বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা, আবার ভালোবাসা থেকে বন্ধুত্ব! সমীকরণটা দেখতে সহজ মনে হলেও আসলে এতটা সহজ নয়। বন্ধু থেকে প্রেমিক হওয়া যতটা সহজ, প্রেমিক থেকে বন্ধু হওয়া ততটা নয়। কারণ বন্ধুত্ব হয় খুব সহজ কোনো সম্পর্কে থাকা দুজন মানুষের ভেতরে যারা নিজেদের সব কথা একে অন্যকে বলতে পারে। কিন্তু ব্রেক আপের তিক্ততা কাটিয়ে সেটা করা কারো পক্ষেই সম্ভব হয় না। বরং উত্তরোত্তর অবহেলায় কষ্টটা আরো বাড়ে।ব্রেক আপের পর খুব স্বাভাবিকভাবেই জানতে ইচ্ছা করে আপনার সাবেক প্রেমিকটি কেমন আছে অথবা একটুও কষ্টে আছে কিনা। আর তাই নারীদের নজর থাকে প্রেমিকের ফেসবুক কিংবা অন্যসব যোগাযোগমাধ্যমে। এতে কষ্টটা কমে না, বরং বাড়ে। সাবেক প্রেমিকের হাসিমুখের ছবি, তার আনন্দের স্ট্যাটাস কিংবা নতুন প্রেমিকার সঙ্গে ঘোরাঘুরি করার ছবি দেখার ভেতরে নিজেকে কষ্ট দেয়া ছাড়া আর কিছুই নেই। বন্ধু হতে চাওয়া বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা, আবার ভালোবাসা থেকে বন্ধুত্ব! সমীকরণটা দেখতে সহজ মনে হলেও আসলে এতটা সহজ নয়। বন্ধু থেকে প্রেমিক হওয়া যতটা সহজ, প্রেমিক থেকে বন্ধু হওয়া ততটা নয়। কারণ বন্ধুত্ব হয় খুব সহজ কোনো সম্পর্কে থাকা দুজন মানুষের ভেতরে যারা নিজেদের সব কথা একে অন্যকে বলতে পারে। কিন্তু ব্রেক আপের তিক্ততা কাটিয়ে সেটা করা কারো পক্ষেই সম্ভব হয় না। বরং উত্তরোত্তর অবহেলায় কষ্টটা আরো বাড়ে। অপেক্ষা করা অনেকে সময়কে ব্রেক আপের কষ্ট থেকে মুক্তির উপায় মনে করেন। কিন্তু আদতে সব সময় কিন্তু তা নয়। আর তাই অনেক দিন কেটে যাওয়ার পরও যদি কষ্ট পেতে থাকেন আপনি কিংবা কান্না করেন অবিরত, তাহলে সময়কে সময় না দিয়ে নিজের মতোন করে এগিয়ে যান ভালো থাকতে। দরকার হলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। নেশা করা অনেকেই নেশা করে ভুলে থাকতে চান প্রেমিককে। ভাবেন অতিরিক্ত নেশা সাবেক প্রেমিককে ভুলতে, হতাশা কমাতে আর ব্রেক আপের কষ্টকে দূর করতে সাহায্য করবে। বাস্তবে সেটা কিছুই করে না। সাময়িক ভালোলাগা দিলেও শারীরিক, মানসিক আর নৈতিক অবক্ষয়ই ঘটায় এটি। স্মৃতিকে ধরে রাখা পুরনো সব স্মৃতি যেমন_ ছবি, চিঠি অথবা উপহার এগুলোকে অাঁকড়ে ধরে বসে থাকা আর বার বার সেগুলোকে দেখে অতীতের ভালো সময়গুলোর কথা মনে করা, এটি আপনাকে কষ্ট ছাড়া আর কিছুই দিতে পারবে না। কারণ সেগুলো যতক্ষণ আপনি না ছাড়বেন, আপনার অতীতও আপনাকে ছাড়বে না। প্রতিনিয়ত আপনার কষ্টের কথা মনে করিয়ে দেবে সেগুলো। গালাগালি করা অনেক নারী নিজেদের কষ্টটাকে ঝাড়তে সাবেকের মোবাইলে গালাগালি দিয়ে এবং আজেবাজে কথা লিখে ক্ষুদে বার্তা পাঠান। তারা মনে করেন এতে তাদের মনের কষ্ট খানিকটা হলেও দূর হবে। তাদের কষ্টটা একটু হলেও ফেরত দেয়া যাবে ছেড়ে যাওয়া প্রেমিককে। কিন্তু যে ছেড়ে গেছে তার আর আপনার কোনো ব্যাপারেই আগ্রহ নেই এটা জেনে নিন। আর তাই আপনি কী বলছেন, কী করছেন তা তাকে কোনোভাবেই আঘাত করবে না। যদি করেও, তবে তা আপনাকেই! নতুন সম্পর্ক কেউ চলে গেলে তার স্মৃতিগুলো, কথাগুলো, যত্ন নেয়ার সময়গুলো মনে করে কষ্ট পাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। মন আপনার কাঁদতেই পারে একবার ভালোবাসি শব্দটা শুনতে। কিন্তু তাই বলে হুট করে সাবেক প্রেমিকের ওপরে প্রতিশোধ নিতে বা সাময়িকভাবে ভালো থাকতে নতুন কাউকে হ্যাঁ বলে বা ভালোবাসার কথা বলে ফেলবেন না। এতে আপনার বর্তমান ভালো কাটলেও ভবিষ্যৎ ভালো না-ও হতে পারে। তুলনা করা পুরনো কেউ চলে গেছে বলে নতুন কেউ আসবে না তা নয়। হতে পারে সে আপনার সাবেক প্রেমিকের মতোন না হলেও তার চেয়ে অনেক বেশি ভালো। কিন্তু তা আপনি তখনই বুঝবেন যখন নতুন কারো সঙ্গে পুরনো প্রেমিকের তুলনা করা বন্ধ করবেন আপনি। যদিও তা অনেকেই ব্রেক আপের পর করে থাকেন আর নতুন কাউকে না পেয়ে কষ্টে ভোগেন। নিজেকে প্রকাশ করা বর্তমানে সামান্য কিছু হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলে ফেলা কিংবা অন্যদের বলে বেড়ানোর ব্যাপারটা চলে আসে। কিন্তু ভুলেও এ পথে যাবেন না। এতে আপনি নিজেকে অনেক বেশি ফেলনা করে ফেলবেন। আর সবার কাছে অনেক বেশি ব্যর্থ হিসেবে তুলে ধরবেন আপনাকে। নিজের কষ্টের কথা নিজের আর খুব আপনজনদের মাঝেই রাখুন। না হয় আজ যে কষ্টটা মনে মনে পাচ্ছেন আপনি, কাল তা পাবেন অন্য কারো কথাতেই! পরিচিত বন্ধুদের কাছে খবর নেয়া কে জানে হয়তো আরো অনেক আগে থেকেই বন্ধুরা জানত যে আপনাদের সম্পর্কটা ভেঙে যাচ্ছে। হয়তো আপনার সাবেক প্রেমিক অনেক আগেই পরিচিত বন্ধুদের জানিয়েছিল সেটা। আর তাই সেই বন্ধুদের কাছে গিয়ে সাবেক প্রেমিকের সম্পর্কে জানতে চাওয়াটা আরেকটি বড় ধরনের ভুল হয়ে যায় প্রত্যেক নারীর জীবনে। এতে আপনার সাবেক প্রেমিককে আপনি সুযোগ করে দেবেন হাসবার, মজা নেয়ার আর আপনাকে আরো কষ্ট দেয়ার।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now