বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভুতের সাথে সংসার Last part

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X সকালে বউ এর ডাকে ঘুম ভাঙল। সে সেজেগোজে রেডি। আজ তার সুন্দরী প্রতিযোগীতা। --এই আমাকে কেমন লাগতেছে?" কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করল বউ। --তোমাকে তো বরাবরই সুন্দর লাগে। সাজগোজ না করলেও চলত। কারণ, তোমার মতো সুন্দরী আর কেউ আছে নাকি?" ঘুমের ঘোর তখনো কাটেনি আমার। --এই ভালো করে চোখ মুছে বলনা, আমাকে কেমন লাগতেছে?" আমি চোখ মুছে বললাম:- বাহহ, এ আমি কি দেখছি, সাক্ষাৎ অপ্সরী! এত রূপ তোমার?" বউ লজ্জা পেয়ে বলল: যাহহ, ওভাবে বলোনা, আমার লজ্জা করে। আচ্ছা আমি যায়, আমি যদি প্রথম পুরস্কার পাই, তাহলে পুরস্কারটা তোমার হাতে তুলে দেব।" বলেই সে আমার ডান গালে একটা কিস করে ঘর থেকে হল। মনে মনে অনেক রাগ হল আমার। শালির ভূত্নী যখন তখন কিস করিস আমার খানদানি গালে। পানি দিয়ে অনেক্ষণ ঘষলাম ডান গালটা। তারপর ঘরের বাইরে আসলাম। দেখলাম বাইরে খালি চেয়ারটা পড়ে আছে, শ্বশুর মশায়কে কোথাও দেখতে পেলামনা। অথচ প্রতিদিন ঐ চেয়ারে বসে সে চোখে বাইনোকুলার লাগিয়ে ভূতের মেয়েদের বগিটিজিং করত। আজ তার অনুপস্থিতি দেখে ঘটনাটা আঁচ করতে পারলাম। শ্বশুরের ঘরের জানালা দিয়ে দেখলাম, শ্বশুর তার মানচিত্রটা চেপে ধরে "কুই কুই" করে কান্না করতেছে। আমি হেসে চলে এলাম আমার ঘরে। দরজা আটকে দিলাম। বাচ্চাটা ঘুমাচ্ছে। জেগে থাকলে "কুয়া কুয়া" করে আমাকে জালিয়ে মারত। একটুপর দরজায় ঠকঠক আওয়াজ হল। বুঝলাম, শাঁকচুন্নি এসেছে। আমি দরজা না খুলে ঘুমের ভান করে থাকলাম। দরজায় তখন একনাগাড়ে ঠকঠক আওয়াজ হতে লাগল। আর সহ্য করতে না পেরে দরজা খুললাম। দেখলাম শাঁকচুন্নি না, আমার শ্বশুর মানচিত্র চেপে ধরে দাড়িয়ে আছে। দরজা খুলার সাথে সাথে ভেতরে ঢুকে দরজা আটকে দিল। আমি ভয় পেয়ে গেলাম, ভাবলাম হয়তো শ্বশুর মশায় ঘটনাটা বুঝতে পেরে আমাকে মারতে এসেছে। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে শ্বশুর মশায় বলল: --রানা বাবাজি, একটা উপকার করবে?" --কি উপকার শ্বশুর মশায়? --তুমি যে আমার জন্য একটা প্যান্ট বানায়ছিলে, প্যান্টটা আমার লাগবে। --কেন শ্বশুর মশায়? --কোন কারণ না। ল্যাংটা থাকতে আর ভালো লাগেনা। প্যান্টটা দাও। আমি শ্বশুরের মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে বললাম: কিন্তু শ্বশুরমশায়, আপনার ওখানে এভাবে ফোলা কেন? কোথায় আঘাত পেয়েছেন? --ও কিছুনা, তুমি প্যান্টটা দাও। --না, আগে বলতে হবে। তারপর প্যান্ট দেব।" শ্বশুর মশায় আমাকে সব খুলে বলল। মনে মনে হাসতে লাগলাম আমি। এটা যে আমি করেছি শ্বশুর মশায় বুঝতে পারেনি। শ্বশুর বলল: ঘটনাটা কাউকে বলিওনা। --ঠিক আছে, বলবনা।" বলে শ্বশুরকে প্যান্টটা দিলাম। শ্বশুর প্যান্ট পরে চেয়ারে গিয়ে বসল। চোখে বাইনোকুলার লাগিয়ে ভূতের মেয়েদের