বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
{৩য় পবের পর...} রাত ১১টা...রতনের মা ঘরে একভাবে শুয়ে আছে।কিছুক্ষণ পর পর নিজের ওরনা দিয়ে চোখের জল মুছছে।পাশে মা মা বলে কাঁদছে রতনের ছোট বোন।ঘরের অন্যপাশে বসে জীবনে পাওয়া-না পাওয়া মিলাচ্ছে রতনের বাবা।অন্যদিকে নিজের ঘরে পড়ার টেবিলে বসে হিসেব মিলাচ্ছে রতন।একটু পর খাতা নিয়ে কিছু একটা লেখার চেষ্টা করছে।কিছুক্ষণ পর কাঁদতে কাঁদতে রতনের ঘরের দিকে আসতে লাগলো তার ছোট বোন হিমি।হয়তো ভাইয়াকে এসে বলবে 'ভাইয়া আম্মুকে কাঁদতে মানা করো।'....রতনের দরজায় এসে "ভাইয়া" বলে জোরে চিৎকার দিলো হিমি।তার চিৎকার শুনে তড়িঘড়ি করে ঘর থেকে বেরোতে লাগলো রতনের বাবা-মা।তারা বেরোনোর আগেই হিমি দৌড়ে তাদের দরজায় এসে বললো "মা,ভাইয়ার মুখ দিয়ে ফেনা বেরোচ্ছে।ভাইয়া মেঝেতে পরে আছে।" হিমির কথা শুনে দৌড়ে রতনের ঘরে গেলো তার বাবা মা।গিয়ে টেবিলে ১টা গ্লাস,১০টি ট্যাবলেটের খোসা আর চিরকুট পেলো... চিরকুটটা যে সুইসাইড নোট সেটা বুঝতে বাকি রইলো না।তাই সেদিকে খেয়াল না দিয়ে দ্রুত ছেলেকে কোলে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়লো রতনের বাবা।কাঁদতে কাঁদতে তার পিছন পিছন চলতে লাগলো হিমি ও তার মা।অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষায় না থেকে সিএনজি তে করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলো রতনকে।** চলবে....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now