বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অয়ণি শহরে এসেছে পড়া-শোনা করতে কিন্তু এসেই একজনের প্রেমে পড়ে গিয়েছে এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়ে পরে! কিছুদিন ধরে তার শুধু শুধু বমি আসে আজ ডাক্তারের কাছে গেছে;
ডাক্তার: অয়ণি শুভেচ্ছা তুমি মা হতে চলেছো।
[অয়ণির মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরে এবং চুপচাপ রির্পোটগুলো নিয়ে হাসপাতাল থেকে হোষ্টেলে ফিরে আসে এবং ওয়াশরুমে গিয়ে মুখ দুয়ার সময় আয়নার দিকে তাকিয়ে আছে]
অয়ণি: ইয়া আল্লাহ! আমি এ কি পাপ করলাম। আমাকে ক্ষমা করে দিন। নিজের চেহারা আয়নাতে দেখতেই ঘৃণা করছে ছিঃ ছিঃ
আব্বু জানতে পারলে তো আমাকে জেন্ত কবর দেবে।
[বলেই আয়নাতে জোড়ে আঘাত করলো এবং আয়না ভেঙ্গে চুড়মাড় হয়ে গেল। অয়ণির হাত থেকে প্রচুর রক্ত ঝড়ছে]
তখনি ফোন বেজে উঠলো,,
বাহার: কিরে অয়ণি ফোন ধরছিছ না কেন?
অয়ণি: জলদি আমার রুমে আসতে পারবি প্লিজ (কাদতে কাদতে)
বাহার: কিরে তোর কি হয়ছে! আমি এক্ষণি আসছি!
[বাহার রুমে এসে দেখে অয়ণির হাত থেকে প্রচুর রক্ত ঝড়ছে। ও তাড়াতাড়ি ওর হাতে ব্যান্ডেজ করিয়ে দিল এবং নিজেও কাদতে লাগল]
বাহার: কিরে অয়ণি তোর এই অবস্থা কেন! কেউ কি কিছু করেছে
অয়ণি: আরে বোকা হাত কেটেছে আমার আর কাদছিস তুই! এটা কেমন কথা?
বাহার: জানিস ই তো তোকে ছাড়া আমার কোন ফ্রেন্ড নেই
[অয়ণি হেসে দিল]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now