বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
৫
৯।
একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে রাণী
দেখলেন- তার আদরের পাখিটি মরে পড়ে
আছে । কোনরূপ দূঘর্টনা ছাড়া পাখিটি হঠাৎ মারা
যাওয়ায় রাণী ভীষণ মুষড়ে পড়লেন । খাওয়া-দাওয়া
বন্ধ করে তিনি কাঁদতে শুরু করলেন ।
১০।
রাণীর প্রধান দাসী যে ছিল, সে একটি বিড়াল
পুষত । মাদী বিড়াল, রাণীও বিড়ালটিকে খুব পছন্দ
করতেন ।
সম্প্রতি বিড়ালটি গর্ভবতী হয়েছিল । সেদিন রাতে
বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে বিড়ালটি মারা যায় । সদ্য জন্ম
নেয়া মা মরা কচি বিড়াল ছানাগুলোকে দেখে রাজার
বুকটা ধক করে উঠল । তিনি পাখির শরীর ছেড়ে
মৃত বিড়ালের দেহে প্রবেশ করলেন ।
ভেবেছিলেন, ভোর হতেই পাখির দেহে
ফিরে আসবেন । কিন্তু ছানাগুলোকে দুধ
খাওয়ানোয় তিনি এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে কোন
ফাঁকে সকাল হয়ে গেছে এটা তিনি খেয়ালই
করেন নি । আর যখন খেয়াল করলেন তখন
অনেক দেরি হয়ে যায় । রাণী ততক্ষণে
কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে ।
রাণীর কান্না শুনে রাজার ইচ্ছে করছিল তখনই
ছুটে টিয়ার দেহে প্রবেশ করেন । কিন্তু একটি
মৃত টিয়া হঠাৎ জীবিত হয়ে উঠলে আর কেউ না
হোক রাজার বেশ ধারী সূফী সবকিছু বুঝে
যাবে, তখন নিজের অস্তিত্ব সংকটে পড়তে
হতে পারে । তাই অনেক কষ্টে নিজেকে
থামালেন । ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে থাকেন ।
সুযোগ আসবেই !
১১।
রাণীর কান্নাকাটির খবর শুনে সূফী ছুটে এল ।
সব শুনে সে বলল- ঠিক আছে । আমি তোমার
আদরের পাখিটিকে আরো কিছুক্ষণের জন্য
বাঁচিয়ে তুলতে পারি । তবে একটা শর্ত আছে !
কান্নাভেজা চোখে রাণী সূফীর দিকে
তাকালেন এবং তার চোখে চোখ রেখে
বুঝতে পারলেন শর্তটা আসলে কি ! তিনি স্বামীর
বুকে কিল মেরে বললেন- সেসব রাতে দেখা
যাবে ! আগে তুমি আমার পাখিকে ভাল করে দাও !
সূফী হেসে "আত্মা সঞ্জীবনী" মন্ত্রের
সাহায্যে পাখির শরীরে প্রবেশ করল । রাণী
অবাক হয়ে দেখলেন- রাজার দেহটা টলে পড়ে
গেল এবং পাখির মৃত দেহটা প্রাণ ফিরে ফেল ।
খেয়াল করলেন না এসবের ফাঁকে কখন যেন
দাসীর সেই বিড়ালটি তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ।
১২।
এমন একটা সুযোগের অপেক্ষায়ই ছিলেন রাজা ।
সূফী রাজার দেহ ছেড়ে পাখির দেহে প্রবেশ
করতেই তিনি মূহুর্তেই নিজের দেহে ঢুকে
পড়েন । বহুদিন পর নিজদেহে ফিরে এসে তিনি
প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নিলেন । তারপর তলোয়ার বের
করে ধীর পায়ে পাখির দেহে থাকা সূফীর
দিকে এগিয়ে গেলেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now