বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্পটা রমজান আলী ভূতের

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান R.H (dangeor-virus) (০ পয়েন্ট)

X কিছুদিন আগে গ্রামে গিয়েছিলাম দূর সম্পর্কের এক চাচাতো বোনের বিয়েতে। বিয়ের ৪ দিন আগের এক রাতের কথা। রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ছাদে এসে বসে ছিলাম একা। ইলেক্ট্রিসিটি নেই আশপাশ বেশ অন্ধকার ' আমি একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে দাঁড়িয়ে আছি ছাদের এক পাশে। রাত হবে ১ টা। বাবা মা সবাই ঘুমে। আমার আর ঘুম আসছে না তাই ' ছাদে হাটাহাটি করছি আর সিগারেটে আগুন লাগিয়ে খাচ্ছি। - - গ্রামের রাত ' আশপাশ নীরবতায় ছেয়ে গেছে। কোথাও কোন মানুষ নেই। দূরে ঐ জঙ্গলের দিক থেকে জোনাকি পোকার আলো দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকটা ঝিঁঝিঁ পোকার ডাকও ভেসে আসছে সেখান থেকে। আকাশে চাঁদ নেই। আছে অনেক তারা। মাঝেমধ্যে দমকা বাতাস দিচ্ছে আর আমি সেই বাতাস গায়ে লাগিয়ে সিগারেট খাচ্ছি। খুবই ভালো লাগার মতন পরিবেশ। তো আমি দমকা বাতাস গায়ে লাগিয়ে লাগিয়ে ' একটা সিগারেট শেষ করে যখন আরো একটা সিগারেটে আগুন লাগাচ্ছিলাম তখনি আমার চোখে পরল একটা কালো ছায়া। হঠাৎ এমন ছায়া দেখে আমি চমকে গিয়ে সিগারেট মুখ থেকে হাতে নিয়ে " ভয় পেয়ে পেয়ে একটু ভালো করে তাকালাম ছায়ার দিকে। একটু ভালো করে তাকাতেই আমার মনে হলো এটা কোন ছায়া না। কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে অন্ধকারের মাঝে!! - - আমি ভূতে তেমন একটা ভয় পাইনা । তবে এই অজানা ছাদে একা রাতে থাকাটা ঠিক হয়েছে কিনা তা আমি জানি না । আমি মোমবাতি হাতে নিয়ে আস্তে করে বললাম ' কে কে ওখানে। কোন উত্তর আসলো না। আমি আবার বললাম ' কে কে ওখানে?কিন্তু কোন উত্তর পাচ্ছি না। আমি যখন আবার বড় গলায় জিজ্ঞেস করলাম " কে কে ওখানে? তখনি একজন কালো শুকনো লোক অন্ধকার থেকে বের হয়ে এসে বলল ভাইজান আমি রমজান আলী। আমি লোকটার কথা শুনে চমকে গিয়ে ভয় মাখা চোখ নিয়ে তাকিয়ে থাকলাম লোকটার দিকে। লোকটা খালি গায়ে লুঙ্গি পড়ে আছে। চুল এলোমেলো - দেখতে বেশ একটা কালো। ওজন ৩০ কেজি হবে কিনা বলা যাচ্ছে না ! আমার এমন ভাবে তাকানো দেখে লোকটা বলল ' ভাইজান ভয় পাইয়েন না। আমি তখন লোকটার কথা শুনে ভয় পেয়ে পেয়ে বললাম " আরে আমি কাউকে ভয় পাইনা। কে আপনি? থাকেন কোথায়? এত রাতে এখানে কি করেন? লোকটা আমার প্রশ্ন শুনে এক বড় নিশ্বাস ফেলে বলল ' ভাইজান আমি রমজান আলী ভূত। মারা গেছি ৫০ বছর আগে। থাকি এই গ্রামেই - দিনে ঘুমাই বট গাছের ডালে আর রাতে বের হই বেড়াতে । আমি লোকটার এমন অদ্ভুত কথা শুনে চোখ বড় বড় করে বললাম ' ভূত মানে? লোক ' ভাইজান ভূত মানে কি আমি জানি না। জীবিত থাকতে স্কুলে যাইনি। তাই বিদ্যা বুদ্ধি তেমন একটা