াছি।” “আমার ছেলেকে পড়াইতে পারিবে?” সুরেন্দ্র খুসি হইয়া কহিল, “পারিব।”


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now