বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আহারে জীবন

"ক্রাইম" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মুসাফির(guest) (০ পয়েন্ট)

X নিউজ পেপারে পড়েছিলাম এক মেয়ে কে তার বাবা হ্যাঁ নিজের বাবা জন্মদাতা পিতা কোনো এক পতিতালয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। কারণ মেয়েটার মা মারা যায় ।এরপর বাবা আবার বিয়ে করে আর সেই সৎ মা???এর বুদ্ধিতেই নাকি তার বাবা এই কাজটি করে। আচ্ছা এরে কি বাবা বলা যায়??? আমি জানি দুনিয়ার সব বাবা এক না। একথা বলে সব বাবাদের অসম্মান ও করছি না। শুধু এটা ভাবতে পারি না যে এতটা জঘন্য কিভাবে হতে পারে??? আমরা জানি সৎ মা আসলে সবার ই কমবেশি কষ্ট হয় । কিন্তু তাই বলে এরকম কিছু একটা চিন্তা একটা মেয়ে হয়ে আরেকটা মেয়ের প্রতি কিভাবে করে ???আর একটা বাবার যে কত আদরের মেয়ে হয় ??? ছোট বেলার আদর সোহাগ সব তাহলে কি ছিলো??? এর অপর পৃষ্ঠাও আছে। নিউজ পেপারেই পড়েছিলাম আরেকটি ঘটনা।এক মা তার নিজের সন্তান কে হত্যা করেছেন। কারণটা ছিলো এরকম ঃঃ মায়ের অনেক বয়ফ্রেন্ড ছিলো। বাসায় ছেলে ছেলের বউ থাকলেও তার জীবনযাপনের কোন পরিবর্তন ছিলো না। কিন্তু মায়ের এই লাগামহীন চলাফেরা ছেলে মোটেও পছন্দ করতো না।এই নিয়ে মা ছেলের মন কষাকষি ছিলো।ছেলেটা একদিন কোন এক ভাবে তার মাকে মায়ের বয়ফ্রেন্ড এর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে। তখন থেকেই ছেলে মায়ের শত্রু থেকে চরম শত্রুতে রুপান্তরিত হয়।মা তার বয়ফ্রেন্ড এর সাথে আলাপ করে কিভাবে পথের কাঁটা দূর করা যায়। এরপর একদিন তারা সফল হয় পথের কাঁটা দূর করে।আসলে পাপ করলে পথের কাঁটা কখনো দূর হয় না।এই সত্য টা বুঝাইতে ধরা পড়ে সব ষড়যন্ত্রকারী।ফাঁস হয় ভাষায় প্রকাশ না করার মতো ঘৃণ্য একটা ঘটনা। কল্পনা শক্তির বাইরে গিয়ে ভাবার মতো ঘটনা।জানা যায় মাত্র কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে দুজন ভাড়া করা লোকের সাথে মায়ের প্রেমিক এই খুন করে । এবং যে ঘরে তারা খুন করে সে ঘরেই পথের কাঁটা দূর করার আনন্দে মেতে ওঠে। আর এইটা কিছুদিন আগের ঘটনা । সম্ভবত একমাস ও হয়নি চাচা তার নিজের ভাইয়ের মেয়ে কে মেরে ফেলেছে।তাও কিভাবে । যেদিন ওই ঘটনা ঘটে সেই মুহূর্তে মেয়েটার দাদা অর্থাৎ ওই পিশাচটার নিজের বাবার দাফন সম্পন্ন হচ্ছিল । সম্পর্কে তারা আপন চাচা ভাতিজি ।লাশ দাফন করার জন্য নিয়ে গেলে বাড়ি থেকেই সবাই চলে যায়।আর ওই মেয়েটা একাকী বাড়িতে থেকে যায় ।আর সেই সুযোগে পিশাচ তার পরিচয় প্রদান করে ।যে সে কতটা ঘৃণ্য । মেয়েটাকে মেরে সে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলাতে যাচ্ছিলো ।সেই মুহূর্তে হতভাগা মেয়েটার ছোট বোন দেখে ফেলে। তার চিল্লাচিল্লি তে বাকিরা এসে দেখে এই ঘটনা ‌।এটা নাটোরের সিংড়ার কোনো এক ইউনিয়নের ঘটনা ।একমাস বা তার কিছু বেশি হবে । প্রতিদিন ঘটতে আছে একের পর এক ঘটনা।একটার চেয়ে আরেকটা বেশি লোমহর্ষক বেশি ভয়ানক। চিন্তা করতে গেলে মস্তিষ্ক কাজ করে না ।এই দুনিয়ায় আছি থাকতে হচ্ছে উপায় নাই কোথায় যাবো। কিন্তু কেন ???আমরা কি পারিনা দুনিয়াটায় শান্তি আনতে ??? যতগুলো ইন্দ্রিয় আছে সব বন্ধ করে থাকতে হচ্ছে। জঘন্য দুনিয়া খুব খুব খুব বেশিই জঘন্য প্লিজ কেউ এরকম বলবেন না যে সবাই এরকম।সবাই যে এরকম না সেটা আমিও জানি এবং মানি। একজন কে দিয়ে আরেকজন কে কখনোই বিচার করিনা । কিন্তু অনেকের ধারণা বাবা মা এরকম করতেই পারে না।এই ধারণাটা কেমন জানি??? কারণ এসবের হাজার হাজার উদাহরণ আছে।যা ভাবতেও গা শিউরে ওঠে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আহারে জীবন. ..... জীবন সিনেমার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now