নেই আমার। আমি রমজান আলী ভূতের এমন কথা শুনে কপাল ভাজ করে বললাম ' আরে ভূত মানে আপনাকে জানতে হবে না। আপনি এইটা বলেন আপনি কি সত্যি ভূত? ভূত হওয়া ভাল কথা ' তবে আপনি কি মানুষের ক্ষতি করেন? মানে আপনি কি ভালো ভূত না খারাপ ভূত? - - আমার কথা শেষ হবার আগে - রমজান আলী ভূত গালে হাত দিয়ে বলল ' তওবা তওবা! ভাইজান এইডা আপনে কি কন? আমার চৌদ্দপুরুষের মাঝে কেউ খারাপ ছিল না। জীবিত থাকতে ভাল ছিলাম ' এখন ভূত হয়ে ও ভাল আছি। রমজান আলীর কথা শুনে এখন আর আমার মাঝে তেমন একটা ভয় কাজ করছে না। অনেকক্ষণ থেকে ছাদে হাটাহাটি করছি তাই পায়ে অল্প অল্প ব্যথা করছে। আমার পাশে একটা চেয়েরা আছে। রাতে হয়তো কেউ ছাদে আসে বসে তাই ছাদে চেয়ারেরও ব্যবস্থা আছে। আমি চেয়ারে বসে আছি। ভূত ভাই আমার সামনে মাটিতে বসে আছে। আমি সিগারেট মুখে দিয়ে বললাম ' সিগারেট খাবে? ভূত " যে না ভাইজান। ভূতেরা সিগারেট খায় না। আমি বললাম " তো ভূতেরা কি খায়? ভূত " বাতাস খায় ভাইজান। বাতাস খেয়েই রাত চলে যায়। তবে মাঝেমধ্যে কাঁচা মাছ খাই - সাথে লবন থাকলে ভালো হয়। একবার কাঁচা মাছের সাথে লবন দিয়ে খাচ্ছিলাম এক বাড়ির রান্নাঘরে ঢুকে। মাছ অর্ধেক খাওয়া শেষ ঠিক তখনি বাড়ির এক মেয়ে রান্নাঘরে এসে হাজির!! আমি ' তারপর? ভূত ' তারপর আর কি ভাইজান। আমারে দেইখা মেয়েটা চিৎকার করে মাটিতে পরে জ্ঞান হারালো । আমাকে তখন মাছ নিয়ে পালাতে হলো। চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ এসে মেয়েটাকে ধরাধরি করে বিছানায় নিয়ে গেল। ডাক্তার আসলো। মেয়েটা ৩ দিন বিছানায় পরে ছিল। মেয়ের বাবা এক কবিরাজকে খবর দিলেন ' কবিরাজ এসে ঘরবাড়িতে পানি পরা দিয়ে গেল। এখন কন ভাইজান এই মেয়ে মানুষের জ্বালায় কি বাঁচা যায়? গিয়েছিলাম মাছ খেতে - আর কিসের মদ্ধে কি হয়ে বসে আছে। আচ্ছা আমি কি বলেছিলাম ভয় পেয়ে জ্বর বাধিয়ে বিছানায় পরে থাকতে? - - আমি রমজান আলী ভূতের কথা শুনে ' ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছি ওর দিকে। তারপর পকেট থেকে ফোন বার করে টাইপ করতে থাকলাম ভূতের জীবনী। আর মনে মনে চিন্তা করতে থাকলাম ' এই ভূতের গল্প লিখে আমি হয়ে যাব লেখক কবি সাহিত্যিক । আহ কত নামডাক হবে চারিদিকে আমার - বই মেলাতে হাজার হাজার বইয়ের কপি কিক্রি হবে আমার। আমার বইয়ের নাম হবে [ গল্পটা রমজান আলী ভূতের ] । বাবা আমায় প্রায় বলেন আমাকে দিয়ে নাকি কিছু হবে না! আমি নাকি বলদ ' মাথায় কিছু নেই আমার!! বাবার কথা শুনে প্রায় আমার রাগ হয়। তবে এই সুযোগ। এবার ভূতের গল্প লিখে সোজা হয়ে যাব লেখক কবি সাহিত্যিক । লেখক কবি সাহিত্যিক রহমান হাসান P D F G H I সাথে নানান ডিগ্রি। আমি ফোন হাতে চিন্তা করছি তখনি রমজান আলী ভূত বলল ' ভাইজান কি কিছু চিন্তা করছেন? আমি রমজান আলী ভূতের কথা শুনে চিন্তা থেকে বের হয়ে এসে বললাম ' আরে না