বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ১১&শেষ
গেটটা বন্ধ হয়ে গেলো।আবার ফিরে ঝর্ণার কাছে আসলাম।কালকেই সব কিছু শেষ হবে।কিছুক্ষণ পর দেখলাম বৃদ্ধ লোকটা দৌড়ে এইদিকে আসছে।
-এই ছেলে তোমাকে আামি কত জায়গায় খুজছি।শুনেছো কি বলেছে এলবার্ড?
-হুম শুনেছি
-তুমি এতো শান্তভাবে বসে আছো কেনো।জানো না পৃথিবীতে গেলো কি হবে।
-পৃথিবীতে কোনো ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার যাচ্ছে না।আমি এলবার্ডকে কাল পূজাতেই মারবো।
-কিভাবে?
-সেটার আমার ব্যাপারর কারণ উপরের দুনিয়াটা আমার আপনার না।
বৃদ্ধটা মন খারাপ করে চলে গেলো।আমি একটু রাগি ভাবেই কথা বললাম কারণ সন্দেহ আছে যদি কোনো ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার বৃদ্ধটার রুপ নিয়ে আসে তাই।
বর্ণার পাশে থাকা পাথরগুলোতে গুসি দিয়ে ভাঙ্গছি।নিজের শক্তি বাড়াতে।এখন বাদুর হচ্ছি তো কখনো ডানা বের করে উড়ছি।নিজের শক্তি বাড়াছি।এভাবে কয়েক ঘন্টা চলে গেলো আগের থেকে চার গুণ শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।হঠাৎ ডোলের আওয়াজ শুনতে পেলাম।বিশাল গেটটাও খুললো।পূজার আয়জন করা হচ্ছে।চারিদিকে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার সব আজ খাঁচা থেকে বের হলো মনে হয়।
ডানা দুটো বের করে গেটের সামনে গেলাম।আার মতো অনেকেই আছে।ভিতরতে যেতে পারছিনা অনেকগুলো ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার।কি করি।বাদুর রুপ নিয়ে এগুতে লাগলম।কাজ হচ্ছে না অনেক ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার।বৃদ্ধটা আমার কাজগুলো ফলো করছিলো।
-আমি সাহায্য করি?
-কিভাবে?
উনি কিছু না বলে সামনে যেতে লাগলো।কতগুলো ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার দৌড়ে ধরতে আসলো। এই সুযোগে বাদুর রুপ নিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়লাম।বৃদ্ধটাকে প্রচুর মেরেছে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারগুলো।যাই হোক এগিয়ে ভিতরে ঢুকলাম।
আমাকে এখন খুজতে হবে কাল যে ভ্যাম্পায়ারগুলোকে ধরে নিয়ে গেছে তাদের কোথায় রেখেছে।খুজতে খুজতে হয়রান পাচ্ছি না।কতক্ষণ লুকিয়ে খুজবো। হঠাৎ দেখলাম অনেক আওয়াজ হচ্ছে।বিশাল এক মূর্তি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
মূর্তির পিছনেই দেখলাম হাত বাঁধা অবস্থায় সারি সারিতে ভ্যাম্পায়ার সাধারণ ভ্যাম্পায়ার।আর পাশে অনেকগুলো ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার।এখন কি করি ওদের সাথে তো মিলতেও পারবো না।এখন কি করি।
বাদুর রুপ নিয়ে লুকিয়ে ওদের পিছু পিছু যেতে লাগলাম।
আবার বাহিরে আসলাম।মূর্তিটা মাঝে রাখা হলো। চারপাশে ভ্যাম্পায়ার গুলো।একটু পর অনেক গার্ড নিয়ে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার কিং এলবার্ড সাথে রিক আসলো।
মূর্তিটার সামনে গিয়ে দাড়ালো এলবার্ড আর রিক।
-রিক কোনো খবরেই তো নেই যে নাকি আমায় মারবে
-এতো গার্ডের মধ্যে আসা অসম্ভব।
-হুম।আর দেরি না করি চলো পূজা শুরু করা যাক।
দেখলাম এলবার্ড একটা অস্ত্র হাতে নিলাম।এরপর সারি সারিতে রাখা ভ্যাম্পায়ারগুলোর দিকে এগুতে লাগলো।মোট একশতটা আছে।ঠুস করে একটার গলা কেঁটে দিলো।কাঁটা মাথা থেকে পড়া রক্ত খাচ্ছে।আর বডিটা মাটিতে পড়ে গেলো সেখান থেকে রক্ত গড়িয়ে মূর্তিটাতে লাগছে।কি ভয়ানক ব্যাপার।আমার তো রাগ হচ্ছে।এভাবে চলতে থাকলো প্রায় বিশটা মেরে ফেলেছে আর আি কান্ড দেখছি।মাথাটা তো গরম হয়েছে আগেই আরো গরম হচ্ছে।কান থেকে ধুয়া বের হচ্ছে।নিজের রাগ আর ধরতে পারলাম না।ভ্যাম্পায়ার রুপ নিয়ে ডানা দুটো বের করে এগুতে লাগলো।কয়েকটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার আসলো সব কটাকে।এলবার্ডের সামনে দাড়িয়ে আছি।রাগে আগুনের মতো গরম হয়ে গেছে।পাশে রক্তের দিকে তাকিয়ে দেখলাম আমার মাথায় একটা চিহ্ন।এলবার্ড তো ভয় পেয়ে গেছে।
-চা...চার্লস!!
