বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পিচ্চি হবু বউ-শেষ পর্ব

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mehedi Hasan Shakil (০ পয়েন্ট)

X রাহসান দৌড়ে গিয়ে ওদের বাসায় গিয়ে দেখে সব ভেঙে ফেলছে। রাহসান গিয়ে থামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু হঠাৎ রাগে রাহসান কে মাথায় কিছু একটা দিয়ে মারার কারণে কপালে এক পাশে ফেটে যায়। রাহসান কিছু না বলে চলে আসে। . সামিয়া দৌড়ে গিয়ে ওদের রুমে ঢুকার আগেই রাহসান দরজা বন্ধ করে দেয়। মেঝেতে পরে থাকা প্রতিটা রক্তের ফোটা বলে দিচ্ছিল রাহসানের অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে। সামিয়া কাঁদতে কাঁদতে তাদের রুমে চলে যায়। . ৭দিন হয়ে গেল সামিয়া রাহসান দের বাসায় যায় না। রাহসান এর কপাল ফাটিয়ে দিয়েছে বলে রাহসান যদি মারে। কিন্তু আজ সাহস করে রাহসানদের বাসায় যাবে। কিন্তু বাসায় গিয়ে দেখে দরজা নক করা। মনে হচ্ছিল তারা বাসা ছেড়ে চলে গেছে। . সামিয়া দৌড়ে রুমে গিয়ে রাহসান কে ফোন দেয়। কিন্তু ফোন সুইচ অফ। রাহসান এর আম্মু কে ফোন দেয় কিন্তু ফোন ধরছিল না। পরে জানতে পারে রাহসান কে সেদিন হসপিটালে নেয়া হয়েছিল। খুব রক্ত ক্ষরণ হচ্ছিল কিছুতেই রক্ত বন্ধ করা যাচ্ছিল না। আর ঐ হসপিটালে থেকে জানতে পারে রাহসান এর বিদেশে একটা ভালো ভার্সিটি থেকে স্কলারশীপ পেয়েছে। . হসপিটাল থেকে তাদের গ্রামে গিয়ে মা কে রেখে আসে আর রাহসান বিদেশ চলে যায়। . সামিয়া সেদিন খুব কেঁদেছিল কিন্তু ফেসবুকে একটা মেসেজ দেখে একটু হলেও সান্ত্বনা পেয়েছে। . ২ বছর পর... . -- মা পিচ্চি টা আমাকে নিতে আসল না? -- ওকে খুজলাম বাসায় কিন্তু পেলাম না। -- ও কেমন আছে? মা -- ভালো আছে হয়তো। তবে তুই চলে যাওয়ার পর শুনেছি মেয়েটা অনেক কেঁদেছে। তাই হয়তো এখনো তোর উপর রাগ করে আছে। --কিছুই করার ছিল না আমার,, এতো অল্প বয়সে ওসব আবেগ ছাড়া কিছুই না। এখন দেখেছ মেয়েটা নিজেকে গুছিয়ে নিতে শিখেছে। মেডিকেল কলেজে পড়ে। -- হুম। . হঠাৎ পিছন থেকে.. -- কি রাহসান সাহেব আপনি কি মনে করেছেন আমি এয়ারপোর্ট এ আসব না? ( সামিয়া) -- যাক ভালোই হলো। তো আসলে কার সাথে? -- আমার বিএফ এর সাথে। ওর বাইকে করে। -- ও আচ্ছা। মা গ্রামে যে সামিয়ার থেকে একটা খুব সুন্দর মেয়ে দেখেছিলাম ঐ মেয়ের কি বিয়ে হয়ে গেছে? -- না মনে হয়। আইচ্ছা খোঁজ নিয়ে দেখছি। ( মা) -- ঐ তোমরা মা ছেলে মিলে অন্য মেয়েকে বিয়ে করার ষড়যন্ত্র করছ না কি?( সামিয়া) -- তোমার যখন সব হয়ে গেছে তো তোমার মতো পিচ্চি কে কি করে বিয়ে করব? ( রাহসান) . -- ঐ আমি এখন আর পিচ্চি নেই,, আর আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করলে মা ছেলেকে মেরে ফেলব। আর আন্টি আপনি তো আগে ওর পিছে পরে থাকতে বলছেন আর এখন আপনিও ছি। . -- ঐ মেয়ে তুই তো আমার ছেলেরই পিচ্চি বউ হবি রে পাগলী। (মা) . -- সত্যি মা। ঐ শালা এদিকে আয়। (সামিয়া) ( বাইকের মামাতো ভাইকে লক্ষ করে) -- ঐ ফাযিল মেয়ে শালা তো আমার তোমার কেমনে। ( রাহসান) -- ঝগড়া বাদ দিয়ে বাসায় চল। বিয়ের আয়োজন করতে হবে তো। (মা)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now