দেখতে লাগল। আমার শ্বশুর বুড়ো হলে কি হবে, প্রতিদিন দু একটা ভূতের মেয়ে পটানো তার কাছে কোন ব্যাপার না। আমি শ্বশুরের পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। শ্বশুরকে বললাম: শ্বশুর মশায় আপনি আবারও ভূতের মেয়েদের দেখতেছেন?" শ্বশুর বলল: আরে না, আমি তো এটা দিয়ে আমার রাজ্যটা দেখি। রাজা হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব আছে তো, আমার রাজ্যের ভূতগুলো কিভাবে চলাফেরা করতেছে, দেখতে হবেনা?" আমি বিদ্রুপ করে জিজ্ঞেস করলাম: তা শ্বশুর মশায়, আপনার পুরো ভূতের রাজ্য কি শুধু ঐ ভূতের মেয়ে গুলোর দিকে?" শ্বশুর থতমত খেয়ে বলল: তা হবে কেন?" আমি বললাম:- শ্বশুরমশায়, আমি আপনার সম্পর্কে আরো একটা কথা শুনেছি। --কি কথা? --আপনি পেচীকে চিনেন? --হ্যা চিনি। --ও একটা ডিম পেড়েছে। ঐ ডিমে নাকি আপনার বাচ্চা ছিল। আমি ডিমটা ভেঙে দিছি। --এই চুপ কর। এটা কেউ জানলে আমার সর্বনাশ হয়ে যাবে। এটা কাউকে বলবেনা। --ঠিক আছে বলবনা। কিন্তু বিনিময়ে আমি কি পাব? --যা চাও, তাই পাবে। --তাহলে শ্বশুর মশায়, আমি চাই আপনি আমাকে আজ রাতেই পৃথিবীতে পৌছে দিয়ে আসবেন।" শ্বশুর মশায় একবারও না ভেবে বললেন: --ঠিক আছে।" শ্বশুর মশায় হয়তো ভাবল, আমি এখানে থাকলে তার নিজেরই সর্বনাশ হবে। তাই রাজি হয়ে গেল। আমিও খুশি হলাম। আজ রাতেই আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আমি আবার পৃথিবীতে যেতে পারব। খুশিমনে আমি ঘরে ঢুকলাম। কিন্তু ভেতরে শাঁকচুন্নিকে দেখে আমার খুশি উবে গেল। সে আমার বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে আদর করতেছে। আমাকে দেখে বাচ্চাটাকে বিছানায় রেখে দরজা আটকায় দিল। তারপর আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলল বিছানায়। সে আমার উপর উঠে বলল: এই রানা, আজ সারাদিন তোমার সাথে প্রেম করব।" আমি পাম্প দেয়ার জন্য বললাম: --আমারও এতদিন খুব ইচ্ছে ছিল তোমার সাথে প্রেম করার। আমার বিয়েটা যদি তোমার আপুর সাথে না হয়ে তোমার সাথে হতো.... শাঁকচুন্নি লজ্জা পেয়ে বলল: আমরা তো পৃথিবীতে গিয়ে বিয়ে করব। তারপর তোমার আশা পূরণ হবে। এই, তুমি কি দেখে আমার প্রেমে পড়েছ বলনা?" শালি বলে কি? আমি নাকি ওর প্রেমে পড়েছি!!!!!! তবু পাম্প দেয়ার জন্য বললাম: তোমার রূপ দেখে, তোমার মতো রূপসী মেয়ে, থুক্কু,,, রূপসী ভূতের মেয়ে আমি আর দেখিনি।" শাঁকচুন্নি খুশি হয়ে বলল:--তাই নাকি? এই আমি কি তোমার বউ এর চেয়ে সুন্দর?" বললাম:- তুমি আমার বউ এর চেয়ে হাজারগুণ বেশি সুন্দর। আজ সুন্দরী প্রতিযোগীতায় ও না গিয়ে তুমি গেলে পুরস্কারটা নিশ্চিত তুমি পেতে।" শাঁকচুন্নি হঠাৎ অভিমান করে বসল। আমি জিজ্ঞেস করলাম: কি হয়েছে?" ও বলল: আমি রাগ করেছি। আমি যে আমার আপুর চেয়ে সুন্দরী, তুমি এটা আগে বলনি কেন? তাহলে তো সুন্দরী প্রতিযোগীতায় আমিও যেতাম। ইস! নিশ্চিত পুরস্কারটা হাতছাড়া হয়ে গেল! শালির মনটা ভালো