বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একজন খুনি part 6

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব ৬ ড.ওয়েল্সের একমাত্র পুত্র নীল ওয়েল্স।ছোট্ট মানুষ বুঝে না কিছু। বিশাল এক বাড়ি তাতে থাকতো মাত্র তিনজন লোক।নীল ও ওর বাবা-মা।দিনটা ছিলো ১৯ ফেব্রুয়ারী রাত ঠিক এগারোটা বাজে।নীল মানে আমি সেদিন ঘুমিয়ে ছিলাম।প্রতিদিন দশটার মধ্যে ঘুমিয়ে যাই।নিচের থেকে তর্কাতর্কির শব্দ পেয়ে ঘুম ভেঙ্গে যায়।রুম থেকে তখন আমি বের হয়ে নিচে উঁকি দিই।তিনটা লোক ছিলো।অাসিফ বাবার বন্ধু,রায়হান আর অারমান।সবাই বাবার পার্টনার।পার্টনারশিপে হাসপাতাল চালায়।তর্কাতর্কির কারণটা ছিলো বাবা জানতে পারে লাশের বিভিন্ন অঙ্গ চুরি করা হচ্ছে।যার পিছনে আরিফ,রায়হান আর আরমান জড়িত।তর্কাতর্কি থেকে হাতাহাতিতে নেমে গেলো।আমি উপর থেকে নিচে নেমে যাই।হঠাৎ আরিফ বাবাকে গুলি করে বসে।গুলির শব্দে মা আসে।মাকে গুলি করে দেয়।চোখের সামনে দুইজনকে ওরা মেরে ফেলে।গুলি দুটো করেছিলো আরিফ।দম যাবার আগে বাবা শুধু পালানোর কথাটাই বলে।আমি বুঝতে পারি নি কি হলো হঠাৎ। আমাকেও গুলি করে তবে দৌড় দিই তাই হাতে লাগে।গুলি হাতে ভিতর ছিলো না বের হয়ে যায়।বাড়ি থেকে বের হয়ে পা যেদিকে যায় সেদিকেই দৌড় দিই।একটু পর পিছনে তাকাতেই দেখি দুরে আগুর জ্বলছে।দূরত্ব দেখে ঠিকেই বুঝে গেছিলামম আমার বাড়িতে ওরা আগুন ধরিয়ে দিছে।পিছনে তাকিয়ে ভেজা চোখা নিয়ে দৌড়াচ্ছি।হঠাৎ ঠুস।আর কিছু মনে নেই।একসিডেন্ট কয় একটা সি এন জির সাথে।যেটায় ছিলো দুটো লোক অরিক আর ওর বাবা।গুলি লাগায় হাত আগে থেকেই রক্তাক্ত আর রক্ত তো পড়ছিলো।ছোট মানুষ সি এন জির এক ধাক্কায় পড়ে মাথা ফেটে যায়।এরপর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।ভুলে যাই আমি সব আমি কে আমার নাম কি সব কিছু।মাথায় আঘাতের কারণে।এরপর অরিকেরা ওদের বাড়িতে নিয়ে যায়।নতুন একটা নাম আয়মান দেয়।কিছুই নেই মনে কি হয় ছিলো আমার সাথে।এভাবে কয়েকটা বছর কেঁটে যায়।সুন্দরভাবেই দিনগুলো কাঁটছিলো।একজন ফরেন্সিক ডক্টরের কাছে পড়তাম।ইন্টার পরীক্ষা সবে মাত্র শেষ হলো।অরিক একটা বাইক কিনে বলতে গেলে দুইজনেরেই। বেশি চালাতাম আমিই।যাচ্ছিলাম একটু বাতাস খেতে।বাইক আমি চাচ্ছিলাম আর অরিক পিছনে ছিলো।জ্যামে আটকি।বসে বসে অপেক্ষা করছিলাম কখন জ্যাম কাটবে।তখনেই আমার ডান পাশের একটা প্রাইভেট গাড়ির দিকে নজর পড়লো।ক্রাশ খেলাম।পুরাই মাথা উড়ে গেলো।কতক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম মেয়েটার দিকে।মেয়েটাও বুঝতে পারে।অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।তাতে কি আমি তাকিয়েই থাকি।জ্যাম কেটে যায় গাড়িও এগুতে থাকে।আমি পিছু নেওয়া শুরু করি।অরিক বুঝতে পারে -মামা ট্রিট কই -চুপ থাক।আগে ভাবি আনি তারপর। পিছু নিতে নিতে এক ঘন্টা পর গাড়িটা একটা বাড়ির সামনে থামে।