বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যার বিয়ে তার খবর নেই পাড়াপড়শিরর ঘুম নেই।
কথাটির সত্যতা পাওয়ার পাশাপাশি আরেক্টা কথাও জানলাম..
যারা বিয়ে দিবে তাদের খবর নেই পাড়াপড়শিরর ঘুম নেই।
কথা গুলো মনে করতে করতে সুমু নাস্তা বানাচ্ছে।
আজব মানুষ।মেয়েকে বিয়ে দিবে বাবা মা, তারা না করার পরো তোমাদের এত জোরের কি আছে।এক মেয়েকে বিয়ে দিয়ে বিদায় দেওয়ার আগে তোমরা আরেকটাকে ১ মাসেএ মধ্যেই জাপান পাঠিয়ে দেওয়ার ধান্দা করতে আসো।আরে বাবা মায়ের দিক্টাই দেখ।দুইমেয়ে কে বিদায় দেওয়ার শোক তারা সইবে কিভাবে।এতটুকু আন্দাজ নেই নাকি তোমাদের???
নিজে নিজেই বকছে সুমু।বকবেই বা না কেন।বোনের বিয়ে শেষ না হতেই কোথেকে জাপানি আসছে জাপান নিয়ে যেতে।অনেক কষ্টে সুমুর মা তাদের না করেছিল। এখন আবার বাড়িওয়ালা হাজীর।লোকটা অনেক আগে থেকেই ঘুরছিলো।সাড়া না পেয়ে বাসায়ি চলে আসলো।আজকাল বাসা থেকে বের হতেই সুমুর এখন অসহ্য লাগে।
কিচেনে পাশে হোয়ায় সব কথাই সুমু শুনছে,সুমুর মা সরাসরি না বলতে পারছে না।তাও আকার ইঙ্গিততে বুঝতে চাচ্ছে দুই বছরের মাঝে আমরা মেয়ের বিয়ে নিয়ে ভাবছি না।বড় মেয়ের বিয়ের ধকল টাও তো যায় নি,,
:আরে ওরা যৌতুক নিবে নাকি।দরকার হলে সব পছন্দ হলে কথা বলে সব ঠিক ঠাক করে রাখব।
লোকটির কথা শুনে সুমুর গা জলতেছে।
:এই আপু নামাজ শেষ হয়েছে?চা পাতা কই?
:তাকের উপরে নেই?
:না।
:দেখছি।অইতো!!
নিজের কান্ড দেখে নিজেরি হাসি পাচ্ছে চোখের সামনে তাও খুজে পেল না সুমু।
ধুর চামচ কই গেল আবার
:নামাজ শেষ করে এএখানে বসে আছিস।কিচেনে উকি দিয়েতো দেখতে পারিস আমি কি করছি।তোরা সবাই এমন।
কথা গুলো সুমু বোনকে বলতে বলতে ডিম পোচের উপর চামচ রেখে নাস্তার ট্রে হাতে ধরিয়ে দিয়ে কিচেন থেকে বের হয়ে আসলো।চোখের সামনে ভাসছে চামচ রাখার সাথে সাথে ডিম পোচ পেটে হলুদ কুসুম বের হয়ে গেছে,রাগটা না দেখালেই হত না।চিন্তা করতে করতে দরজা বন্ধ করে দিল সুমু।সুমু বিয়ে নিয়ে কখনো ভাবতে চায়নি।তবে আশেপাশের ইসলামিক পরিবার গুলো দেখে হৃদয়ে শুন্যতা অনুভব করত।আল্লাহকে বলত"আল্লাহ তোমার রহমত, ভালোবাসায় ঘেরা ইসলামের আলোয় আলোকিত পরিবারের কোন দ্বীনদার,তোমার পছন্দের কোন বান্দার সাথী করে অই পরিবারের সদস্য হোয়ার সুযোগ দিয়ে জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা করে দিও।জান্নাতে যাওয়ার স্বপ্ন ছাড়া এই দুচোখে যে আর কোন স্বপ্ন দেখি নি"
সুমু চাওয়ার কথা মনে পড়তেই একরাশ হতাশায় তাকে জড়িয়ে ধরল।এই অনুভূতি বলার মত কেউ নেই,বিয়ের জন্য তারাই আসে যারা কিনা টাখনূর উপরে কাপড়ই পরতে জানে না।
রাগ অভিমান বুকে নিয়ে বালিশের নিছে মুখ লুকিয়ে নিরবে কান্না ছাড়া সুমুর আর কি আর কিছু করার আছে।আল্লাহ ছাড়া কেউ তার এই অনুভুতি বুঝে নি।বুঝানোর মত কেউ নেইও,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now