বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মামিতো রুমে ডুকেই অবাক। মামি আমার দিকে এগিয়ে এসে বললো
মামি: বাবা তোমার গালে এগুলো কিসের দাগ?
আমি: (হাত দিয়ে ডাকার চেষ্টা করে বললাম) কই কিছু নাতো
মামি: (হাত সরিয়ে দিয়ে) কে তোমাকে এভাবে থাপ্পর মারলো তামিম?
আমি: কই কেউ নাতো
মামি: তা হলে গালে এগুলো
কিসের দাগ?
আমি: কই আমি তো যানি না হয় তো বা কোথায় ও লাগছিলো তাই।
মামি: কে মারছে সেটা বলবা কিনা। না আমি খুজে বার করবো।
পাশ থেকেই হঠাত করেই নেহা বলে উঠলো।
নেহা: আন্টি আপনার মেয়ে মিম তামিম ভাইয়াকে ওভাবে থাপ্পর মারছে।
মামি: কেন মারছে তুই জানিস কি?
নেহা: হ্যা জানি আমি।
মামি: হ্যা বল তো শুনি
আমি: প্লিজ নেহা তুমি চুপ করো।
মামি: তুই বল নেহা।
নেহা: আন্টি আপনার মেয়েকে তামিম ভাইয়া নাম ধরে ডাকছে আর ওকে
ম্যাম বলে ডাকে নাই।
এবং ও এই বাড়িতে ডোকার কারনে মিম এসে রবি ভাইয়াকে ৪ টা থাপ্পর দিছে।
মামি: দাড়াও আমি ওরটা এখন করতেছি।
আমি: প্লিজ মামি মিমকে কিছু বলিয়েন না।
ও এখনো ছোট ওর ততটা বুদ্ধি হয়নি এখনো।
মামি: তুমি চুপ করো আর গাড়িতে গিয়ে বসো আমরা আসতেছি।
আমি: আচ্ছা যাই।
নেহা: কালকে কলেজ যাবা ভাইয়া?
আমি: হুম যাবো তুমি ও আসি ও।
নেহা: হুম যাবো কালকে কলেজে। কথা হবে বাই।
আমি: বাই
বলেই আমি নিছের দিকে চলে আসলাম।
আর ও হ্যা আমরা যেই কলেজ এ পড়ি সেই কলেজের এই স্কুলে নেহা ক্লাস টেন এ পড়ে।
তাই তো আমরা সবাই মিলে
একসাথে বসে গল্প করি।
আমি গাড়িতে বসে আছি কিছুক্ষন পরে মামা মামি এবং মিম এসে গাড়িতে বসলো।
মিম আমার গাড়িতেই বসলো মামা মামি সামনের গাড়িতে বসলো।
আমি গাড়ি ছেড়ে দিলাম কিছু দুর যাওয়ার পর আমি নিজেই বললাম
আমি: স্যরি ম্যাম আমার ভুল হয়ে গেছে।
মিম: তুমি মাকে কি বলছো।
আমি: কই কিছু বলি নিতো।
মিম: তোমাকে যে থাপ্পর মারছি এটা কে বলছে মা কে?
আমি: আমি বলি নাই।
মিম: কে বলছে তাহলে?
আমি: নেহা বলছে।
মিম: মিথ্যা বলার জায়গা পাওনা, ও কেন বলবে?
আমি: যেটা সত্যি সেটাই বলছি।
মিম: ও আর যেন এমন ভুল না হয় আর হলে সোজা জুতা পিটা করবো
আমি: ওকে ম্যাম।
মিম: ওকে আর হ্যা নেহার সাথে এত কিসের কথা
আমি: কই কিছু নাতো।
মিম: গেছো থেকে কি কথা বললা এত
আমি: আমি তো কিছু বলি নাই সব তো নেহায় বলছে।
মিম: কি কি বলছে?