মেয়েটা গাড়ি থেকে নেমে বাড়িতে ঢুকে।খুব রেগে যায়।কিন্তু বাড়িটার দিকে তাকাতে মাথা কেমন ব্যাথা করতে লাগলো।চোখের সামনে কি রকম অসচ্ছ ছবি ভেসে উঠছিলো।মনে হচ্ছিলো প্রায়ই এই বাড়িতে আসতাম।একটু পর জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।জ্ঞান ফিরার পর নিজেকে একটা রুমে পাই।সেটা ছিলো ওই মেয়েটার বাড়ির একটা রুম পরে জানতে পারি।জ্ঞান ফিরার পরেই অরিককে নিয়ে বাড়িটা থেকে বের হয়ে চলে গেলাম। -আমি বাড়িটার ভিতর গেলাম কি করে। -আরে তোর ভাগ্য ভালো।তুই জ্ঞানও হারাস আর মেয়েটাও তার ভাইকে নিয়ে তোকে মারতে আসে রে।বেঁচে যাস।নইলে আজ হাড্ডি ভাঙ্গতো তোর।তোর অবস্থা দেখে ছেলেটার মায়া হয়।যতই হোক ছেলে ছেলেদের পক্ষেই থাকবে।ভুলে যা মেয়েটারে।দেখলি তো কি বড় বাড়ি।তুই কি আর ওরা কি।দেখলি আজেই মারতো তোকে।ভুলে যা -কি যে বলিস।প্রথম দিনেই ওর বেড রুমে চলে গেছি।মেয়েটা আমারেই। -কি করে বুঝলি? -রুমটা থেকে মেয়েলি গন্ধ পাচ্ছিলাম রে। -আচ্চা তুই অজ্ঞান হলি কেনো? -জানি নারে -------- -বাস্তাবে/বর্তমানে তখনও জানতাম না আমি মেয়েটা আমার বিবাহিত স্ত্রী। অরিক-কিহ? নীল-তোকে বলা হয় নি।ধিরে ধিরে ঘটনাটা বলি সব বুঝছি।ফিরে যাওয়া যাক ঘটনাতে ---------------------------------- সেদিন ফিরে এসে।রাতে একটুও ঘুমাতে পারি নি।যতবার চোখ বন্ধ করতাম উল্টা পাল্টা কিছু দেখতাম। সকালে-ফরেন্সিক ডক্টর সবে মাত্র চাকরি ছেড়েছে নাম ড.হ্যারি তার কাছে পড়তাম সকালে।উনার সাথে আবার অরিকের বাবার খুব ভাব।সেই হিসেবে পড়ায়। সেদিনও তার কাছে পড়তে যাই।তবে পড়ায় মন বসছিলো না।চোখের নিচে দাগ দেখে স্যার বলে -রাতে ঘুমাও নি? -না স্যার।যতবার চোখ বন্ধ করি আজে বাজে কিছু দেখি। -ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ো।না ঘুমালে তো অসুস্থ হয়ে পড়বে। মেডিলেকে টিকার জন্য ইন্টার পরীক্ষার পরে ওনার কাছে পড়ছিলাম।আগে থেকেই পড়ি।আমি আর অরিক চেষ্টা করছি মেডিকেলে পড়ার।সেদিন বেশি পড়ায় নি ছুটি দিয়ে দেয়।ফিরার পথে একটা গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগে।তেমন কিছুই হয় নি।গাড়িটা বাম পাশে মোর নিতে গিয়ে আমাদের ধাক্কা দেয়।আমি ধাক্কা খাবে বুঝতে পেরে ফুটপাতে গাড়ি উঠায় তবে দুর্ভাগ্য ক্রমে বাম হাত দেওয়ালের সাথে ঘসা খায়।ফলাফর হাতে থাকে ঘুড়িটা পড়ে যায়।সেই ছোট বেলা থেকে সারাদিন আমি এই ঘড়িটা পড়ি।উপরের গ্লাসটা ভেঙ্গে হাতে ঢুকে পড়ে।ড্রেসিং করিয়ে ব্যান্জেজ করি বাসায় ফিরি।বিকেলে ঘড়ির দোকানে যাই ঘড়িটা ঠিক করতে।ঘড়িটা ঠিক করছিলো ঠিক তখনেই..... চলবে.... ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একজন খুনি Last part
→ একজন খুনি part 8
→ একজন খুনি part 7
→ একজন খুনি part 5
→ একজন খুনি part 3
→ একজন খুনি part 2
→ একজন খুনি part 1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now