বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ১
তিনদিন পর আজ আমার বিয়ে হলো অনিশার সাথে।নতুন জীবনে পাঁ দিলাম।এভাবে দুই দিন অনিশার সাথে প্রেমেই কাটালাম।এরপর ভাবলাম একটু ভ্যাম্পায়ার রাজ্য থেকে ঘুরে আসি।সকালে বের হলাম।ডানা দুটো বের করে দিলাম উড়াল গুহা পার করে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে আসলাম।
বৃদ্ধটার সাথে দেখা করলাম অনেক কথা বললাম ওনাকে ধন্যবাদও দিয়েছি সেদিন যদি হেল্প না করতো আমি পারতাম না কিছু করতে।শেষে ওনাকে জিগাস করলাম
-চার্লসের কোনো ছবি আছে?
-আছে পাথরে খোদাই করা।আমার সাথে আছো।
বৃদ্ধটার সাথে রাজ মহলের পিছনে গেলাম।একটা পাথর দেখলাম খোদাই করা একটা ছবি।
-এটাই চার্লস
-অসম্ভব উনি চার্লস।কিভাবে
-কেনো অবাক হচ্ছো কেনো চিনো নাকি।
-চিনবো না মানে উনি আমার দাদা!!!!
-কিহ?
-হ্যাঁ আমি পুরা সিউর।
-তোমার দাদা এখনও কি বেঁচে আছে?
-না তিনি তো অনেক বছর আগে হারিয়ে গেছে
-হারিয়ে গেছে মানে?
-ঘটনাটা ১৯৬৮সালের আমার দাদা ছিলেন প্রকৃতি প্রেমিক।বন, জঙ্গল পাড়ে ঘুরা অনেক পছন্দ করতেন।তিনি সব সময় বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যেতো।১৯৬৬ সালে দাদা বিয়ে করে, ১৯৬৮ সালে আমার বাবার জন্ম হয়।বাবার তখন ছয় মাসে পড়েছে মাত্র।তখন জুলাই মাস চলে।দিনটা ছিলো সোমবার বাবা বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যায়।তখন আমরা ওনারা গ্রামেই থাকতো সেখানে গ্রামের পশ্চিম দিকে এক জঙ্গল ছিলো সেটাতে যায়।এরপরের দিন খবর আসে দাদাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না।অনেক খুজা হয় আর পাওয়া যায় নি।এরপর ভেবে নেওয়া হয় হয়ত কোনো বন্য প্রাণি খেয়ে ফেলেছে।সে সময়গুলো অনেক কঠিন ছিলো।সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুকে বড় করা সাথে মানুষের কথা শুনা।দাদার কোনো ভাই বোন ছিলো না সাথে দাদার অনেক টাকাও ছিলো তাই দাদীর এতোটা কষ্ট হয় নি।শুধু মানসিকভাবে অনেক কষ্ট করতে হয়।দাদার একটা ছবি ছিলো সেটা আমাদের বর্তমান বাড়িতে রয়েছে।একদম সেম দেখতে এই পাথরের ছবির মতো।
-তারমানে ওই জঙ্গলেও পথ আছে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে আসার
-হতে পারে আমি কখনো গ্রামে যাই নি।
-এবার বুঝলাম তোমার মাথার ওই চিহ্নটার রহস্যটা।দাদার মতো হয়েছো তুমি।
-হুম।হয়ত
বৃদ্ধটা চলে গেলো।
ভ্যাম্পায়ার রাজ্যের আবহাওয়াটা পুরাই পাল্টে গেছে।আগের মতো থম থমে পরিবেশ নাই।ছোট ছোট বাচ্চা ভ্যাম্পায়ার গুলো রাজ মহলের বাগানে খেলছে।রাজ মহল পুরাই মুক্ত যে কেউ ঢুকতে পারে বের হতে পারে। শুধু জেলে কয়েকটা গার্ড রাখা হয়েছে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারগুলো যেনো না পালাতে পারে।
দুই তিন ঘন্টা সেখানে কাঁটিয়ে ফিরে আসলাম।যাক ভালোই লাগলো আমার দাদা একজন হিরো ছিলো। বাসায় এসে আমার হাসি খুশি চেহারাটা দেখে বাবা জিগাস করলো কি হয়েছে।দাদার ঘটনাটা বাবাকে বললাম অনেক খুুশি হলো আবার কাদলোই।আমার বাবার একটাই দুঃখ বাবা বলে কাউকে ঢাকতে পারে নি।
ছয়টা মাস কেঁটে গেলো আর আমি ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যাই।
না যাবারও কারণ আছে অনিশা প্রেগন্যান্ট।গত মাসে সুসংবাদটা পাইছি।
-এই তোমাকে কতবার বলছি আমাকে না জানিয়ে রুম থেকে
-আজারে বাথরুমেও তোমাকে নিয়ে যেতে হবে?
-হুম।সব জায়গায়।
-মাথা খাও পারলে। প্রেগন্যান্ট হবার পর থেকে উঠতেও দেয় না।বাথরুমেও নিয়ে যাইতে হয়।কচু
-চুপপ।
-তুই চুপ থাক।তোর জন্য একটুও শান্তি পাই না।সারাদিন জ্ঞান। প্রেগন্যান্ট করলি কেন?
-মন চাইছে।
-কচুর মন।কিরে হাসছো কেন?
-বলো তো কত বছর পর এইভাবে তুমি তুই করে বললাম। রাগ করলাম।
-মানে?
-প্রথম দেখার কথাটা মনে পড়লো।আমাদের প্রথম দেখাটাও হয়েছিলো এই ঝগড়া দিয়ে।হুদাই তাই না।
-হুম তেরো বছর আগে। সেদিন আমাদের প্রথম দেখা।হুদাই আমরা ঝগড়া করি।
-অপরিচিত দুটো ব্যক্তি সেদিন বিনা করাণে মন খুলে একে অপরকে গালি দেয়।
-হুম।আজ তেরো বছর পর আবারও হলো।
-হুম সেদিন তো কেউই জানতাম না আমাদের শেষ পর্যন্ত বিয়ে হবে।
-হুম আসলেই।ঝগড়াটা থেকে শুরু হয় ভালো বন্ধুত্ব আর এখন স্বামী স্ত্রী।
-লাভ ইউ কিউটি।
-হুম লাভ ইউ টু পাগলা।
অন্যদিকে----ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে দুইদিন আগে রিক জেল থেকে পালিয়েছে।ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে ওকে খুজা হচ্ছে পাচ্ছে না কেউ।পৃথিবীতে আসার পথও কেউ জানে না যে নীলের সাহায্য চাইবে।
এইদিকে---অনিশাকে কিস করবো এমন সময়ই দরজায় টোকা পড়লো।বাবা আসলো
-নীল তোমার সাথে আকাশ দেখা করতে আসছে।
আচ্চা আমি আসছি। ওকে বসতে বলো।
-এটা কেমন কথা হলো।রোমেন্সের বারোটা বাজালো।
নিচে গেলাম।
-কিরে জন্য হঠাৎ আসলি আকাশ
-বন্ধু এটা দেখ।এই গ্রামটায় রক্ত শূন্য লাশ পাওয়া যাচ্ছে দুইদিন ধরে।
-গ্রামের নাম কি?
-গ্রামের নাম হলো.........
চলবে........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now