বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ড্রাকুলা টেরর part 3

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব ৩ পরের দিন-ভেবেছিলাম এক রাতেই ঠিক হবো কিন্তু কপাল একটুও ঠিক হই নি।ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে আজ আর যাওয়া হবে না।উঠতেও পারছি না।এইদিকে কাল রাতে বিশ জনকে মেরেছে।ড্রাকুলা টেরর ছড়িয়ে গেছে সারা শহরে। অসহ্যকর এইদিকে ওসির কল কারণ সে তো জানে আমরা ভ্যাম্পায়ার (পূর্বের সিরিজ পড়লে জানার কথা)।আমরা কিছু করছি না কেনো। কি জবাব দিই, বলেছি চেষ্টায় আছি।কোনো রকম উঠে ফ্রেস হয়ে খাটে বসলাম।মাথাটা ঘুরছে প্রচুর তবে ভালো করে জানি রক্তের জন্য না মাইরের জন্য। অনিশা-কি হলো এভাবে মাথায় হাত দিয়র বসে আছো কেনো? নীল-শরীর যেমন ব্যাথা তেমনি মাথায় ব্যাথা।ওহ না জানি ড্রাকাকে কেনো মারলে আমি ব্যাথা পাই। অনিশা-আর দরকার নাই ওসবে যাবার নীল-কি বলো তুমি শহর তো খালি হবে পরে।দাড়াও অরিককে পাঠাবো ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে, সব জানা যাবে সেখান থেকেই। -হুম চেষ্টা করে দেখো। এরপর ঘরে হাটছি আর ভাবছি কেমনে কি করবো।তখনেই রুমের এক কোণে নজর পড়লো।সেই অস্ত্রটা যেটা আমায় অসম্ভব শক্তি দেয়।কিন্তু আজ আমি অসহায়। পারছি না সাধারণ একটা ড্রাকুলাকে মারতে। আসলেই ভ্যাম্পায়ার কিং নীলের জন্য হাস্যকর। একা কত ভ্যাম্পায়ারকেই না মেরেছি। ধিরে ধিরে রাত হলো।যে রাতের মালিক ছিলাম আমি না ছিলো ভয় না কিছু।বুক ফুলিয়ে শহর ঘুরে দেখতাম কোথায়ও কিছু হচ্ছে কিনা।কিন্তু এখন আমার বাড়িতে আমাকে রক্ষার জন্য অরিক,আকাশ,রাব্বি এসেছে। নীল-অরিক কাল ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে গিয়ে খোঁজ নিও। অরিক-এটা খারাপ সংবাদ আমি রাব্বি,আকাশ আজ ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যেতে চাই।কিন্তু গুহার সামনে এসে দেখি গুহা বন্ধ। পাথর আর পাথর চেষ্টা করেছি কিন্তু কোনো রাস্তা পাই নি। নীল-দ্বিতীয় পথটা চেক করে ছিলি? -হুম সেটাও করেছি একেইভাবে বন্ধ।সব ড্রাকার কাজ মনে হয় কাল রাতেই বন্ধ করেছে। -আমরা এখন কি করবো? -ঘরে বসে থাকা ছাড়া আর কি করি। -কিছু তো করতে হবে তাই নাই। হঠাৎ ঘরের ভিতর একটা বাদুর ঢুকলো।ধিরে ধিরে ড্রাককার রুপ নিলো। ড্রাকা-আরো পাচ জনের রক্ত পান করে আসলাম।ধারুণ সাদ ছিলো। নীল-অনিশা নিল্সকে নিয়ে উপরে যাও। নিল্স যেতে চাচ্ছিলো না অনিশা জোর করে নিয়ে যায়। ড্রাকা-আমি রাজা হয়ে যাই কি বলিস? হঠাৎ বুকে গুসি মারলো উড়ে গিয়ে দেওয়ালের সাথে ধাক্কে খেলাম।রাব্বি,আকাশ,অরিক কেউ কিছু করতে পারছে না।কারণ ওকে মারলে আমিই ব্যাথা পাই। মাইর খেতে খেতে অবস্থা খারাপ।সবাই দাড়িয়ে জল ফেলছে চোখের।চেষ্টায় আছে কি করা যায়।অনেক মারলো আমায় কিন্তু মারলো না। বুঝলাম না কেনো।