বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ড্রাকুলা টেরর part 4

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব-৪ এতগুলো বইয়ের মাঝে কোনটা সঠিক কি করে বুঝবো।মাথা ঘুরছে আমার।অরিক কই তুই আমারে ধর। অরিক-আরে বাবা এটা গোলক ধাঁধা।এসব বই অকাজের আসল বই অন্য রকম আর এগুলোর মাতো এতো সুন্দর না।ওই বইটা অন্যরকম আর অনেক মোটা,পুরনো। নীল-ওহ।তো কেমনে বের করমু কোনটা কাজের বই। অরিক-আমার কাছে একটা বুদ্ধিই আছে। নীল-কি দ্রুত কও? অরিক-সবগুলো বই পড়া শুরু করি আমরা। রাব্বি-কিহ!জীবনে বই ধরি নাই আর এখন এতো বই পড়মু। অরিক-এরচেয়ে ভালো বুদ্ধি আছে কারো কাছে? নীল-চলো বই পড়া শুরু করো সবাই। সবাই শুরু বই পড়া।একটা বই নিলাম পড়ার জন্য। বেকুব হয়ে গেলাম।বইটার লিখা ছিলো ডানে। আর কিছুই না।একইভাবে অরিক যে বইটা নিয়েছে সেটায় লিখা বাম দুই পা।রাব্বি যে বইটা নিচে সেটায় লিখা চার পা থেকে দুই পা।এভাবে সব বই কোনো না কোনো কিছু লিখা। অরিক-আমার মনে হয় এইসব কোনো ক্লু।আসল বই খুজার। নীল-তাই মনে হচ্ছে।কিন্তু কোনটা আগে কোনটা পরে এটা কি যিনি লিখছে সে আমারে কইয়া যাইবো নাকি।কোন হালার পুতে লিখছে রে।সালারে পাইয়া লই খুন করমু। অরিক-আরে ভাই কি করমু? কোনো উপায় নাই।পৃথিবীতে গেলে অস্ত্রটা দিয়ে শুধু ভয় দেখাতে পারবি ড্রাকাকে। অস্ত্রটা একবার হাত থেকে পড়লে তুইও শেষ আমার শেষ। -কি করমু এই ডান, বাম আজাইরা লিখার মানে কে খুজবো বল তুই। -চেষ্টা তো করতে হবে। রাব্বি-আচ্চা যদি ড্রাকা ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে আসে??এসে যদি আসল বই নষ্ট করে দেয়? নীল-ড্রাকার আগেই আমাদের বইটা বের করতে হবে। রাগে দিলাম মাটিতে গুসি।ঠুস করে মাটি ভেঙ্গে নিচে পড়ে যাই আমি। অরিক-কিরে ঠিক আছিস তো? নীল -হুম। অন্ধকার রুম।কিন্তু রাতে দেখার শক্তির কারণে সব দেখতে পারছি কি রকম পচা গন্ধ।আশে পাশে তাকাতে বুঝলাম কয়েক হাজার বছর ধরে বন্ধ কক্ষ। মাটিতে হাড় পড়ে আছে প্রায় মিশে গেছে মাটিতে।গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসছে, কি বাজে গন্ধ বলে বুঝাতে পারবো না।কিছুই দেখলাম না।একটা খালি রুম যেমন থাকে।আমার আসতে দেরি দেখে বাকিরাও নিচে নামলো। অনিশা-কিছু পেয়েছো? -নাহ এখনো তেমন কিছুই নজর পড়লো না। নিল্স-আচ্চা বাবা এই পাশের দেওয়ালটা এমন কেনো?কেমন জানি দেওয়ালের গর্তটা। নীল-দেখি তো.... আরে এটা কোনো গর্ত না।হাতে থাকা তলওয়ারটা ঢুকাতেই পুরো রাজ মহল কেঁপে উঠলো।একটা দরজা খুললো ঠিক গর্তটার বিপরীত দিকে।খিতরে প্রবেশ করতেই নকুন জগত দেখলাম। নতুন আরেকটা রাজ্য।হুম ঠিক ভাবছেন নতুন আরেকটা ভ্যাম্পায়ার রাজ্য।বিশাল যত দুরে চোখ যায় ভ্যাম্পায়ার রাজ্য।এটা কোথায় আসলাম আমরা। অরিক-ভাই এসব ভাবার সময় নেই। সমানে দেখো পাথরের ফলকের উপর ওটা কি রাখা। রাব্বি-একটা বই দেখা যাচ্ছে।কাচের ভিতর রাখা উপরে লিখা ছোঁয়া যাবে না। অনিশা-কিন্তু বইটা নিয়ে গেলে যদি সমস্যা হয়? নীল-ভাবার সময় নেই কেউ দেখার আগে বের হতে হবে। নীলেরা পাহাড়ের উপর বিশাল ফলকের উপর রাখা বইটা নিয়ে যায়।এতো উঁচুতে থাকার কারণে নিচে বিশাল আরেক ভ্যাম্পায়ার রাজ্য।নীলেরা সুন্দর মতো বইটা নিয়ে দরজাটা বন্ধ করে সবকিছু ঠিকঠাক করে চলে যায়। অন্যদিকে আসল ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে→ভ্যাম্পায়ার প্রিন্স মাস্টার এন(N) এর কানে খবর পৌঁছে যায় হাজার বছর থেকে চর্চা করে আসা অলৌকিক ভ্যাম্পায়ার ডাইরিটা চুরি হয়ে গেছে। প্রিন্স এন বুঝতে পারছে না কিভাবে চুরি হতে পারে।ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে তো বেশি উপড়ে উড়া যাবে না।আর সেখানে তো গার্ড ভ্যাম্পায়ার থাকে আশে পাশে।কেউ হেঁটেও আকাশে ভাসা পাহাদে উঠতে পারবে না।তাহলে কি করে কেউ চুরি করলো।মাস্টার এন এর সন্দেহ গার্ডদের উপরেই গেলো।মাস্টার এন পুরা ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে চালালো খোঁজ। পরীক্ষা হচ্ছে প্রতিটা ভ্যাম্পায়ারের কে নিলো?..... এইদিকে নীল বই পড়বে তার আগে অরিক বললো-আচ্চা ওটা যদি ভ্যাম্পায়ার রাজ্য হয় তাহলে এটা কি? রাব্বি-আমার মনে হয় এটা ভ্যাম্পায়ার রাজ্য আর পৃথিবীর মাঝের একটা অংশ। নীল-হতে পারে..... চলবে.....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ড্রাকুলা টেরর last part
→ ড্রাকুলা টেরর part 3
→ ড্রাকুলা টেরর part 2
→ ড্রাকুলা টেরর part 1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now