বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি রাত,একটি মেয়ে,কিছু স্মৃতি,,

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sahida Akter Sumi(guest) (০ পয়েন্ট)

X কোন এক ছুটিরদিনে,,,, নিঃস্বার্থ বাতাস,বারান্দার গ্রিলের ফাকে আকাশের দিকে চেয়ে থাকা,আর সেই প্রশ্নের উত্তর খুজা"কেন নিজে ফেঁসে আজ আমাদের ও ফাঁসিয়ে দিলে,,,,? আজো যেন সেই রাত,সেই বাতাস,সেই একই আকাশ,আর সেই মেয়েটি জিবনের হিসেব মেলাচ্ছে, পার্থক্য আস্তে আস্তে প্রিয় কিছু মানুষের বন্ধন থেকে মুক্তি নিয়েছে আজ রাতটা শুক্রবার।এভাবে কত শুক্রবার কত কিছু হারিয়ে যায় জীবন থেকে। একসময় হয়ত সবার কাছে ভালো ছিল আজ খারাপ।সবার কাছে নিজেকে এমনভাবেই প্রকাশ করে সবাই যেন বুঝে নেয় সে সার্থপর।কিছু সত্য আজানাই থেকে থাক সবার কাছে। সবার কাছে স্বার্থপর,পাষান হওয়ার মাঝে মেয়েটি অনুভব করে অই অহংকারীদের অন্তর, বুঝতে চায় কোন পৈচাশিক শান্তি পায় তারা অন্যককে কষ্ট দিয়ে,,,,, ভাবছেন পাগল। আসলেই কেমন সেই হিসেব টা আজ মেলাতে পারেনি। এই অমানুষদের ভীড়ে থাকতে থাকতে নিজেকে এখন মানুষ বলে মনে করে না।মানুষ হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও বার বার মেয়েটি ব্যর্থ,,,, সপ্তাহের অন্য দিন গুল ব্যস্ততার মাঝে ঠিকই থাকে।আর এই ছুটির দিনটা বড্ড বেশি বেসামাল করে দেয়।হিসেব মেলানোর জন্য নিয়ে যায় সেই অতীতের দিনগুলোতে।পাওয়া না পাওয়া নিয়ে ভাবনায় ফেলে দেয়।হাজারো প্রশ্ন খেলা করে মনের মাঝে। জানতে ইচ্ছে করে, ১৯৯৯ সালে অবহেলার মাঝে জন্ম নেওয়া মেয়েটি কিছু অমানুষদের অত্যাচার এ জন্মের পর পরই মরে যাচ্ছিল তখন কেন আল্লাহ বাচিয়ে দিল??? কেন কুলে উঠার চিন্তা না করে ভাল রাখার জন্য কেউ তাদের নিয়ে অথৈ সাগরে ঝাঁপিয়ে পড়ল, যেখানে সাতার কাটতে কাটতে আজ সে ক্লান্ত,আর তাদের সাতার কাটানো শিখিয়ে দিয়ে যেন তার কাজ শেষ।এবার নিজেই নিজেই সাতার কাটুক সবাই। কুলের ঠিকানা একমাত্র আল্লাহর কাছে,,, আচ্ছা আল্লাহ নারীদের এত মর্যাদা দিয়েছে তাও এই সমাজে কেন মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়া অপরাধ,,,,?? এরকম কত শত প্রশ্ন করে যায় রবকে।উত্তর গুল যে তিনি ছাড়া কেউ দিতে পারবে না। তাও কেন যে জিবনের হিসেব মেলাতে মাঝে মাঝে বড্ড ইচ্ছে হয়। যেখানে আল্লাহ যা করে বান্দার ভালোর জন্যই করে।সব কিছুর পিছনে উত্তম কিছু থাকে।সেই উত্তম কিছুর আশায় থাকাই সবার কাজ। চিন্তার ঘোরে থেকে পিরে প্রশ্ন গুলো রবের দরবারে জমা দিয়ে চোখের পাতা গুলো এক করার চেষ্টায় এবার ব্যস্ত মেয়েটি,ক্ষণিক পরেই যে মোয়াজ্জিনের আজান বলে দিবে ভাবনার সময় শেষ ব্যস্ততার দিন শুরু হয়ে গেছে,,, আবার কোন এক ছুটির দিনে,কোন এক শুক্রবার এ,সেই বাতাস,সেই আকাশ,সব থাকবে হয়ত থাকবে না হয়ত মেয়েটি হারিয়ে যাবে এই প্রকৃতি,এই পৃথীবি থেকে।তখন পার্থক্য এটাই হবে,,,, কিন্তু তখনো হয়ত এই অহংকারী হৃদয় গুলোর কিছুই যাবে আসবে না।একটাবার ও আপসোস করে বলবে না জন্মের পর থেকে মেয়েটাকে শুধুই কষ্টই দিয়ে এসেছি, কোনদিন হাসাতে পারিনি। আসলে এরা এমনি।এভাবেই এদের আল্লাহ সৃষ্টি করেছে। এদের ফাদে আল্লাহ যাদের ফাঁসিয়ে দেয় তাদের জীবনের রংটা তিনি ছাড়া আর কেউ চিনে না যে,,,,,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now