হঠাৎ লক্ষ্য করলাম সে ভয় পাচ্ছে। নিল্স:ছাড় শয়তান আমার বাবাকে। নিল্সের হাতে ছিলো সেই অস্ত্রটা। ড্রাকা:না না অস্ত্রটা ফেলো না হয় বাবাকে মেরে ফেলবো। নিল্স:ছাড় নইলে এখনেই গলা কেটে দিবো। নিল্স অস্ত্রটা চালালো। ড্রাকা সরে যায় হাতে লাগে।সাথে আসে আমি দেহে টান পাই। কিছু টানছে কেমন টান লাগলো সব ব্যাথাও চলে যায় আজব তো।ড্রাকা কোনো রকমে পালালো। অরিক-কি হলো? নিল্সকে ভয় পেলো নাকি? রাব্বি-কিছুই বুঝলাম না কি হলো হঠাৎ। নীল-নিল্স বাবা এইদিকে আসো তো।কাদে না বাবা।অস্ত্রটা দেও তো।কোনো ভাবে এই অস্ত্রটাকে ড্রাকারর দুর্বলতা। অস্ত্রটা হাতে নিতেই সব ব্যাথা চলে গেলো।আজব তো।বুঝতে পেরেছি অস্ত্রটা ওর দুর্বলতা আর আমার শক্তি।বাবাজি ড্রাকা কই যাবা তুমি। অরিক-কি বুঝলিরে? নীল-সব অস্ত্রের কামাল ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যেতে হবে চল। অরিক-কিন্তু পথ তো বন্ধ? -আমার সাথে আয় শুধু। সবাইকে নিয়ে গুহার সামনে আসলাম। অস্ত্রটা চালাতেই পথটা ঠিক হয়ে গেলো। নীল-চল সব অবাক পরে হইস। অন্যদিকে-ড্রাকুলা-কফিনের ভিতর ঢুকেছে।সংরক্ষণ করে রাখা রক্ত একের পর এক খাচ্ছে।সালাটা বুঝে যাই নি তো আমি কে।আমাকে আবার ওর গোলাম হতে হবে না তো।নাহ আজ শহর খালি করবো।ড্রাকুলা টেরর বুঝাবো সবাইকে।বের হলাম শিকারে।একের পর এক ঘরে ঢুকছি আর রক্ত খাচ্ছি।২৭ জনের রক্ত খেলাম।রাত বারোটা বাজে।আর রক্তে খেতে পারছি না।ক্ষতটাও ঠিক হয়েছে।নীলটাকেও দেখছি না।তার মানে সে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে গেছে সব জানতে।পেয়ে যাবে না তো ভ্যাম্পায়ার ডাইরি?।কিছু করতে হবে। কিন্তু কি করি। এইদিকে নীল সহ বাকিরা রাজ মহলে প্রবেশ করলো। বিভিন্ন বই লোককে জিগাস করা হচ্ছে কিছুই জানা যাচ্ছে না। নীল-কিছুই তো জানতে পারছি না। অরিক-হুম কিন্তু আমার জানা মতে এখানে ভ্যাম্পায়ার ডাইরি আছে। কোখায়ও লুকানো।সেটায় ভ্যাম্পায়ার নিয়ে সব লিখা আছে।অস্ত্রটা নিয়েও সব বলা আছে।আমি শুনেছি মাটির নিচে নাকি কোনো লুকানো ঞর আছে। অনিশা-চলো খুজে দেখা যাক। নীল-চলো ভালো করে খুজি। হুম অনিশা, নিল্স এমনকি বাবা মাকেও এনেছি সাখে। বলা তো যায় না পৃথিবীতে একা রেখে আসলে যদি হামলা করে।তাই পথ খুলার পর ভিতরে গিয়ে ফিরে আসি আবার ওদের আনতে। খুজছি খুজছি কিচ্ছু পাচ্ছি না।খালি লাইব্রেরি। হঠাৎ মনে হলো পাশের দেওয়াটা ফাঁপা।গুসি দিতে খুলে গেলো।সামনে বিরাট এক লাইব্রেরি। এটা কি সব বই আর বই।সবগুলো লিখা ভ্যাম্পায়ার ডাইরি।এতগুলো কবে পড়বো।কিভাবে বুঝবো কোনটা দরকার????? চলবে...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ড্রাকুলা টেরর last part
→ ড্রাকুলা টেরর part 4
→ ড্রাকুলা টেরর part 2
→ ড্রাকুলা টেরর part 1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now