বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সুলাইমান (আ.) এবং পিপড়া

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Nasrullah (০ পয়েন্ট)

X হযরত সুলায়মান (আঃ) তিনি একদিন নদীর তীরে বসে ছিলেন। এমন সময় উনার চোঁখ পড়লো একটি পিঁপিঁলিকার উপর । . পিঁপিঁলিকাটি মুখে করে একটি গমের দানা নিয়ে নদীর তীরে আসলো। নদীর তীরে পৌঁছতেই একটি ব্যাঙ হা করে অমনি পিঁপড়াটিকে গিলে ফেললো !! . দীর্ঘক্ষন পানিতে ডুবে থাকার পর ব্যাঙটি পুনরায় নদীর তীরে ভেসে উঠে হা করে পিঁপিঁলিকাকে ছেড়ে দেয় !! . হযরত সুলায়মান (আঃ) তিনি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন তাদের প্রতি! হযরত সুলায়মান (আঃ) এর মোজেযার মধ্যে একটি মোজেযা হচ্ছে তিনি সব মাখলুকের কথা বুঝতেন!! . পিঁপিঁলিকাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন কি ব্যাপার...? কোথায় গিয়ে ছিলে? কেন গিয়ে ছিলে ? উত্তরে পিঁপিঁলিকা বললো নদীর নীচে একটি বিশাল পাথরে ভিন্ন রকম কিড়া- মাকড়ের জন্ম, তাদের অনেকে অন্ধ, তারা রিযিকের তালাশে বাহিরে যেতে পারেনা!! . এদের রিযিকের জিম্মাদারীত্ব মহান আল্লাহ্ পাক তিনি আমায় দিয়েছেন । ওদের পর্যন্ত রিযিক পৌঁছাতে আমি অক্ষম, তাই পানির নীচের বাহন হিসেবে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি এই ব্যাঙকে আমার অনুগামী করে দিয়েছেন!! . আমি ওর মুখের ভিতরে নিরাপদ সফর করে তাদের পর্যন্ত রিযিক পৌঁছে দিয়ে পুনরায় তারই মুখের ভিতরে করে ফিরে আসি!! . হযরত সুলায়মান (আঃ) তিনি জিজ্ঞেস করলেন! সেখানকার অন্ধ কিড়া-মাকড়দের কোনো তাসবীহ্ পাঠ করতে কি শুনেছো ? . পিঁপিঁলিকা বললো হ্যাঁ !! তারা রিযিক পেয়ে বলতে থাকে- পবিত্র সত্তা মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ! যিনি আমাদের এই গভীর পানির নীচে ও ভুলেননি! (সুবাহানআল্লাহ্) মহান আল্লাহ্ পাক আমাদের সবাইকে অপরিমিত রিযিক দান করুন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now