তেমন কিছু না। আচ্ছা রমজান সাহেব একটা কথা বলুন তো আমায়। আমার কথা শুনে রমজান কান্না করতে লাগল। হঠাৎ আমি ভূতের এমন কান্না দেখে চমকে গিয়ে বললাম ' আরে কান্না করেন কেনো? কি হয়েছে! ভূত ' না ভাইজান। আজ পর্যন্ত কেউ আমায় এত সম্মান দিয়ে কথা বলে নি। আর আপনি আমায় সাহেব বললেন। তাই সুখে কান্না করছি। আমি রমজান আলীর কান্না দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে তাকিয়ে আছি আর পকেট থেকে বের করে টিসু দিচ্ছি। ১০ মিনিট পর রমজান সাহেবের কান্না শেষ হলো আর আমি আমার কাজ শুরু করলাম। ভূত সম্পর্কে নানান কথা জিজ্ঞেস করতে লাগলাম ওকে। এই যেমন : ভূত খায় কি? কোথায় ঘুমায়? ভূতের কি বিয়ে হয়? ভূত মানুষকে ভয় দেখায় কেন? ভূতেরা কি প্রেম করে? ভূত কত প্রকার হয়? ভূত হবার সহজ উপায় কি? ভূত হয়ে কেমন লাগে - এই সেই আবিজাবি। প্রশ্ন পর্ব শেষ করতে করতে হয়ে গেল গভীর রাত। আজ আর পারছিনা লিখতে - অনেক ঘুম পাচ্ছে আমার। এবার ঘুমাতে হবে। আমি চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে বললাম ' রমজান সাহেব আজ আসি কাল আবার দেখে হবে। রমজান আলী তখন উঠে গিয়ে বলল ' আচ্ছা ভাইয়ান। তবে ভাইজান আমার কথা আবার কাউরে কইয়েন না। কইলে আমার ক্ষতি হবে। আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে। আমি চলে যাচ্ছি তখন রমজান আলী পেছন থেকে ডাক দিয়ে বলল ' ভাইজান একটা কথা বলি? হ্যাঁ বল। ভাইজান আপনার পরনে শার্ট খানা খুব সুন্দর। আমি রমজান আলী ভূতের কথা শুনে বুঝতে পারলাম শার্ট ওর অনেক পছন্দ হয়েছে। তাই আমি শার্ট খুলে ওর হাতে দিয়ে বললাম এটা তুমি রেখে দাও ' আর কালকে রাতে মনে করে এসো। কালকে তোমায় কয়েকটা প্যান্ট ও দিব। ভূতেরা এমন ছেড়া লুঙ্গি পরে থাকবে? বিষয়টা খারাপ দেখায় না। - - আমি রমজান আলীর সাথে কথা বলা শেষ করে ছাদ থেকে নিচে নেমে দেখি বাবা বারান্দায় হাটাহাটি করছেন। বাবার আবার রাত জাগার অভ্যাস আছে। বাবা আমাকে দেখে বললেন ' কিরে খালি গায় এত রাতে ছাদে কি করিস। আমি বাবার দিকে কপাল ভাজ করে তাকালাম - আর মনে মনে ভাবলাম আমি এখন লেখক মানুষ। জীবনে অনেক কথা শুনিয়েছ আমার কিন্তু আর না। আমি বাবার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ভাব নিয়ে নিয়ে রুমে চলে আসলাম চুপ করে। বাবা তখন পেছন থেকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছেন আমার দিকে। আমার এখন অনেক কাজ। ফোনের সব লিখা ' সুন্দর করে সাজিয়ে খাতায় লিখতে হবে। তারপর আবার ভালো কোন বই প্রকাশনীর সাথে কথা বলতে হবে। বই মেলা তো বেশ একটা এগিয়ে এসেছে। সকাল বেলা সব কাজ করতে হবে ' এই চিন্তা করে ঘুমিয়ে গেলাম বিছানায় মাথা রেখে। সে এক গভীর ঘুম। মনে হচ্ছে আমি ঘুমের সাগরে ভেসে বেড়াচ্ছি কেউ নেই আমার পাশে। - - আমি যখন ঘুমের সাগরে জাহজ নিয়ে ভেসে বেড়াচ্ছি তখনি হঠাৎ করে আমার