বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাজ্যের ক্ষিধে পেটে । পৌনে বারোটায় পুলিশের গাড়িটাকে পাত্তা না দেওয়ার ফলাফল হাতেনাতেই পেয়ে যায় ইরিনা ।
ঘ্যাচ করে ব্রেক কষে লাফিয়ে নামে অফিসার । পেছনে বসে থাকে চার কনস্টেবল ।
‘কোথায় যাওয়া হচ্ছে?’ জলদগম্ভীর কন্ঠে বলে মোটাসোটা পুলিশ অফিসার ।
‘নান অফ ইয়োর বিজনেস ।’ ক্ষুধার চোটে মেজাজ ঠিক রাখা সম্ভব হয় না ইরিনার পক্ষে ।
‘স্মার্ট মাল, অ্যাঁ?’ তরল কন্ঠে বলে পুলিশ । ‘এলাকায় নতুন মনে হচ্ছে । কার হয়ে কাজ কর ?’
‘আমি কারও হয়ে কাজ করি না ।’ ভাববাচ্য থেকে পুলিশ অফিসারের সরাসরি ‘তুমি’-এ নেমে যাওয়া দেখে পরিস্থিতি আঁচ করে কিছুটা ।
‘বাহ ! তা – এ লাইনে নতুন বলেই বুঝতে পার নি, সুন্দরী । আমাদের রাস্তায় ব্যাবসা করবা ভাল কথা । কিন্তু রাস্তা যে আমরা পরিষ্কার রাখছি – সেটা কিন্তু ফ্রিতে না । দিনে কত করে দিচ্ছ সেটা ক্লিয়ার কর এখানে নাহয় থানার দরজা খোলায় আছে । গাড়িতে ওঠো ।’
বিষয়টা স্পষ্ট হয় ইরিনার কাছে । পতিতা বলে তাকে সন্দেহ করা হয়েছে । ঘাবড়ায় না ও মোটেও । মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে চোখ টিপ দেয়, ‘দেনা-পাওনার হিসেবটা কি এদের সামনে না করলেই নয়?’ ইঙ্গিতে গাড়িতে বসে থাকা কন্সটেবলদের দিকে দেখায় ও।
ইরিনার চোখের দিকে তাকিয়ে ঢোক গেলে পুলিশ অফিসার । এরকম সুন্দরীকে এ লাইনে আসার উদাহরণ কমই দেখেছে সে ।
‘তোমরা আরেক রাউন্ড দিয়ে এসে আমাকে এখান থেকে উঠিয়ে নিও ।’ হাতের ইশারায় ড্রাইভারকে কেটে পড়তে বলে অফিসার।
রাতের অন্ধকারে মিশে যায় ইরিনা আর অফিসার ।
আড়াল পেয়েই শিকারের গলা লক্ষ্য করে ঝাঁপিয়ে পড়ে ইরিনা । ক্লোরোফর্ম ব্যাবহারের কথা মাথায় থাকে না আর ।
তিনদিনের ক্ষিধে পেটে পাগলের মত রক্তও টেনে চলে । মিনিট পাঁচেক পর রক্ত আর আসে না মুখে ।
তবুও টানে ইরিনা ।
পায় না কিছুই ।
পালস চেক করে থমকে যায় । নেই ।
শিকারের রক্ত খেয়ে একেবারে মেরে ফেলার ঘটনা সেটাই প্রথম ছিল ।
চলবে...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now