বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমাদের জীবনটাই অন্যরকম নাম্বার টু(শেষ ৮)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Jahan (০ পয়েন্ট)

X আমি চিঠিটা পড়ে বললাম,"বাহ।সুন্দর তো।ঘুমের যদি এমন ব্যবস্থা না নয় ওরে দেখে নিব।" ইশিকা বলল,"নিস।ভালো করে দেখে নিস।" "আমি যাই।" আমি বের হলাম।সাদ ভাইয়ার সাথে দেখা হলো।বললাম,"কি শুনলাম ভাইয়া?" "কি শুনলে?" "হুমম।কি শুনলাম?" "আরে কি শুনলে?" "আপনি বলে।" "আমি কি?" "আপনি বলে আজকে ভার্সিটিতে গেসিলেন।" "ওহ।এই কথা।হ্যা গিয়েছিলাম।তা এভাবে বললে কেন?" "এমনি।" আমি আবার চলা শুরু করলাম।দেখলাম শাকিল আর সাইদ।আমার তখন মনে হলো শাকিল তো আমার পায়েল নিয়েছিল।তারপর আর দেয়নি।আমি খুঁজেও পেলাম শাকিল দিলোও না।আমি শাকিলের কাছে যেয়ে বললাম,"দে।দে বলছি।" শাকিল বলল,"কি দিবো?" "আমার পায়েল দে।" "তোর পায়েল?আমি তো জানি না।" "শয়তান আমার পায়েল দে।" "আরে আমি কি করে জানবো?" সাইদ বলল,"হ্যা শাকিল কি করে জানবে?" আমি সাইদকে বললাম,"তুমি চুপ করো।দে ভালো করে বলছি দে।" "আরে আমি নেয়নি।" আমি শাকিলের শার্টের কলার চেপে ধরলাম।বললাম,"দে শাকিল।" "ঝাল চা খাওয়ালি ক্যান?" "এই ঝাল চার জন্য আমার পায়েল লুকে রেখেছিস?" আমার খুব রাগ উঠছে ।শাকিলের কলার এখনো ছাড়িনি।সজিব ভাইয়া এদিক দিয়ে যাচ্ছিল।এ অবস্থা দেখে বলল,"হায়রে এমন ভাবে কলার চেপে ধরছ কেন?" "আগে আমার পায়েল দিবে।তারপর ছেড়ে দিবো।" "হুমম ভালোই।মারামারি করো এখন।" "ইচ্ছেতো তাই করছে।" সজিব ভাইয়া চলে গেলো। শাকিল বলল,"তোকে রাগ করলে সুন্দর দেখা যায়।" "দে বলছি।" শাকিল পায়েল বের করে বলল,"নে।আমাকে ছাড়।" আমি শাকিলকে ছেড়ে দিলাম আর পায়েলটা নিলাম।পরদিন বিকেলে মাঠে সবাই আছি।এই গল্পে যাদের যাদের নাম বললাম তারা সবাই মাঠে।বৃস্টি হয়েছে।কোনো কোনো জায়গায় পিচ্ছিল হয়ে আছে আবার কাদাও আছে।আমি,নওশীন,সায়মা,জারিন রামিশা একসাথে হাত ধরে ঘুরতেছি।আমি সায়মা আর নওশীনের হাত ধরেছি।জারিন পড়ে গেলো।সাথে রামিশাকে ধরলো রামিশাও পড়ে গেলো।রামিশা আবার সায়মাকে ধরলো।সায়মার আমাকে আমি নওশীনকে ধরলাম।সবার কাদার মধ্যে পড়ে গেলাম।দেখে সবারই মুখে হাসি।আমরাও হাসিতেছে পড়ে যাওয়ার পরেও।সত্যিই যদি এমন জীবন হতো আমি খুব খুশি হতাম।কিন্তু বর্তমানে আমার যে জীবন তাতেও আমি খুশি।বিশেষ করে স্কুলে গেলে।আড্ডা দেওয়া হাসাহাসি করা হয়।আবার পড়াশোনাও হয়। সমাপ্ত লেখিকা:ইসরাত জাহান ইভা


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now