বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দা রিটার্ন অফ ভ্যামফায়ার কিং part:2

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব ২ -গ্রামের নাম শেরপুর -কিহ!কি বললি? -শেরপুর ভাই -ওটা তো আমার গ্রামের বাড়ি। -কিহ।আমি তো জানি তোরা এখানকার স্থানীয়। -আরে না শেরপুর আমাদের গ্রামের বাড়ি।বিয়ের পর দাদী মারা গেলে বাবা একেবারে শহরে চলে আসে। -ওহ। -লাশগুলো কি জঙ্গলের পাশে পাওয়া যাচ্ছে? -হুম।তুই কিভবে বুঝলি। -বলার সময় নেই আমি যাচ্ছি ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে। ডানা খুলে উড়াল দিয়ে সোজা গুহার সামনে আসলাম।এরপর গুহা পার করে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে।বৃদ্ধটার সাথে দেখা করে করে জানতে পারলাম রিক সহ আরো অনেকে পালিয়ে। বন্ধি সব ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার।তবে অনেকগুলো ধরেছে। আবার নাকি ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের সাথে মারামারিও হয়েছে।অনেক সাধারণ ভ্যাম্পায়ার মারা গেছে।তবে রিক সহ রাজকীয় ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারদের পাওয়া যায় নি।প্রায় ১৫ জন। -ওরা পৃথিবীতে গেছে তার মানে -কিহ? -আমার গ্রামের বাড়ির সেই জঙ্গলের পাশে রক্ত শূন্য লাশ পাওয়া যাচ্ছে। -ওহ। চলে আসলাম।তার মানে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যাবার আরো পথ আছে সেগুলো বের করতে হবে।এবার বের করে সব গুহা বন্ধ করে দিবো।বাড়িতে ফিরে আসলাম।অনিশা বললো -কি হলো হঠাৎ কোথায় গেলে তুমি? -ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে গেছিলাম।রিক সহ রাজকীয় ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার বংশের ভ্যাম্পায়ারগুলো পালিয়ে পৃথিবীতে এসেছে।আমার গ্রামে বাড়ি শেরপুর সেখানেও ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যাবার পথ আছে সেটা দিয়ে এসেছে।এখন মানুষ মারছে। -ওহ।এখন কি করবে? -আর কি আজেই শেরপুর যাবো।গিয়ে রিক সহ বাকিদের মারবো। -তোমার কিছু হলে? -আগে এতো জন করতে পারে নি এখন কেমনে করবে। বিকেলে বের হলাম।উড়াল দিলাম।শেরপুরে পৌছাতে পৌছাতে রাত হয়ে গেলো। পুরা গ্রাম শান্ত।মনে হচ্ছে একটা লোকও নেই।কেমন কেমন থম থমে পরিবেশ।পুরা গ্রাম অন্ধকার রাস্তায় কাউকে দেখলাম না। মনে হয় সব যে যার ঘরে ভ্যাম্পায়ারদের ভয়ে। জঙ্গলে ঢুকলাম।জঙ্গল অনেক ঘন। সাধারণ মানুষ হলে হয়ত কিছুই দেখতাম না।কিন্তু ভ্যাম্পায়ার হবার কারণে রাতে সব ভালো মতো দেখি। ভিতরে ঢুকে ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকলাম।কিছুই চোখে পড়লো না।তিন চার ঘন্টা ধরে ঘুরলাম পুরাটা জঙ্গল।একটা পাতাও নড়তে দেখি নাই।কি হরো সব কি পালাইছে নাকি।জঙ্গলের এক কোণে একটা গুহা দেখলাম।এটাই মনে হয় ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যাবার আরেকটা পথ।গুহায় ঢুকতে না ঢুকতেই ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার দেখলাম।খেলা শুরু প্রায় তেরোটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার ছিলো সব কথাটাকে মেরে ফেললাম।এখন মজাই লাগে মারতে।ভিতরে এগুতে বৃদ্ধটাকে দেখলাম। -আপনি এখানে কিভাবে? -তুমি যাবার পর আমি ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে খুজতে থাকি শেষে আরেকটা গুহা পাই সেটা দিয়া এখানে আসি তখনেই ওরা আমাকে বন্ধি করে ফেলে আর এখন তুমি আসলে। -বৃদ্ধটাকে ধরে ধরে বাহিরে আনলাম।হাঁটতে পারছেন না উনি। হঠাৎ বৃদ্ধটা একটা অস্ত্র দিয়ে বুকে আঘাত করলো কিছুই বুঝতে পারি নি।কিছু করার আগে পিছনে থেকে প্রচন্ড জোরে আঘাত করলো।উঠার শক্তি আর পেলাম না।ধিরে ধিরে বৃদ্ধটা রিকের রুপ নিলো।আমি ভুলেই গেছিলাম ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার রা রুপ পালটাতে পারে। আমাকে তুলে দাড়া করালো দুটো ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার।এরপর রিক প্রচন্ড জোড়ে গুসি দিলো।জ্ঞান পাশে থাকা নদীতে পড়ে গেলামম আর কিছু মনে নেই। -মহারাজ পথের কাঁটাটা চলে গেলো। -হুম।এবার দেখি কে আটকায়। অন্যদিকে-অনিশা-আমার এমন দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কেনো। নীলের কিছু হলো না তো। এইদিকে-নদীরে সাথে ভেসে ভেসে নীল দুরের এক গ্রামের দিকে।জ্ঞান হারানো অবস্থায়। প্রতিদিনের মতো রহমত নদীতে মাছ ধরতে যায়।নদীতে জাল ফেলে যখন তুলার জন্য টান দেয় অনেক ভারি কিছু জালে ফেসেছে অনুভব করলো।আরো কয়েকজন জেলেকে ডাক দিয়ে জাল তুললো। -আরে রহতম এ তো দেখি লাশ -আরে থাম থাম আগে দেখিবেঁচে আছে কিনা।... আরে বেঁচে আছে তো।দ্রুত গ্রামের হাসপাতালে নিলে চল। চলবে........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now