-না নীল।গুড বায় এলবার্ড।
এলবার্ডের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে ওরেই মাথাটা ঘাড় থেকে আলাদা করে দিলাম।
সব ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার পিছনে দাড়িয়ে রয়েছে।অস্ত্রটা দিয়ে মূর্তিটাতে দিলাম আঘাম টুকরো টুকরো হয়ে গেলো।
রিক চিৎকার দিয়ে বললো মেরে ফেলো ওকে।
-কার মরার ইচ্ছা পারলে সামনে আস।
আমার মাথায় চার্লসের চিহ্ন দেখেই সব ভয় পেয়ে গেছে আর কি বলবে করবে।সোজা হাঁটতে লাগলাম।ভিতরে গিয়ে সোজা রাজার আসনে গিয়ে বসলাম।কেউ বাঁধা দিলো না।
-আমি নীল আপনার নতুন ভ্যাম্পায়ার কিং
রিক বললো তোকে আমরা এখনেই মারবো তখনেই সব সাধারণ ভ্যাম্পায়ার দিলো ওদের মাইর দিলো।সবাইকে বন্ধি করে নিলো।
বৃদ্ধটা এগিয়ে এসে বললো
-তোমার মাথায় ওই চিহ্নটা কেনো
-জানি না যখন অনেক রাগ হয় তখন এই চিহ্নটা আসে।তখন আমার সাথে কেউ পারে না
-পুরা চার্লসের মতো।
-হুম
এভাবে আরেক দিন কাঁটলো।ভ্যাম্পায়ার রাজ্য থেকে বিতায় নিয়ে চলে আসলাম।বলেছি প্রায়ই আসবো।
পৃথিবীতে-অনিশা-
তিন দিন হলো নীলের কোনো খোঁজ নেই কিছু হলো না তো ওর।বারান্দায় বসে বসে কাদছি হঠাৎ আকাশে কিছু একটা দেখলাম উড়ছে ওটা আমার দিকেই আসছে। হঠাৎ বাদুর হয়ে জানালা দিয়ে ভিতরে ঢুকলো
-নীল?
ধিরে ধিরে বাদুরটা মানুষ হলো।হ্যাঁ এটা তো নীলেই।
-তু...তুমি ঠিক আছো
-অব্যশই
-তার মানে প্রতিশোধ নিতে পেরেছো।
-শুধু কি তাই নাকি আমি তো ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার রাজাকে মেরে ভ্যাম্পায়ার কিং হয়ে গেলাম।
-বাব্বা।
আচ্চা আমি বাসায় যাই। চিন্তা করো না একটু পরেই আসছি।পৃথিবীতে তখন রাত চলে।আমি জানি না কয়দিন পার হইছে।বাসায় এসে ভদ্র মানুষের মতো দরজায় টোকা দিলাম।আম্মু এসে খুললো। আমাকে দেখে তো খুশিতে কেঁদেই দিলো।সবার সাথে একে একে দেখা করে নিলাম।রাত তখন দশটা করবস্থানে আমি রাব্বির কবরের সামনে।
-নিয়েছি প্রতিশোধ আমি। কিছুক্ষণ কেঁদে চলে আসলাম।
জানতে পারলাম নতুন ওসি এসেছে।নাম রাকিব।বয়সও বেশি না। সাতাইশ বছর।পুলিশ স্টেশনে কতক্ষণ কথা বলে চলে আসলাম।
তিনদিন পর আজ আমার বিয়ে হলো অনিশার সাথে।নতুন জীবনে পাঁ দিলাম।এভাবে দুই দিন অনিশার সাথে প্রেমেই কাটালাম।এরপর ভাবলাম একটু ভ্যাম্পায়ার রাজ্য থেকে ঘুরে আসি।সকালে বের হলাম।ডানা দুটো বের করে দিলাম উড়াল গুহা পার করে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে আসলাম।
বৃদ্ধটার সাথে দেখা করলাম অনেক কথা বললাম ওনাকে ধন্যবাদও দিয়েছি সেদিন যদি হেল্প না করতো আমি পারতাম না কিছু করতে।শেষে ওনাকে জিগাস করলাম
-চার্লসের কোনো ছবি আছে?
-আছে পাথরে খোদাই করা।আমার সাথে আছো।
বৃদ্ধটার সাথে রাজ মহলের পিছনে গেলাম।একটা পাথর দেখলাম খোদাই করা একটা ছবি।
-এটাই চার্লস
-অসম্ভব উনি চার্লস।কিভাবে
-কেনো অবাক হচ্ছো কেনো চিনো নাকি।
-চিনবো না মানে উনি আমার দাদা.....
(সমাপ্ত)
[এই গল্পটা প্রথম সিরিজ,,এর পরের সিরিজের নাম হলো:দা রিটার্ন অফ ভ্যামফায়ার কিং]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now