করার জন্য বললাম: --আরে শালি, আজ যদি তুমি ওখানে যেতে তাহলে আজ আমাকে এভাবে এত কাছে পেতে?" শালি খুশি হয়ে বলল: ও তাইতো, চল আজ ঘুরতে যাব আবার।" অনিচ্ছাস্বত্তেও ওর সাথে ঘুরতে বের হলাম। বাচ্চাটা আমার শ্বশুর মশায় এর কোলে তুলে দিলাম। সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যায় ফিরে আসলাম। শ্বশুরের ঘরে ঢুকলাম। শ্বশুর তখন হেডফোন লাগিয়ে মোবাইলে গান শুনতেছে। বুঝলাম, এগুলোও নিশ্চয়ই কোন মানুষকে ভয় দেখিয়ে নিয়ে এসেছে। শ্বশুর আমাকে দেখে বলল: ও রানা, এসো,, , দেখ এই মোবাইলটা, এটা অনেকদিন গবেষণা করে আজ বানায়ছি আমি। শুনেছি, তোমাদের মনুষ্য জগতে বিজ্ঞানীরা অনেক কিছু আবিষ্কার করে। ভূতের রাজ্যে আমিই প্রথম ও একমাত্র ভূত বিজ্ঞানী।" শালার শ্বশুর কত্ত বড় চাপাবাজ! মানুষকে ভয় দেখিয়ে মোবাইল নিয়ে এসে এখানে ভূত বিজ্ঞানী হয়ে গেছে। হাসব নাকি কাঁদব? ইচ্ছে হল ফুলা মানচিত্রে একটা জোরে লাথি মারি। মনের ইচ্ছেটা মনে কবর দিয়ে বললাম: শ্বশুর মশায় আমাকে একটু পরে পৃথিবীতে নিয়ে যাবেন, নইলে কিন্তু সবাইকে সব বলে দেব।" শ্বশুর বলল: ঠিক আছে, ঠিক আছে, আগে বল আমার মোবাইল আবিষ্কার টা কেমন হয়েছে?" আমি বললাম: শ্বশুর আপনার মতো বিজ্ঞানী পৃথিবীতেও নেই।" মনে মনে বললাম, আসলেই নাই তো এরকম চোর, চাপাবাজ বিজ্ঞানী। আমার পাম্প শুনে শ্বশুর বলল: বাহ, আমি তোমার প্রতি খুশি হলাম। আমার প্রতিভার কদর বুঝ তুম। যাও এবার রেডি হয়ে আস , তোমাকে পৃথিবীতে নিয়ে যাব এখন।" মনে মনে বললাম: শালার চাপাবাজ, সারাদিন ভূতের মেয়েদের বগিটিজিং করে করে মোবাইল তৈরী করলি কখন? রুমে এসে দেখলাম আমার প্রিয়তমা বউ সুন্দরী প্রতিযোগীতা করে ফিরে এসেছে খালি হাতে। মন খারাপ তার। জিজ্ঞেস করলাম: কি হয়েছে বউ? বউ বলল: আমি সুন্দরী প্রতিযোগিতায় চান্স পাইনি, আমি নাকি সুন্দর না, আমাকে প্রতিযোগীতা করতেও দেইনি। --ও কিছুনা, আমি তোমাকে পৃথিবীতে নিয়ে গিয়ে ফেয়ার এন্ড লাভলী কিনে দেব। ৭ দিনে সুন্দরী হয়ে উঠবে। --পৃথিবীতে? হুমম... তুমি চলে যাও, পৃথিবীতে, বাবার সাথে একটু আগে তোমার কি কথা হয়েছে আমি সব শুনেছি। তুমি আসলে কখনো আমাকে ভালোবাসনি। সুন্দরী বলে বলে কেবল আমাকে পাম্প দিয়েছ। আর আমিও বোকার মতো বিশ্বাস করেছি। আমি আসলে তোমার মনে জায়গা করতে পারিনি। ভূতের মেয়ে বলে আমার সাথে সংসার করা তোমার রুচিতে বাধে। আমার সাথে আর সংসার করতে হবেনা। আমি তোমাকে পৃথিবী থেকে এখানে নিয়ে এসেছি। আজ আমিই তোমাকে পৃথিবীতে রেখে আসব।" ওর কথাগুলো হঠাৎ খুব করুণ শুনাল। কিন্তু তার ইমোশনাল কথায় গলে গেলে হবেনা। আমাকে পৃথবীতে যেতে হবে। আমি বললাম: বউ, মন খারাপ করোনা, দেখ আমি মানুষ, আর তুমি ভূত। আমাদের মাঝে সংসার করা মানায়না। তার চেয়ে বরং আমি চলে যায় পৃথিবীতে।" --হুমমম....