জাহাজ ধাক্কা খেলো কোন কিছুর সাথে। ধাক্কা খেয়ে আমি কাঁপুনি অনুভব করছি। কে যেন আমায় হাত দিয়ে ধাক্কাছে। ধাক্কা খেয়ে খেয়ে আমার ঘুম ভেঙে গেল হঠাৎ করে। আমি চোখ খুলে দেখি সকাল হয়ে গেছে। ছোট বোন আমায় ধাক্কাছে আর বলছে উঠ ভাইয়া উঠ। আমি ঘুম চোখে বোনের দিকে রাগ করে তাকিয়ে বললাম ' একজন কবি মানুষকে ধাক্কাচ্ছি! বেয়াদব। আমার কথা শুনে ছোট বোন রাগ করে তখন বলে ' কিসের কবি। পাগল!! বাবা নিচে যেতে বলছে তোকে এখনি। আমি বললাম ' আরে কি বললি আমি পাগল? বেয়াদব ফাজিল। আমার কথা শুনে ছোট বোন পাগল পাগল বলে ডেকে দৌড়ে চলে গেল নিচের দিকে। আজ কালকের ছোট ছোট বাচ্চারা ও এত বেয়াদব হয়েছে। কি বলল। আমি ঘুম চোখে হেটে হেটে চলে গেলাম নিচে উঠানে। বাবা চাচা আরো অনেক মানুষ দেখি ওখানে। চাচা আমায় দেখে বললেন ' দেখো তো বাজান এই শার্ট টা তোমার কি না। - - আমি চাচার কথা শুনে যেমনি তাকালাম শার্টের দিকে তখনি আমার চোখ কপালে। দেখি রমজান আলী ভূতকে সবাই বেধে রেখেছে পিলারের সাথে। আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দাঁড়িয়ে আছি। চাচা আবার বললেন ' বাজান শার্ট কি তোমার? আমি তখন আস্তে করে বললাম ' জ্বি আমার। আমি মনে মনে বললাম ' গ্রামের মানুষ করেছে কি ভূত বেধে রেখেছে!! আমি এই কথা চিন্তা করে করে যখনি বলতে যাব এটা আপনারা করেছেন কি? ঠিক তখনি পাশ থেকে এক বয়স্ক লোক বলে উঠলেন ' হারামজদা ঠিক হবে না। এই বেটা রমজান আলী চোর। গ্রামের চোরেদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ চোর। হালায় - মাইনষের হাস মুরুগ জামা কাপড় চুরি করে। এই বাড়িতে বিয়ে তাই এখানে এসেছে চুরি করতে। - - আমি লোকেদের এমন কথা শুনে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দাঁড়িয়ে আছি চুপ করে। বাবা আমার দিকে তাকিয়ে বলছেন ' তোর শার্ট চুরি করল কি করে? বাবা আমায় জিজ্ঞেস করছেন কিন্তু আমি উত্তর দিতে পারছি না ' চুপ করে দাঁড়িয়ে আছি সেখানে। আমাকে চুপ দেখে পাশ থেকে চাচি বললেন ' কাল রোদে শুকাতে দিয়েছিলাম তখন হয়তো চুরি করছে। চাচির কথা শুনে চাচা বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে আছেন রমজান আলী ভূতের ' সরি চোরের দিকে। আমি তখন রমজান আলীর দিকে তাকিয়ে আছি ড্যাব ড্যাব করে। রমজান আলী আমার তাকানো দেখে বলছে - ভাইজান প্যান্ট কি এখন দিবেন " না আমি মাইর খাইয়া যাবার সময় নিয়া জাইমু? রমজান আলীর কথা শুনে আমি হা!! চাচা ওর কানের নিচে থাপ্পড় দিয়ে বলছেন - ওরে হারামজাদা তুই ঠিক হবি না । কান ধরে উঠবস কর। উঠবস কর। রমজাম আলী তখন মুচকি হেসে উঠবস করছে চুপ করে। আর আমি বাকরুদ্ধ হয়ে হেটে যাচ্ছি রুমের দিকে। আর চিন্তা করছি আমি আর বলদ থেকে মানুষ হতে পারলাম না। কি খেলে মাথায় একটু বুদ্ধিশুদ্ধি হবে তাও আমি জানি না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now