বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ড্রাকুলা টেরর part 1

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব-১ দ্যা রিটার্ন অফ ভ্যাম্পায়ার কিং এরপর থেকে... দেড় বছর পর-নীলের দিনগুলো ভালোই কাটছে।নীলের ছেলেও বড় হয়ে গেছে।হাটতে পারে ভালো মতো, উড়তে পারে আরো কত কি।সবার থেকে আলাদা, সবকিছুতেই প্রথম।পড়ালেখা,খেলাাধুলা এমনি কথায়ও।পাকনা পাকনা কথা বলে।গল্পে আসা যাক- দেড় বছর পর-নীল-আহ!কি শান্তি পরিবেশটা কত ঠান্ডা।না আছে কোনো ঝামেলা না আছে দৌড়াদৌড়ি।চোখ বন্ধ করে প্রকৃতির সাথে মিশতে চাইলাম তখনেই নিচে চলমান টিভির খবর নিজের শক্তির সাহায্যে শুনতে পেলাম শহরে মানুষ গায়েব হচ্ছে।আজব বিষয় তো।সেকেন্ডের মাঝে নিচে নেমে আসি।বাবা সোজায় বসে নিউজটা দেখছিলো বাবার পাশে বসলাম। নীল-কোন হারামিটা না জানি আমার শান্তি নষ্ট করতে আসছে। বাবা-মনে হয় নতুন কোনো ভ্যাম্পায়ার নীল-বুঝাচ্ছি মজা রাজার অনুমতি ছাড়া কিছু করার ফল। ভ্যাম্পায়ার রুপ নিয়ে বের হলাম।নতুন শক্তি।সেতিন ওই অস্ত্রটা দিয়ে আঘাতের পর অসীম শক্তি নতুন ভ্যাম্পায়ার রুপ পেয়েছি।তবে মাঝে মাঝে মনে হয় আমি অসম্পূর্ণ কিছু একটা নেই।আমি জেনো আমি নই।আমার কোনো একটা অংশা নাই।ভাবা বাদ দিয়ে খুজতে লাগলাম।পুরা শহরের সব বাদুরকে কাজ লাগালাম।কোনো খবর পাই নি।বাসায় ফিরে আসলাম।আসতে না আসতেই পিচ্চুটা ধরে বসলো। নিল্স:বাবা আমায় নিয়ে গেলে না কেনো বাহিরে। নীল-আরে আব্বু আামি তো কাজে গেছিলাম। নিল্স:বাবা আমি এবার বন্ধে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যাবো।একবারও যাই নি।তোমাদের মুখেই শুধু শুনি। নীল:আচ্চা নিবো।যাও গিয়ে স্কুলের পড়া শেষ করো। নিল্স:ধন্যবাদ বাবা লাভ ইউ। সোফায় এসে বাবার পাশে বসলাম। বাবা-পাও নি? নীল-নাহ।পাবো পাবো কত পালাবে। হয়ত এখনো বের হয় নি।রাতে বের হবো আমি।আর এখন বুঝা কঠিন অালো থেকে বাচার জন্য কোথায় লুকিয়েছে। বাবা-যদি ভ্যাম্পায়ার না হয়? নীল-যাই হোক আমার সাথে পারবে না। ------রাতে----- নির্জন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে সাজিদ।রাত বারোটা বাজে।হঠাৎ কতগুলো বাদুর তার সামনে আসলো ধিরে ধিরে একটা ভয়ঙ্কর রুপ নিলো।বড় বগ দাঁত, লাল চোখ,বড় বড় নখ।সাজিদ দেখে সাথে সাথে চিৎকার দিয়ে জ্ঞান হারায়।ভ্যাম্পায়ারটা সাজিদের রক্ত না খেয়ে সাথে করে নিয়ে গেলো। এইদিকে-নীল-একটু পরেই বের হবো।ভ্যাম্পায়ার রুপ নিয়ে বের হবো তখনেই কানে চিৎকারের আওয়াজ পেলাম।অনুমান করলাম দেড় কিলো দূরে হবে।ভ্যাম্পায়ার শক্তির কারণে শুনতে পেলাম।দ্রুত দৌড়িয়ে দুই মিনিটে সেখানে পৌঁছালাম।কাউকে দেখলাম না।তবে মাটিতে একটা ফোন দেখলা পড়ে আছে। ফোনটা হাতে নিয়া দেখলাম ফেসবুক চালু করা।প্রোফাইলে দেখলাম নাম সাজিদ।তার মানে ছেলেটার নাম সাজিদ।কিন্তু ওর কোনো চিহ্ন দেখছি না।রক্ত খেতে হলে তো এখানেই খেতে পারতো মেরে।কিন্তু তা করে নি সেই ভ্যাম্পায়ারটা, তার মানে অন্য কারো জন্য নিচ্ছে।বাদুর গোয়েন্দাদের লাগালাম।একটু পর খবর পেলাম একটা পোড়া বাড়িতে দেখেছে একটা বাদুর। অন্যদিকে-সাজিদকে নিয়ে ভ্যাম্পায়ারটা একটা পোড়া বাড়িতে আসলো।ভিতরে মাঝের একটা রুমে ঢুকলো।কফিনের কাছে সাজিদকে রেখলো।ধিরে ধিরে কফিটা খুলতে লাগলো। কফিনের ভিতরে থেকে প্রচুর হিংসা একটা ভ্যাম্পায়ার বের হয়।