চল।" সেই রাতেই বউ আমাকে পৃথবীতে নিয়ে আসল। ঠিক যেখান থেকে আমাকে তুলে নিয়ে গেছে, সেখানে আসলাম আমরা। পাশে সিনেমাহল। মানুষ সিনেমাহলে ঢুকছে, আর বের হচ্ছে। আহহহ!!!! অনেকদিন পর পৃথিবী দেখলাম। পৃথিবীর মানুষগুলো দেখলাম। পরাণে প্রাণ ফিরে এল, থুক্কু, , পরাণে শান্তি ফিরে এল। বউ হঠাৎ আমাকে এক হাতে জড়িয়ে ধরল। অন্য হাতে বাচ্চাটা। হু হু করে কেঁদে উঠল সে। এই প্রথম তাকে কান্না করতে দেখলাম। একটুপর আমাদের বিদায় হবে। তাকে শান্তিতে কাঁদতে দিলাম। কিছুক্ষণ কান্না করে সে মুখ তুলল। অশ্রুতে তার ভেজা চোখ দুটি ঝলঝল করে উঠল। কাঁদতে কাঁদতে সে বলল: তুমি আমাকে ভালোবাসনি তাতে কি, আমি তো তোমাকে ভালোবেসেছি। শুধু একটাই আফসোস আমার, কেন যে মানুষ হয়ে জন্ম হলনা আমার? তাহলে আজ তোমাকে এভাবে হারাতে হতনা আমার। যাক, তুমি কাছে না থাকলেও তোমার একটা স্মৃতি তো আমার কাছে আছে। এই তোমার বাচ্চাটাকে দেখে দেখে আমি তোমাকে সারাজীবন মনে রাখব। ভুলবনা কখনো।" এই প্রথম আমার খুব কষ্ট হল ওর জন্য। কিন্তু তাকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা আমার জানা ছিলনা। কি বলব বুঝতেছিনা। হঠাৎ আমার বন্ধু রকি এসে বলল: কি রে এভাবে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?" আমি রকিকে অনেকদিন পর দেখলাম, সেও আমাকে অনেকদিন পর দেখল। কিন্তু তার কথায় মনে হলনা যে সে আমাকে অনেকদিন পর দেখেছে। আমি বললাম: রকি , ও আমার বউ...." রকি অবাক হয়ে বলল: কে তোর বউ, এখানে তো কেউ নেই। তুই কি পাগল হয়ে গেছিস? আর তুই বিয়েই বা করলি কখন?" আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। আমার বউ বলল: রানা, আমাকে তুমি ছাড়া আর কেউ দেখবেনা।" রকি আমাকে বলল: চল, বাসায় চল...." আমার বউ বলল: যাও, আর কখনো কথা হবেনা আমাদের। আমিও আর কখনো পৃথিবীতে আসবনা। ভালো থেকো তুমি। " --কিরে চল...." রকি আমাকে টানতে লাগল। --আজকের মুভিটা খুব জোশ হয়েছে না?" রকি জিজ্ঞেস করল। --হু??? কোন মুভি???" অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম। --আরে একটু আগে যে আমরা দেখলাম "তোর নাম" মুভি টা.... --কি?? একটু আগে?? তাড়াতাড়ি আমি মোবাইলে টাইম দেখলাম। মাত্র ১০ মিনিট হয়েছে আমি সিনেমাহল থেকে বের হয়েছি, অথচ আমি ভূতের রাজ্যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ছিলাম। খুব অবাক হলাম ভূতের রাজ্যের এক বছর পৃথিবীর মাত্র ১০ মিনিটের সমান। মাথায় কিছুই ঢুকছেনা আমার। অনেকদূর চলে এলাম আমরা। একবার পেছনে ফিরে তাকালাম। দেখলাম, আমার বউ বাচ্চাটাকে বুকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছে। হয়তো এখনও কান্না করতেছে সে আমাদের দিকে তাকিয়ে। আমাকে পেছনে তাকাতে দেখে সে হাত নেড়ে বিদায় জানাল। খুব ইচ্ছে হল তখন আমার, ওর সাথে আবার ভূত রাজ্যে ফিরে যেতে। ওর সাথে সংসার করতে। কিন্তু আমার ভবিষ্যৎ চিন্তা করে ঘুরে দাঁড়ালাম। রকির সাথে হাটতে লাগলাম। আমিও হয়তো তাকে কখনো ভুলতে পারবনা। (সমাপ্ত )


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now