প্রেম কাহিনী
X
প্রেমনেশা♥
Vubon Islam rakib
#Part_10
হিম ডাইনিং এ বসেই ঠাস করে একটা আওয়াজ পেলো,
নিজের রুমে দেখতে গিয়ে দেখলো তিশা দাঁত বের করে হাসতেছে
তিশা-তোমার ফোন খুঁজে ভেঙে ফেলছি????
হিম-তোমার রাগ হলে যে ৫টা ফোন ভাঙো সেটা আমি জানি,তাই রেপলিকা ১টা নয় ২টা আনছিলাম,
তিশা-what!!এটাও রেপলিকা?
তিশা রেগে হিমের চুল ধরে টানতে লাগলো,
হিমের আগের তিশার হাবভাব মনে পড়ে গেলো,
হিম তিশার দিকে তাকিয়ে থাকলো,তিশা চুল টানতেই আছে,
একটা সময় হিম তিশার কোমড়ে হাত দিতেই তিশা চমকে উঠে হিমকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিলো,তারপর বেরিয়ে গেলো রুম থেকে
হিম খাবার খেয়ে ছাদের দিকে গেলো,আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে,
তিশা মুখ গোমড়া করে খাটে বসে আছে,
তিশা জানে হিম ওকে খুব ভালোবাসে, কিন্তু তিশা ভালোবাসে না,
তিশা বারান্দায় দাঁড়ালো,
হিম ফুল গাছ থেকে একটা কাঠগোলাপ নিলো হালকা বৃষ্টি শুরু হয়সে,
হিম ফুলটি ছিঁড়ে উড়িয়ে দিলো,
তিশা বৃষ্টির পানি ধরার জন্য হাত এগিয়ে ধরেছিলো,
পাপড়ি গুলা গিয়ে তিশার হাতে পড়লো,
তিশা-ওমা,এটা আসলো কই থেকে,এই ফুল তো হিমের গাছের,
হিম বাসায় আসলো,
তিশা-তুই কোন সাহসে ফুলটা ছিঁড়ছস
হিম-তুমি জানো কিভাবে?
তিশা হাত বাড়িয়ে দেখালো,
হিম-আমি উইস করসি এই পাতাগুলা যেন আমাকে আমার ভালোবাসা ফিরিয়ে দেয়,আসলেই miracle
তিশা-তোর মাথা,
তিশা ফুলের পাপড়ি গুলা হিমের গায়ে ছুঁড়ে চলে গেলো,
হিম পাপড়ি গুলা আবেগের সাথে গায়ে জড়িয়ে নিলো,
তিশা খাটে গুটিশুটি মেরে বসে আছে,কারেন্ট চলে গেসে,হিম কারেন্টের লোকের সাথে ঝগড়া করতেছে,২০মিনিট হয়সে এখনও আসতেছে না তাই,
তিশা বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে,চোখ মিলিয়ে আসতেছে
হিম বাদাম ভাজি করলো,,হিমুর সাথে কথা বলে না তাই হিমুর টেবিলে রেখে, বাকি গুলা নিয়ে তিশার পাশে বসে ওকে সাধলো
তিশা মুখ ফিরিয়ে নিলো,
হিম তিশার হাত ধরে বাদাম দিতে যাবে ও নিজেই শিউরে উঠলো,গায়ে খুব জ্বর,তিশার একটা বদ অভ্যাস জ্বর হলে বলে না,হিম লাফ দিয়ে উঠে ঔষধ এনে তিশাকে দিল
তিশা-খাব না
হিম তিশার মুখ খপ করে ধরে খাইয়ে দিলো,
হিম-নাও বাদাম খাও
তিশা- খাব না
হিম-বাপের বাড়ি দিয়ে আসব এমন করলে
তিশা-সেটা ভালো হবে
হিম-ওখানে তোমাকে একা রেখে আমি সবাইকে নিয়ে চলে আসবো,সেটা ভালো হবে না?
তিশা-????,আমি সিয়ামকে নিয়ে থাকব
হিমের মাথা গেলো চটে,
হিম-কি বললা তুমি???সিয়ামের মধ্যে কি আছে যা আমার মধ্যে নেই???সারাদিন সিয়াম সিয়াম করো কেন
তিশা-Humanities,তুমি রাগে আমাকে মেরে ফেলতে পারবা বাট সে পারবে না
হিম তিশাকে চড় দেওয়ার জন্য হাত উঠালো
তিশা- See
হিম থম হয়ে গিয়ে উঠে দাঁড়ালে তারপর বেরিয়ে গেলো বাসা থেকে
তিশা-ঢং,এখন গিয়ে ধানমন্ডি লেকে গিয়ে বসে থাকবে,ওরে আমি হারে হারে চিনি
রাত ১০টা,হিমের কোনো খবর নেই,তিশার এখন চিন্তা লাগতে লাগলো,
ফোন দিল,বারবার কেটে দিচ্ছে
১১টায় হিম বাসায় আসলো,,হিম ঢলে পড়তেছে,ওর এক বন্ধু ওকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে গেলো
তিশা হিমের পাশে গিয়ে বসলো
তিশা-আবার মদ?
হিম-মদ খেলে শক্তি কমে যাবে,রাগ উঠলে তোমাকে মারতে পারব না
তিশার কলিজাটা যেন কেঁপে উঠলো,
হিমের গায়ে কাঁথা টেনে সে নিজেই পড়ে যেতে নিলো,কারন তিশার তো জ্বর
তিশা হিমুর রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লো,
পরেরদিন সকালে♥
পানির ছিঁটা হিমের মুখে পড়তেই চোখ মেললো,চোখ গেলো ঘড়ির দিকে সকাল ১০টা বাজে,চোখ কচলিয়ে উঠে বসে হিম তো অবাক,গোলাপি পরী,তিশা গোলাপি শাড়ী পড়ে জানালার পর্দা সরাচ্ছে,,
হিম হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছে,
তিশা আয়নার সামনে যেতে বুঝতে পারলো হিম তাকিয়ে আছে
তিশা-অফিস যাবা না
হিম-না
তিশা-তাহলে ফ্রেস হয়ে নেন,
এটা বলে তিশা চলে গেলো,,
হিম পিছন পিছন গেলো
তিশা ডাইনিং-এ খাবার দিচ্ছে,হিম বসে পরলো,
তিশা খাবার নিয়ে যেতে লাগলো
হিম-আচ্ছা যাচ্ছি ফ্রেস হতে
চলবে♥
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now