বলতে গেলে ড্রাকুলা।চামড়াগুলো কেমন সাদা সাদা।খুব দুর্বল আর রোগা মনে হচ্ছে।বৃদ্ধ লোকের মতো চামড়ায় ভাজ পড়ে গেছে।উঠে সোজা সাজিদের ঘাড়ে বসিয়ে দিলো।সাজিদ একটা চিৎকার দিয়ে মারা গেলো।ধিরে ধিরে ড্রাকুলাটা পরুো রক্ত খেয়ে নিলো।খাবার পর হঠাৎ উল্টা ঝুলে রইলো।মনে হচ্ছে অন্য কেউ।একটু আগে রোগা সেই ড্রাকুলা আর নেই।এখন খুব শক্তিশালী অন্য কেউ। ভ্যাম্পায়ার-ড্রাকা(ড্রাকুলার নাম)আর কত আমি আনবো শিকার আপনি কবে নিজ থেকে করবেন? ড্রাকা-আমার আরো রক্ত দরকার।আমাকে বাচতে হলে। ভ্যাম্পায়ার-ড্রাকা ভ্যাম্পায়ার কিং নীল আমাদের খোঁজে নেমেছে পেতে ওনার দেরি হবে না।আমি আপনাকে হেল্প করছি জানলে আমাকে মেরে ফেলবে। -কিছুই করতে পারবে না সে। এইদিকে-নীল-খুঁজে খুঁজে বাড়িটাতে আসলাম।ভিতর ঢুকতেই টাটকা রক্তের গন্ধ পাই। বুঝতে বাকি রইলো না সাজিদ আর নেই।রক্তের গন্ধ অনুসরণ করতে করকে একটা রুমের সামনে আসলাম।ভিতরে একটা ভ্যাম্পায়ার আর আরেকটা দেখতে প্রায় ভ্যাম্পায়ারের মতোই। ভিতরে ঢুকে বললাম,"মাত্র দুইজন পারবে না তো আমার সাথে"।ভ্যাম্পায়ারটা এগিয়ে আসলো এক গুসিতে বুক ফাটিয়ে দিলাম।মাটিতে পড়ে ছট ফট করে মারা যেতে লাগলো।বুকের থেকে পড়া রক্ত দেখে ভ্যাম্পায়ারের মতো দেখতে প্রাণিটা ঝাঁপিয়ে পড়লো সেই ভ্যাম্পায়ারটার উপর।আসি চুপচাপ দেখলাম দৃশ্যটা।যে সাহায্য করলো তার রক্ত খাচ্ছে।কিন্তু ভুল করেছি, উচিত ছিলো সাথে সাথে মারা।আচমকা সেটা আরো ভয়ানক হয়ে উঠলো।নতুন রুপটা দেখে আমি নিজেই ভয় পেয়ে গেলাম।আমি বললাম -কে তুমি?এসবের ফল জানোই তো মৃত্যু হবে। -তুমি মারতে পারবে না।চাইলে চেষ্টা করে দেখতে পারো। ওর কথা শুনে হাসি পেলে।গালে জোরে একটা চড় দিতে সাথে সাথে অদৃশ্য কিছু একটা মনে হলো আমার গালে চড় দিলো।জেনো আমার চড় আমার গালেই লেগেছে। -এসব কি হচ্ছে?কে তুই? -আমি ড্রাকা দ্যা ড্রাকুলা।আসাকে তুমি কিচ্ছু করতে পারবে না। আর দেরি না করে ড্রাকাকে মারতে লাগলাম।যত মারছি ততই নিজেই মনে হয় খাচ্ছি মার।মনে হচ্ছে নিজেকে মারছি।প্রচুর পরিমাণে মুখ থেকে রক্ত বের হলো।আমি জিতবো না বুঝতে পেরে বাদুর রুপ নিয়ে পালালাম।আজব বিষয় ড্রাকুলাটা আমার পিছু নেই নি।শুধু একটা শয়তানি হাসি দিলো।কোনো রকমে বাড়ির সামনে আসলাম।সেখানেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফিরার পর নিজেকে খাটে পেলাম।আর চারপাশে বাকিরা। অনিশা-তোমার এই অবস্থা কি করে হলো?গালে পাচ আঙ্গুলের ছাপ,ঠোট কাঁটা কেনো? -আমাকে এখানে কে এনেছে? -তোমার ছেলে তোমার রক্তের গন্ধ পায় ভাবছে এতো রাতে আসছে বাবার কাছে একটু যাবে।গিয়ে দেখে পড়ে আছো। -ওরে কে বলছে এতো রাত জাগতে।রাত দেড়টা বাজে। -কথা পাল্টাও কেনো?তোমার এই অবস্থা কেনো হলো? তারপর অনিশাকে সব খুলে বললাম। -এটা কি বলো তুমি তুমি যতই মারো সব মাইর তুমিই খাও আজব তো। -হুম আজবেই আমাকে বের করতে হবে ড্রাকা কে?আর চাইলে তো মারতে পারতো কেনোই মারে নি?কি উদ্দেশ্য জানতে হবে আমার। বছর খানেক আগে-সেদিন নীল রাজ মহলের ভিতর গিয়ে অস্ত্রটা দিয়ে নিজের বুকে অাঘাত করে তখনেই............. .... চলবে....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ড্রাকুলা টেরর last part
→ ড্রাকুলা টেরর part 4
→ ড্রাকুলা টেরর part 3
→ ড্রাকুলা টেরর part 2

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now