আমি: অনেক কথা সব বলা সম্ভব না।
মিম: তোমার জন্য দেখতেছি ওর দরদ
উতলে পড়তেছে ব্যাপার টা কি হ্যা
আমি: কিসের আবার ব্যাপার।
মিম: কিছু বুঝনা।
আমি: কি আবার বুঝি না আমি।
মিম: ও তোমাকে পছন্দ করে।
আমি: ভাই হিসাবে করতেই পারে।
মিম: ভাই হিসাবে না লাভার
হিসাবে পছন্দ করে।
আমি: হাহাহাহা হাসালেন ম্যাম আমাকে।
মিম: কেন এখানে হাসির কি হলো?
আমি: কারন নেহা আর একজন কার সাথে বর্তমানএ রিলেশন শিপ এ
আছে।
মিম: কে সে?
আমি: আমার ফ্রেন্ড শামিম এর সাথে।
মিম: ও ভালো।
আমি: হুম ম্যাম।
নামেন এখন আমরা বাসায় চলে আসছি।
আমরা সবাই মিলে বাসায় চলে গেলাম আমি ফ্রেশ হয়ে বিছানায় শুয়ে ফোন টিপতেছি এমন সময়
পাশের রুম থেকে শুনতে পেলাম মামির কন্ঠ।
মামি: ম্যাম সাজা হচ্ছে তাই না?
ম্যাম বলে ডাকতে হবে তোকে?
মিম: নিশ্চুপ
মামি: কেউ কাউকে এভাবে থাপ্পর মারে? ওর গালটা তো ফেটে গেছে।
মিম: নিশ্চুপ
মামি: আজ তুই এত বড় বড় গাড়িতে চড়ে বেড় হইতেছিস জানিস এগুলো
কার?
মিম: নিশ্চুপ
মামি: এগুলো সব তামিমের। তোর বাবার
কিছুই নাই সব টাকা পয়সা তামিমের।
ও যদি ইচ্ছা করে সব কিছুই এখনেই আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিবে
তাহলে সে পারবে।
তুই কি ভাবে পারলি ওর গায়ে হাত তুলতে?
তোর কি একটু ও হাত টা কাপে নাই ও কে মারার আগে?
ছিঁ ছিঁ আমি এত খারাপ মেয়ে কিভাবে জন্ম দিয়েছে ভাবতেই তো পাড়তেছি না।।
এই দিকে আমি তো মামির কথা শুনে থ হয়ে গেছি কারন আমি তো
যানতাম না যে এই সব কিছু আমার বাবার। যাই হোক আমার বাবার তাতে কি যে আমাকে ছোট থেকে
মানুষ করছে এই সব কিছু তাদের হক।
আমি এসব ভাবতে ভাবতে শুনতে গেলাম। মামি মিমকে মারতেছে।
আমি রুম থেকে দোড় দিয়ে গিয়ে যেয়ে মিমকে সরাই দিলাম।
আমি: মামি আপনি কি পাগল হইছেন নাকি
মামি: না বাবা ও ধিরে ধিরে
মাথায় উঠে যাইতেছে।
আমি: ও হয়তো বা বুঝতে পারে নাই ব্যাপারটা তাই থাপ্পর টা মারছে।
মামি: না বাবা তুমি সারো এখন দেখি ও আরো এরকম ভুল করবে নাকি।
আমি: মামি এভাবে কেউ কাউ কে মারে মিম তো এখনি মরেই যাইতো।
মামি: ও মরলে মরুক তাতে আমার কিছুই যায় আসে না।
আমি: হয়েছে যানতো আপনি এখন।
মামি কিছুক্ষন পরেই চলে গেলো আমি ও মিমকে রেখে আমার রুমে
চলে আসলাম।
এর দুইদিন পড়ে আমরা কলেজে গেলাম।
এই দুইদিন মিম আমার সাথে কথা বলে নাই।
কলেজ এ ২ টা ক্লাস শেষ হওয়ার পর আমরা সবাই মিলে কলেজের মাঠে
বসে গল্প করতেছি।
ওখানে আমরা মোটে ৮ জন আছি। আমি নেহা হাবিবা জয়া শামিম মারুফ রিপা আর শাহ আলম।
ওই খানে শুধু মিম এই নাই আমরা সবাই মিলে গল্প করতেছি। কোথা থেকে যেন মিম সরাসরি আমার
সামনে এসে আমাকে দাড় করিয়ে সবার সামনে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now